বিপ্লবের আশা-আকাঙ্ক্ষার যেন অপমৃত্যু না হয়
আজকের তরুণ আগামী দিনের ভবিষ্যত্। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম তারুণ্যের মধ্যেই সর্বদা লুকায়িত সব বাধা-বিপত্তি, অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার উজ্জীবিত শক্তি। বৃদ্ধের প্রজ্ঞা, পরামর্শ আর তারুণ্যের শক্তি একটি জাতির সমৃদ্ধি অর্জনের সবচেয়ে বড় অস্ত্র হয়ে থাকে। তাই বলা হয়, তারুণ্যেই শক্তি,তারুণ্যেই মুক্তি।পৃথিবীর যত মহৎকর্ম সাধিত হয়েছে, মুক্তির উদ্যম হাওয়া যত প্রান্তর বেয়ে প্রবাহিত হয়েছে তার প্রত্যেকটির পেছনে অসামান্য অবদান রয়েছে তরুণদের। আর এই তারুণ্যের শক্তির আশ্রয়ে পৃথিবীকে বদলে দিতে চাই তরুণদের সঠিক পথে চালিত করার দিকনির্দেশনা। তরুণদের শুভ শক্তির দ্যুতি ছড়িয়ে মহত্ত্ব এক পৃথিবীর জন্ম ঘটাতে তরুণদের চালিত করতে হবে আলোর পথে,মুক্তির পথে।তরুণদের প্রতিভা, সাহস, দৃঢ়তা বাঙালি কখনো ভুলবে না। বাঙালিকে পথপ্রদর্শন করা তাদের মহৎ পরার্থপরতা পৃথিবী থেকে মূর্ছিত হবে না কোনোদিনও। ইতিহাস বারবার এগিয়ে আসে তরুণদের অবদানকে স্মরণ করিয়ে দিতে। বলা হয়ে থাকে তরুণ্যের চোখে বিশ্বকে জয় করা যায়।২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের সময় থেকে ফ্যাসিবাদ শব্দটা প্রায় সবার কাছেই পরিচিতি পেয়েছে। বাংলাদেশের বামপন্থী রাজনীতিবিদদের কাছেই ফ্যাসিবাদ শব্দটা বেশি শুনেছি। কারণ বামপন্থীদের সঙ্গেই ফ্যাসিবাদের ঐতিহাসিক ও দার্শনিক দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি ছিল। অথচ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেই বামদেরই একটা বড় অংশ ফ্যাসিবাদের দোসর হয়েছে। কমিউনিজম আদতে একটি আন্তর্জাতিক মতবাদ, অর্থাৎ দেশের সীমাকে অতিক্রম করে সর্বহারার একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা করা ছিল এর উদ্দেশ্য। অন্যদিকে ফ্যাসিবাদ একটি উগ্র জাতীয়তাবাদী মতবাদ।বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জাতীয়তাবাদের নিবিড় সম্পর্ক থাকায় এবং সেখানে মস্কোপন্থী বামপন্থীদের ঘনিষ্ঠ অংশগ্রহণ থাকায় স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশেও তাদের বড় অংশকে আমরা ফ্যাসিবাদের অংশীদার হিসেবে দেখতে পেয়েছি।
ফ্যাসিবাদ বলতে প্রধানত এমন একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ বোঝায়, যেখানে দলের আদর্শ ব্যক্তি স্বাধীনতার ওপর স্থান পায়, একনায়কতান্ত্রিক নেতৃত্ব, চরম জাতীয়তাবাদ, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও বিরোধী দল দমন এবং সামাজিক বা রাজনৈতিক বিরুদ্ধতার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকে। ফ্যাসিবাদ সাধারণত জাতিগত পরিচয়ের ওপর গুরুত্ব দেয় এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও রাজনৈতিক বহুত্ববাদকে প্রত্যাখ্যান করে। তবে আওয়ামী লীগের সব কাজ বা বৈশিষ্ট্যই ফ্যাসিবাদ নয়। এমন অনেক কাজ আওয়ামী লীগ করেছে যা অত্যন্ত গর্হিত, তা সত্ত্বেও সেসব কাজ ফ্যাসিবাদ নয়। যেমন দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অর্থ পাচার, বিদেশী শক্তির তাঁবেদারি-এমন অনেক ক্ষতিকর কাজের উদাহরণ দেয়া যায় যেগুলোকে সরাসরি ফ্যাসিবাদ বলা যায় না। এসব কাজ রাষ্ট্রের দুর্বলতার সুযোগে তারা সংঘটিত করেছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য হলো ক্ষমতা কুক্ষিগত করা, নিজ আদর্শের স্বার্থে বিরোধী মতকে দমন করা, ব্যক্তিস্বাধীনতা হরণ করে দলকে দেশের ওপরে স্থান দেয়া, অত্যাচার বা বল প্রয়োগ করা।আওয়ামী লীগের এ ধরনের কাজগুলো, যেমন ভুয়া নির্বাচন, দলীয়করণ, গুম, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর জুলুম, সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ ইত্যাদিকে ফ্যাসিবাদী বৈশিষ্ট্য বলা যেতে পারে। আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার আগেও দেশে নানা দল শাসন করেছে। দেশের শাসন কাঠামো এবং সমাজ কাঠামোতে ত্রুটি থাকায় সেসব দলও যে সুশাসন উপহার দিতে পেরেছে তা নয়। কিন্তু সেসব দলকে সরাসরি ফ্যাসিবাদী বলা চলে না। বিশেষ করে তাদের দুর্নীতি ও অপশাসনকে তো নয়ই। বিএনপির কথাই ধরা যাক। বিভিন্ন সময়, বিশেষ করে ১৯৯০-এর পর, দেশের ক্ষমতা পেয়ে তারা বিদ্যমান দুর্বল রাষ্ট্র কাঠামোর সুযোগ গ্রহণ করেছে। নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়েও তারা বিভিন্ন সময় অপরাজনীতি করেছে। কিন্তু গায়ের জোরে, শতসহস্র মানুষকে হত্যা করে হলেও ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে থাকার প্রবৃত্তি তাদের কখনো হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না।
বরং জানমালের ক্ষতি হবে এ আশঙ্কায় তারা তড়িঘড়ি করে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নিজেরাই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এর মূল কারণ হলো, দলটির নানা ত্রুটি থাকতে পারে, তবে দলটি আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদী চরিত্রের নয়। কোন দলের মধ্যে সমষ্টিগত একতার আধিক্য দেখা যায়? অনেকে বলতে পারেন, দলের মধ্যে একতা থাকাটা তো ভালো। সেটা ওই দলের জন্য ভালো হতে পারে, কিন্তু তা রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করতে পারে। যেমন ধরুন, রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার নাগরিকের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। আর সেই চাকরি পাওয়ার অধিকারী হবে দেশের যোগ্য নাগরিক। এখন যদি একটা রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে এবং সেখানে নিজ দলের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেয়, আপাতদৃষ্টিতে তা ভালো মনে হলেও এটা রাষ্ট্রের ভিত্তিকে দুর্বল করে। যে রাষ্ট্রে এমন দল থাকে, সেই দল রাষ্ট্রের চেয়েও শক্তিশালী একটা কাল্টে পর্যবসিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এমন দলকে বহিরঙ্গে যতই ভালো দেখাক, তাকে গণতন্ত্রের লেবাস পরা ফ্যাসিবাদী দল, অন্তত ফ্যাসিবাদে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনাযুক্ত দল বলে সন্দেহ করার কারণ আছে। যেসব দল পরিচয়বাদী রাজনীতি করে, তাদের পক্ষে ফ্যাসিবাদে স্লাইড-ইন করাটা সহজ ও সম্ভাবনাময়। সেটা যেমন হতে পারে আওয়ামী লীগের মতো জাতিগত পরিচয়, তেমনই হতে পারে ধর্মীয় পরিচয়। ভারতীয় জনতা পার্টিকে পরিচয়বাদী রাজনীতির সূত্রে ফ্যাসিবাদী ভাবধারা ধারণের নিকট উদাহরণ হিসেবে ধরা যায়। নিজেকে প্রশ্ন করুন, বাংলাদেশে এমন পরিচয়বাদী রাজনীতি কারা করছে? জানবেন, তাদেরই ফ্যাসিবাদে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল। অন্যদিকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জনরঞ্জনবাদী রাজনীতিকেও আজকাল ফ্যাসিবাদের পূর্বগামী হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতালির জিওরজিয়া মেলোনি, হাঙ্গেরির ভিক্টর ওরবান, ব্রাজিলের জাইর বোলসোনারো, ফ্রান্সের মারিন ল্যো পেন।
এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্পও জনরঞ্জন বাদী রাজনীতির সূত্রে ফ্যাসিবাদকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত। তাদের অভিবাসনবিরোধী, জাতীয়তাবাদী, প্রতিষ্ঠানবিরোধী, সংখ্যালঘু বিদ্বেষী, গণতন্ত্রের বিপরীতে ব্যক্তিপূজা ইত্যাদি অবস্থান ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। এ কারণে সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের নজর রাখতে হবে কোন কোন দলের মধ্যে পরিচয়াদী রাজনীতি কিংবা জনরঞ্জনবাদী রাজনীতি করার প্রবণতা রয়েছে। এসব দলেরই কালক্রমে ফ্যাসিবাদী দলে পর্যবসিত হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশ্ন উঠতে পারে, তাহলে কি আমরা দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসের ইতিহাস আছে এমন দলকে প্রশ্রয় দেব? আমরা কি এমন দলকে সমর্থন দেব যাদের নিজের দলের কর্মীদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই? উত্তর হলো দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা রাজনৈতিক দলের কাজ নয়। যেমন কাজ নয় দলের সদস্যদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা কিংবা মব সন্ত্রাসের মাধ্যমে আইন নিজেদের হাতে তুলে নেয়া। দল হলো একটা সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান, যেখানে সমাজের নানা বৈচিত্র্যের মানুষের সমাবেশ ঘটে। তারা একত্র হয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়। কিন্তু রাজনৈতিক দল কোনো সাধুসংঘ কিংবা সৎকর্মশীলদের আশ্রম নয়, অবশ্য ক্রিমিনাল গ্যাংও সে নয়। একটা সমাজে ভালো-মন্দ মিলিয়ে জনমানুষের যে বিন্যাস থাকে, সুস্থ একটা রাজনৈতিক দলে পরিসংখ্যানের স্বাভাবিক বণ্টন বক্ররেখা অনুযায়ী তেমনই সদস্য-বিন্যাস থাকে। রাষ্ট্রের একটা প্রশাসনিক বিভাগ আছে যারা স্থায়ী ও অরাজনৈতিক। কিন্তু নির্বাচনের মাধ্যমে যে দল ক্ষমতা গ্রহণ করে, তারা প্রশাসনকে নীতি বা পলিসিগত নির্দেশনা প্রদান করে। দলের পক্ষ থেকে মূলত নির্বাহী বিভাগ গঠন করা হয়, যারা এ কাজ করে থাকে।
এ কাঠামো যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়, তখন তাদের দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের কল্যাণে কাজ করার কথা। কিন্তু ফ্যাসিবাদী দলগুলোর কাছে নিজেদের দল এতটাই প্রিয়, এতটাই আপস-অযোগ্য যে তারা দলকে দেশের ওপর স্থান দেয়। এভাবে আওয়ামী লীগের মতো কাঠামো তৈরি হয়, যাকে গণ-অভ্যুত্থান ছাড়া ক্ষমতাচ্যুত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। চিন্তা করে দেখুন তো, এমন দল আর কোনটা আছে যা দলের সদস্যদের কাছে প্রশ্নহীন আনুগত্য প্রত্যাশা করে এবং দলের সদস্যরাও মরণপণ শপথ নিয়ে দলীয় আদর্শ মেনে চলে। একটা পরাধীন দেশে এমন মিলিট্যান্ট আনুগত্যের প্রয়োজন আছে দেশকে সামরিক উপায়ে স্বাধীন করার জন্য। কিন্তু একটা স্বাধীন দেশে এমন দলের অস্তিত্ব গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, দেশের ভবিষ্যৎকে নষ্ট করে, রক্তপাতবিহীন ক্ষমতা হস্তান্তরকে অসম্ভব করে তোলে। এমন শাসনকেই আমরা বলি ফ্যাসিবাদী শাসন। এমন প্রশ্নহীন আনুগত্য মানুষের হিতাহিত জ্ঞান কেড়ে নেয়। সে তার সব এজেন্সি রাষ্ট্রের ওপর নয় বরং দলের ওপর ন্যস্ত করে দেয়। ফলে দল যা বলে তাই তার কাছে সঠিক বলে মনে হয়। এখানে মানবিক ন্যায্যতার প্রশ্ন অবান্তর হয়ে ওঠে। এ কারণেই আমরা দেখি, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষকে গুম-খুন করে এবং মাত্র এক মাসে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে হত্যা করার পরও আওয়ামী লীগের সমর্থকের মাঝে কোনো অনুশোচনা নেই। থাকবে কেন? তারা তো ব্যক্তিগত ন্যয়বোধকে দলের কাছে জিম্মা রেখেছে। এমন অনুতাপহীনতা আর কোন দলের মাঝে দেখা যায় কি, চিন্তা করার সময় এখনই। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সবলের অত্যাচার থেকে দুর্বলকে রক্ষা করা। রুশোর সোশ্যাল কনট্রাক্ট গ্রন্থে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, মানুষ হিসেবে জন্ম থেকে আমাদের যে পূর্ণ স্বাধীনতা, রাষ্ট্রের কাছে আমরা তার কিয়দংশ জিম্মা রাখি এ প্রত্যাশা থেকে যে রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্র আমাদেরকে সবলের অত্যাচার থেকে রক্ষা করবে।
এই রক্ষা অন্য কেউ জোগান দেবে না, রাষ্ট্র তার জোগান দেবে, যেমন প্রাথমিক স্বাস্থ্য, প্রাথমিক শিক্ষা, নির্মল পরিবেশ, নিরাপত্তা ইত্যাদি। এ কারণেই নাগরিকরা রাষ্ট্রকে কর দেয়, রাষ্ট্রের বিধিবিধান মেনে চলে, ইচ্ছামতো মব সন্ত্রাস করে না। যে সেবা বা সুবিধা রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যাশিত, তা যদি ব্যক্তি বা দল দেয়া শুরু করে, তাহলে রাষ্ট্র ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে পড়ে। এমন রাষ্ট্রই ফ্যাসিবাদের বড় লক্ষ্যবস্তু, শিকারের নিমিত্তে। তাই বলতে চাই-পুরোনো ধারায় যে অনিয়মগুলো এখনো দৃশ্যমান তা থেকে জনগণকে যদি মুক্তি দেওয়া যায় তাহলে সরকারের প্রতি এবং নতুন বন্দোবস্তের প্রতি মানুষের আস্থার জায়গাটা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আর তখনি নির্বাচন আগে না সংস্কার আগে- এ বিতর্কের এবং এ ইস্যুতে ঐক্যের জায়গাটাও তৈরি হবে।বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বয়স প্রায় দেড় বছর অতিক্রম হয়েছে; কিন্তু তার জনপ্রিয়তা ও দায়িত্বপালনের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে যদি সেগুলোর সমাধানের চেষ্টা করে তাহলে ব্যাপক জনসমর্থন তাকে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে দ্বিধাহীন শক্তি জোগাবে।তাই নির্বাচন ও সংস্কার দুটোকেই মাথায় রেখে সবাইকে অগ্রাধিকার দিতে হবে জনগণের মৌলিক প্রত্যাশার দিকে। বহুবছর ধরে একটা সঠিক গণতন্ত্রহীন পরিবেশ থেকে জাতিকে মুক্তি দেওয়াটা যেমন সর্বাগ্রে প্রয়োজন, তেমনি উপড়ানো দরকার সরকারের সব কালাকানুন এবং পতিত মানসিকতার চর্চা। জাতি উন্মুখ হয়ে আছে একটি গণমুখী নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ও গণতন্ত্রের সুবাতাস আশ্বাদনের জন্য। আমাদের কাদা ছোড়াছুড়িতে রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের আশা-আকাঙ্ক্ষার যেন অপমৃত্যু না হয় সেদিকে সচেতন ও সতর্ক থাকার দায়িত্ব সবার। সুশাসন আর গণতন্ত্রের পথে আমাদের অভিযাত্রা সংকটমুক্ত হোক-এটাই দেশবাসীর প্রত্যাশা।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, যুক্তরাজ্য
Aminur / Aminur
বিপ্লবের আশা-আকাঙ্ক্ষার যেন অপমৃত্যু না হয়
গণমানুষের আস্থার ঠিকানা হোক গণমাধ্যম
নিরপেক্ষ, স্বাধীন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা: সরকার-বিরোধী উভয়েরই কল্যাণকর
শবে মেরাজের তাজাল্লি ও জিব্রাইল (আ.) এর সীমা: এক গভীর ও বিস্ময়কর সত্য!
অকুতোভয় সাংবাদিক মানিক সাহা হত্যা: ২২ বছরেও ধরাছোঁয়ার বাইরে মূল পরিকল্পনাকারীরা
বিতর্ক থেকে বিবর্তন: তারেক রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তর
কুয়েত দূতাবাস সহ মধ্যপ্রাচ্য দূতাবাস গুলো সংস্কার অতি জরুরি
রাজনীতি মানেই কি ক্ষমতার লড়াই?
অধিক আসনের হিসাব না গ্রহণযোগ্য নির্বাচন- তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি কোন পথে?
মামদানির ঐতিহাসিক অভিষেক ও ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জ
বঙ্গশারদুল মেজর গনি: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অবদান
ফিরে দেখা দুই হাজার পঁচিশ