কাউনিয়ায় তিস্তা মহাপরিকল্পনার সরেজমিন পরিদর্শনে চীনা রাষ্ট্রদূতসহ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান
উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি আবারও সামনে এসেছে। তিস্তা পাড়ের কৃষক, জেলে ও সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর ধরে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। ধারাবাহিক আন্দোলন, মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তারা তাদের ন্যায্য দাবি জানিয়ে আসছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে তিস্তা অববাহিকার প্রায় দুই কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।
এর আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানিয়েছিলেন, জানুয়ারি মাসে প্রকল্পের কাজ শুরু হতে পারে। এই ঘোষণায় নতুন আশায় বুক বেঁধেছিলেন তিস্তা পাড়ের মানুষ। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে হতাশা ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়।
এমন পরিস্থিতিতে হতাশা দূর করতে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান চীনা রাষ্ট্রদূতকে সঙ্গে নিয়ে পুনরায় তিস্তা এলাকা পরিদর্শনে আসেন।
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন,
"আমরা যখন প্রকল্পটি চীনে পাঠিয়েছি, তখন একটি নির্দিষ্ট সময়সূচি ছিল। এরপর চীন সরকার প্রকল্পটি গভীরভাবে যাচাই-বাছাই শুরু করেছে। চীনা রাষ্ট্রদূতও বলেছেন—এটি মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। তাই কোনো ধরনের ভুল যেন না হয়, সেই জন্যই এত মনোযোগ দিয়ে যাচাই-বাছাই চলছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি দ্রুত কাজ শুরু করতে, যাতে চলতি বছরের মধ্যেই প্রকল্পের বাস্তব কাজ শুরু করা যায়।"
তিনি আরও বলেন,"জানুয়ারিতে কাজ শুরু না হলেও হতাশার কারণ নেই। প্রকল্পটি যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে। চীন ও বাংলাদেশ সরকার উভয়ই জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই আমরা আবারও চীনা রাষ্ট্রদূতকে সঙ্গে নিয়ে তিস্তা এলাকা পরিদর্শনে এসেছি।"
সফরকালে ১৯ জানুয়ারি সকাল ৯টায় উপদেষ্টা রংপুর সার্কিট হাউস থেকে সড়কপথে কাউনিয়া তিস্তা ব্রিজের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তিনি তিস্তা নদীর ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন রংপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপার। উপদেষ্টার সফরসঙ্গী ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ এনায়েত উল্লাহ, একান্ত সচিব আবু নইম মোহাম্মদ মারুফ খান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ মোবাশশেরুল ইসলাম, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা উম্মুল খায়ের ফাতেমা, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নাছির উদ্দিনসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
পরিদর্শনে চীনা রাষ্ট্রদূত ছাড়াও রংপুর জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Aminur / Aminur
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
মরণফাঁদে পরিণত পাঁচুড়িয়া খাল: দেখার কি কেউ নেই..?
বাগেরহাট শহরে জলাবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে মানুষ কৃষকদের বোরো ধানের ক্ষতির আশংকা
লাকসামে পার্টনার কংগ্রেস ২০২৬ অনুষ্ঠিত
টুঙ্গিপাড়ায় ভেজালমুক্ত খাদ্যের দাবিতে র্যালি-মানববন্ধন
নওগাঁয় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশী অস্ত্রসহ সাত সদস্য গ্রেপ্তার
ঝড়ে লণ্ডভণ্ড কুমিল্লার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ট্রান্সফরমার-মিটার ব্যাপক ক্ষতি, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো গ্রাহক
কুমিল্লায় বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার
গোদাগাড়ীতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
গোবিপ্রবিতে ৯ বিভাগে কেমিক্যাল সরবরাহ, মেডিকেল সেন্টারে নতুন সরঞ্জাম সংযোজন
ভূরুঙ্গামারীতে তিনটি ইউনিয়নে বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে
গোবিপ্রবির দুই প্রকল্প এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত