কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াত প্রার্থীর পরাজয়: নেপথ্যে কী ছিল?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৬২৮ ভোটে পরাজিত হয়েছেন জামায়াতের হেভিওয়েট প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ। বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি প্রাপ্ত ফল অনুযায়ী, ১২৪টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৬৩৯ ভোট। আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৮৭ হাজার ৮৫১ জন। এর মধ্যে কুতুবদিয়ায় ১ লাখ ৪ হাজার ৯১৯ জন ভোটার রয়েছেন। তার মধ্যে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছে ৩৫২৪৮ এবং ধানের শীষ পেয়েছে ২৯৪০১ ভোট।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, জামায়াত প্রার্থীর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস বড় একটি কারণ হতে পারে। শুরু থেকেই নিজের সাংগঠনিক শক্তি ও ব্যক্তিগত ইমেজের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন তিনি। অনেকেই মনে করছেন, শেষ সময়ে ভোট টানার কৌশলে ঘাটতি ছিল। কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যবধান কম থাকলেও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ায় সামগ্রিক ফল নেতিবাচক হয়েছে।
এই আসনে বিএনপির সাবেক সাংসদ এটিএম নুরুল বশর চৌধুরীসহ স্থানীয় প্রভাবশালী নেতারা একসঙ্গে মাঠে কাজ করেছেন। দলীয় কোন্দল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রেখে তৃণমূল পর্যায়ে সমন্বিত প্রচারণা চালানো হয়েছে। ভোটারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ, কেন্দ্রভিত্তিক ব্যবস্থাপনা এবং নির্বাচনী দিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করাও ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
ভোটারদের একটি অংশের অভিযোগ, প্রচারণায় জামায়াতের পক্ষ থেকে তুলনামূলক কম ব্যয় ও সীমিত উপস্থিতি ছিল। বিপরীতে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষ থেকে ছিল বেশি সরব ও উন্মুক্ত প্রচারণা।এই মনস্তাত্ত্বিক প্রভাবও ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কুতুবদিয়ার বেশ কিছু কেন্দ্রে জামায়াত শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কিছু ভোটে এগিয়ে থাকলেও মহেশখালীর বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ব্যবধান বেড়ে যায়। ফলে সামগ্রিক ব্যবধানে তা বড় প্রভাব ফেলে। নির্বাচনী অংকে দেখা যায়, কাছাকাছি লড়াইয়ের পাশাপাশি কয়েকটি কেন্দ্রে বড় ব্যবধানই ফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।কুতুবদিয়ায় ছয় ইউনিয়নের চারটিতে জামায়াত এগিয়ে থাকলেও বড়ঘোপ ও আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নে বিএনপির ধানের শীষ ব্যবধান গড়ে দেয়। ফলে কুতুবদিয়া থেকে আলমগীর ফরিদ ২৯ হাজার ৪০১ ভোট পান।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফলাফল শুধুই ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার হিসাব নয়; বরং সংগঠনগত সমন্বয়, প্রার্থী ব্যবস্থাপনা, মাঠপর্যায়ের কৌশল এবং ভোটার মনস্তত্ত্বের সমন্বিত প্রতিফলন। কক্সবাজার-২ আসনের এই ফল আগামী দিনে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরমান / আরমান
সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ
হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী