"অধিকরণ কারীদের বাধা উপেক্ষা করে সিরাজদিখানে দক্ষিণ পাউসার ব্রিজ নির্মাণ
মুন্সিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান দক্ষিণ পাউসারে ব্রীজ নির্মাণে জমি অধিকরনকৃতদের প্রকৃত হিস্যা বুঝে না দিয়ে ঠিকাদারদের প্রভাবে ব্রীজ নির্মাণ চলমান রাখার অভিযোগ। ব্রিজ নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে জমির অধিকরণের ন্যায্য হিস্যা বুঝে না পেলেও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আসিফ উল্লাহর দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতে ব্রীজ নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মাধ্যমে প্রকৃত মূল্য বুঝে পাবে বলে জানান। অধ্যবদী বীজ নির্মাণ শেষ হওয়ার কাছাকাছি হলেও প্রকৃত মূল্য বুঝে পাননি বলে অভিযোগ করেন মোঃ দোলোয়ার হোসেন গাজী, পিতা-মৃত মাহাবুব হোসেন গাজী, গ্রাম-শ্রীধরপুর, ডাকঘর-বাড়ৈখালী-১৫৪৪, শহিদুল ও এরশাদ আলী সকলেই শ্রীনগর উপজেলার, মুন্সিগঞ্জ জেলার বাসিন্দা। মোঃ দেলোয়ার গাজী বলেন শ্রীধরপুর মৌজায় নিম্নে উল্লেখিত আমার মালিকানাধীন সম্পত্তি রয়েছে। আমার সম্পত্তি হইতে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরত্বে ইছামতি নদীর উপর দিয়ে একটি চলমান ব্রীজ রয়েছে। উক্ত ব্রীজটি থাকা সত্ত্বেও সিরাজদিখান থানার অর্ন্তগত দক্ষিণ পাউসার গ্রামের লোকজন নতুন আরেকটি ব্রীজ নির্মানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যা নির্মান করতে মোঃ দেলোয়ার হোসেন গাজী, জমি অধিগ্রহণের আইন মোতাবেক সঠিক মূল্য ফেরত পাওয়ার আশায়। গত দুই বছর ব্রীজের কাজ বন্ধ থাকলেও জমি অধিকরণ কারীদের প্রকৃত মূল্য প্রদান না করে বিষয়টি নিষ্পত্তি অমিমাংশিত থাকলেও ঠিকাদারদের সাথে যোগসূত্রের মাধ্যমে সিরাজদিখান উপজেলা প্রকৌশলীর হস্তক্ষেপে পুনরায় নির্মাণের কাজ চলমান বিষয়ে আপত্তি তোলেন ভুক্তভোগীরা। এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর কথা ভিন্ন, তিনি বলেন সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে সঠিক মূল্য ফেরত পাবেন। উল্লেখ্য গত ২ বছর কাজ বন্ধ থাকলেও পুনরায় ব্রীজটির নির্মাণ কাজ চললে মূল্য ফেরত পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন অধিকরণকৃতরা। তিনারা বলেন ব্রীজটি নির্মান হলে আমাদের মালিকানাধীন সম্পত্তির ক্ষতির সম্মুখিন হবো। সম্পত্তির বিবরণঃজেলা: মুন্সীগঞ্জ, থানা ও শ্রীনগর অধীন যাহ্য সাবেক ৮৪ নং আর,এস ১১নং মৌজা শ্রীধরপুর স্থিত আর,এস ৯৪৭নং খতিয়ান ভুক্ত নিম্ন দাগ।আর,এস ৮৬নং দাগের পরিমাণ ৭৮ শতাংশ।বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উপজেলা প্রকৌশলী ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ব্রীজটির ঠিকাদারি কাজ পান আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন, ধূসর, ফ্যাস্টিট সরকারের আমলের প্রভাব এখনো খাটাচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।তার ঠিকাদারি কাজে অন্যতম সহযোগী হিসেবে বর্তমান সায়েদ ইসলাম রানার নিয়ন্ত্রণে আছে। বিভিন্নভাবে কাজটি সম্পূর্ণ করে ঠিকাদারীর টাকা উদ্ধারি তাদের মূল লক্ষ্য বলে অনেকে জানান। বারবার নিষেধাজ্ঞা থাকলো সেটা উপেক্ষা করেও এ কাজ চলমান রেখেছে বলে জানা যায়।
এই বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আসিফ উল্লাহ কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইট বালু নিয়ন্ত্রণ রাখতে কোনরকম ঢেকে রাখা হচ্ছে। তবে বিষয়টি মীমাংসা না হলে ঠিকাদারি কাজের টাকা পাবে না বলে জানান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা ঘোষ বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি তবে উপজেলা প্রকৌশলীকে অবহিত করবো বলে জানান।
এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম কে অভিহিত করলে বিষয়টি তিনি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন বলে জানান।
Aminur / Aminur
নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ী আনিছুর হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ, বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল
কাশিমপুরে ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান, তিন প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমান
নাগরপুরে প্রান্তিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মাঝে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ
রৌমারী হাট-বাজারে আইনশৃঙ্খলা সভায় অতিরিক্ত টোল আদায়ের অনুমতি দিলেন ইউএনও
সুনামগঞ্জ সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৮ঘন্টায় মাদক, ডাকাতিসহ অনলাইন ক্যাসিনো কান্ডে জড়িত ১২জন আটক
নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি লিয়াকত, সম্পাদক জাহাঙ্গীর
ঠাকুরগাঁওয়ে তাঁতশিল্প পুনরুজ্জীবনে আশার বার্তা দিলেন ডাঃ শামারুহ মির্জা
ঠাকুরগাঁওয়ে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত
গাসিকে মাসব্যাপী কর মেলা উদ্বোধন ও প্রশাসকের বাজার পরিদর্শন
প্রায় দুইশ’ বাইকারের অংশগ্রহণে নড়াইলে সুজুকি রাইডার্স ডে
রাঙ্গুনিয়ায় ১৭ মামলার পরোয়ানার আসামি গ্রেফতার
পটুয়াখালীতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত