ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ঝিনাইদহের ইতিহাসে এক অনন্য প্রাপ্তি: আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যাড. আসাদুজ্জামান


নিজস্ব প্রতিবেদক photo নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭-২-২০২৬ দুপুর ৩:২১

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্টতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করেছে। বিএনপি সরকারের আইনমন্ত্রী হিসেবে বিকেলে শফত গ্রহণের জন্য নিমন্ত্রণ পেয়েছেন ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃতী সন্তান অ্যাড. মোঃ আসাদুজ্জামান। ইতোমধ্যে, তাঁর হাতে শফত গ্রহণের নিমন্ত্রণ পত্র পৌঁছেছে। 
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোঃ আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৭তম এটর্নি জেনারেল হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে, স্বীয় পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে অংশগ্রহণ করেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।
তিনি ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার অন্তর্গত বারইপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ মোঃ ইসরাইল হোসেন এবং মাতার নাম বেগম রোকেয়া। 
মোঃ আসাদুজ্জামানের শিক্ষা জীবন শুরু হয় নিজ জেলা ঝিনাইদহে। তিনি ১৯৮৭ সালে যশোর বোর্ড থেকে এস.এস.সি. এবং ১৯৮৯ সালে এইচ.এস.সি. সম্পন্ন করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন এবং কৃতিত্বের সাথে এল.এল.বি. (সম্মান) ও এল.এল.এম. ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতি সচেতন ছিলেন। তিনি মূলত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ একজন আইনজীবী। 
১৯৯৫ সালে তিনি আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক তালিকাভুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের অনুমতি লাভ করেন। 
তিনি ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ গ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে তিনি আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। আইনজীবী হিসেবে তিনি কর্মজীবনের শুরুতে সুপ্রিমকোর্টের তৎকালীন আইনজীবী ও পরবর্তীতে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সঙ্গে কাজ করেছেন। 
১৯৯৮ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথিতযশা আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের জুনিয়র হিসেবে যোগদান করেন এবং দীর্ঘদিনের সাহচর্যে ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক প্রতিষ্ঠিত ল-চেম্বারের একজন পার্টনার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ও দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। 
মোঃ আসাদুজ্জামানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের মধ্যে বিভিন্ন উচ্চ আদালতে গুরুত্বপূর্ণ মামলায় অংশগ্রহণ ও বিভিন্ন জটিল আইনি সমস্যার সমাধান উল্লেখযোগ্য।
অ্যাড. মো. আসাদুজ্জামান বিএনপি সরকারের আইনমন্ত্রী হলে বাংলাদেশের আইনি পরিসরে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দেশের সচেতন মহল।
এদিকে, সাবেক এটর্নি জেনারেল ও জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা অ্যাড. মোঃ আসাদুজ্জামান এঁর আইনমন্ত্রী হিসেবে শফত গ্রহণের খবরে তাঁর নির্বাচনি এলাকা জন্মস্থান শৈলকূপা সহ সমগ্র ঝিনাইদহ জুড়ে আনন্দের জোয়ার বইছে। শিক্ষিতজনের দাবি, ঝিনাইদহের ইতিহাসে এ-এক অনন্য প্রাপ্তি। এই প্রথম ঝিনাইদহ জেলা কোন পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেল। বিএনপি সরকার একজন যোগ্য মানুষকে আইনমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। 

Aminur / Aminur

২ মন্ত্রী পেল কুমিল্লা দক্ষিণে

নেত্রকোণার পৌর প্রশাসক আরিফুল ইসলাম সরদার একজন নিরহংকার ও মানবিক মনের মানুষ

চোখের চিকিৎসা পেলেন প্রতিবন্ধীসহ ১৭০ জন রোগী

ঝিনাইদহের ইতিহাসে এক অনন্য প্রাপ্তি: আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অ্যাড. আসাদুজ্জামান

মুকসুদপুরে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় লিচু বাগান থেকে এক দিনমজুরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

তানোরে স্কুলের গেট বন্ধ করে তারকাঁটার বেড়া,ভোগান্তিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

কাপ্তাইয়ে ভোক্তার অভিযান, ৩ ব্যবসায়ীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা

শামীমকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় জামালপুরবাসি

রায়গঞ্জে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতিমূলক সভা

মামলা উপেক্ষা করে তরিঘড়ি নিয়োগপত্র ইস্যু সিডিএ’র

ফেনীতে এম্বিয়েন্স রেস্টুরেন্ট এন্ড কনভেনশন হলের শুভ উদ্বোধন

আসামিকে ধরতে গিয়ে ‘হৃদরোগে’ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু