উল্লাপাড়ায় সূর্যমুখী ফুল চাষে ঝুঁকছে কৃষক
সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়ায় প্রথমবারের মতো সূর্যমুখী ফুলের চাষ করছেন কৃষকরা। উপজেলায় প্রায় ৪ হেক্টর জমিতে কৃষকরা এবছর করেছেন সূর্যমূখী ফুলের চাষ। তার ভিতর একজন মোহাম্মদ আলী তিনি কৃষি বিভাগের পরামর্শে ২০ শতক জমিতে করেছে সুর্যমূখী ফুলের চাষ। আরেক জন আব্দুল মজিদ তিনিও কৃষি বিভাগের পরামর্শে ১বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ শুরু করেছেন। অল্প সময়েই অল্প পুঁজিতে সূর্যমুখী ফুল চাষ করে স্বাভলম্বী হওয়ার বিশাল সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন কৃষি বিভাগ ।
উল্লাপাড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট কয়েক জন কৃষক কৃষি প্রনদনার সুবিধাভোগি হিসেবে অংশ নিয়েছেন। সূর্যমুখী চাষের ৯০ থেকে ১০৫ দিনের মধ্যেই কৃষকরা বীজ ঘরে তুলতে পারবে। যদি প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন প্রকার ক্ষতি না হয় তাহলে প্রতি বিঘা জমিতে ছয় থেকে সাড়ে ছয় মণ সূর্যমুখী ফুলের বীজ পাওয়া যাবে।
এক মণ বীজ থেকে ১৮ -২০ কেজি তেল পাওয়া যাবে। প্রতি কেজি তেল বাজারে ৩০০- ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি করা যাবে। সূর্যমুখীর তেল ছাড়াও খৈল দিয়ে মাছের খাবার এবং গাছ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এর কোনো অংশই নষ্ট হবে না। এছাড়া সূর্যমুখী চাষের পরও কৃষক যথা সময়ে আউশ ধানের চাষ করতে পারবেন। এসব তেল প্রক্রিয়াজাত এবং বাজারজাত করার ক্ষেত্রেও কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলে জানান কৃষি অফিসার। উপজেলার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের সূর্যমুখী ফুলের চাষি মোহাম্মদ আলী জানান, আগে তিনি তার জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করতেন।
এ বছর উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে প্রথমবারের মতো তিনি তার ২০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন।তিনি বলেন, কৃষি অফিস থেকে তাদের বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রতিটি গাছেই ফুল ধরেছে। আশা করি সূর্যমুখী চাষে সফলতা আসবে। লাভবান হতে পারব ইনশাআল্লাহ। হাটিকুমরুল ইউনিয়নে সূর্যমুখী প্রদর্শনী জমিতে গিয়ে দেখা যায়, ফুটে থাকা হলুদ সূর্যমুখী ফুলের সমাহারে এক নয়নাভিরাম দৃশ্যের অবতারণা হয়েছে। চারদিকে হলুদ রঙের ফুলের মনমাতানো ঘ্রাণ আর মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে কৃষকের জমি। এ যেন ফসলী জমি নয়, এ এক দৃষ্টি নন্দন বাগান। এমন মনোমুগ্ধকর দৃশ্য অবলোকনে শুধু প্রকৃতি প্রেমীই নয় বরং যে কারো হৃদয় কাড়বে।
সূর্যমুখীর তেল জাতীয় অন্য ফসলের চেয়ে সূর্যমুখীর চাষ অনেক সহজলভ্য ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় কৃষকেরা এতে উৎসাহিত হয়ে উঠবেন বলে কৃষি অধিদপ্তর মনে করছে। গত পৌষ মাসের প্রথম দিকে সংশ্লিষ্ট কৃষি অফিস থেকে বীজ সংগ্রহ করে চাষ শুরু করেছেন তারা। একটি পরিণত সূর্যমুখী ফুলের গাছ ৯০ থেকে ১১০ সেন্টিমিটার লম্বা হয়ে থাকে। পরিণত হয়ে ইতোমধ্যেই সূর্যমুখী গাছে ফুল ধরতে শুরু করেছে।
উল্লাপাড়া উপজেলা কৃষি অফিসার সুবর্ণা ইয়াসমিন সুমি জানান, চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো সূর্যমুখীর চাষ করা হয়েছে। মোট ৪ হেক্টর জমিতে কৃষকরা,আরডিএন২৭৫ এবং বারি সূর্যমূখী-২ জাতের সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ, সার এবং আন্ত-পরিচর্যার জন্য উপকরণ ও অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে আশা করছি অধিক লাভবান হবেন কৃষক ।
Aminur / Aminur
যুবসমাজকে বইমুখী করতে গ্রামে গন পাঠাগার উদ্বোধন
জারকিন ও ব্যারেলে জ্বালানি মজুদ রাখা অবস্থায় উদ্ধার ও জরিমানা
বেনাপোল এসএ পরিবহন কুরিয়ার ভ্যান থেকে অবৈধ পণ্য জব্দ
পাথরঘাটায় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন নিয়ে বিতর্ক ও শিক্ষকদের ক্ষোভ
কাউনিয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: তেল সরবরাহ ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জোর
তেতুলিয়ার ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল চিকিৎসার সাহায্যের নামে টাকা আত্মসাৎ, তদন্ত প্রমাণিত
বাতাসে পচা তরমুজের গন্ধ, ফেরি সংকটে ভোলার ইলিশা ঘাটে তরমুজবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি
নড়াইল জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান আলেক
নোয়াখালীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন
সাতকানিয়া -মাটি কাটায় জামায়াত নেতা মোমেনকে ৫লাখ টাকার অর্থদণ্ড
টুঙ্গিপাড়ায় অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রি ও মজুদ: মোবাইল কোর্টে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা
নাগরপুরে ৪ অবৈধ ইটভাটায় ১২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা