লেবুর আকাশচুম্বী দাম, রমজান শুরুতেই বিপাকে শ্রীমঙ্গলের ক্রেতারা
পবিত্র মাহে রমজান শুরু হতে না হতেই অস্থির হয়ে উঠেছে লেবুর বাজার। দেশজুড়ে লেবু ও আনারসের জন্য পরিচিত ‘লেবুর রাজ্য’ শ্রীমঙ্গলে রমজান শুরুতেই লেবুর দামে দেখা দিয়েছে অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি। ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ লেবু এখন সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। খুচরা বাজারে বড় সাইজের লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। বৃহস্পতিবার সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন লেবু বাগান, পৌর বাজার, নতুন বাজার ও পাইকারি আড়ৎ ঘুরে দেখা যায়—রমজানকে কেন্দ্র করে লেবুর দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। এক মাস আগেও যেখানে প্রতি হালি লেবু ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হতো, বর্তমানে সাইজভেদে দাম দাঁড়িয়েছে ৮০ থেকে ১৭০ টাকায়। বড় সাইজের লেবু ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, মাঝারি সাইজ ১২০ থেকে ১৬৫ টাকা এবং ছোট সাইজের লেবু ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আসা ক্রেতা ইকবাল হোসেন বলেন, ‘সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে একটু লেবুর শরবত খাব—তারও উপায় নেই। এক হালি লেবু কিনতেই ২০০ টাকা লাগছে। বাজারে কোনো তদারকি নেই, ব্যবসায়ীরা যে যার মতো দাম হাঁকাচ্ছে।’ আরেক ক্রেতা ফাহিম আহমেদ জানান, ‘শুধু লেবু নয়, রোজা শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শসা, বেগুন ও কাঁচামরিচের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। প্রশাসনের সঠিক নজরদারি না থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য রোজা পালন ও সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়বে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, রমজানকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে লেবুর দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। তবে খুচরা বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁদের দাবি, পাইকারি আড়তেই লেবুর সরবরাহ সংকট রয়েছে। বর্তমানে প্রতি পিস লেবু কিনতে হচ্ছে ১৮ থেকে ৪৫ টাকা দরে। এর সঙ্গে পরিবহন, শ্রমিক ও বাজার খরচ যোগ হওয়ায় খুচরা পর্যায়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। শ্রীমঙ্গল বাজারের খুচরা বিক্রেতা শান্ত দাশ বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় সরবরাহ এক-চতুর্থাংশ। আড়তে পর্যাপ্ত লেবু পাওয়া যায় না। বেশি দামে কিনে এনে অল্প লাভে বিক্রি করছি।’
আরেক বিক্রেতা জসিম মিয়া জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৬০০ পিস লেবু বিক্রি হতো, বর্তমানে তা নেমে এসেছে ১০০ থেকে ১৫০ পিসে।
স্থানীয় বাগান মালিকদের মতে, এ বছর বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় লেবুর ফলন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাধানগর এলাকার বাগান মালিক স্বপন গোয়ালা বলেন, ‘পানির অভাবে ফুল ঝরে গেছে। স্বাভাবিক ফলনের চার ভাগের এক ভাগও হয়নি।’ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলাউদ্দিন জানান, দীর্ঘমেয়াদি খরার কারণে বর্তমানে লেবু চাষের উপযোগী পরিবেশ নেই। উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে লেবু চাষ হয়ে থাকে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এ বছর ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তবে কিছু চাষি নিজস্ব সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমিত আকারে চাষ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এমএসএম / এমএসএম
লাকসাম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
চাঁদপুরে আগুনে পুড়েছে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
হাতিয়ায় ৩ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি তেল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড
ভারতীয় শিশু উদ্ধার,পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত পাঠালো পুলিশ
বিদেশে পাঠানোর প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
মাগুরায় কওমী মাদরাসার মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
ফুটপাত দখলমুক্ত করতে শ্রীমঙ্গলে পৌরসভার অভিযান
কসবা-আখাউড়ায় বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন: শুরু হচ্ছে দুটি মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ
বাগেরহাট হামপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশু আইসোলেশনে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের
কাউনিয়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা: ইউপি সদস্যসহ প্রাণ গেল ২ জনের, আহত ৪
পাঁচবিবিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ
রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু