জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় চেয়ারম্যান–মেম্বারদের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ জেলেরা
জাটকা সংরক্ষণে সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির আওতায় জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও কয়েকজন মেম্বারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ২০২৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মো. নূরে আলম স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে পৌঁছেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, জুনিয়াদহ ইউনিয়নে নিবন্ধিত ১০০ জন জেলের জন্য সরকার ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় জনপ্রতি ২৫ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়। বরাদ্দকৃত চাল বিতরণের নির্ধারিত তারিখ ছিল ১৪ অক্টোবর ২০২৫। কিন্তু মাঠপর্যায়ের তদন্তে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত বেশ কয়েকজন জেলে তাদের প্রাপ্য চাল পাননি। বিতরণ শীটে সংশ্লিষ্ট জেলেদের স্বাক্ষর বা টিপসইও পাওয়া যায়নি।
অভিযোগ রয়েছে, বরাদ্দকৃত চালের একটি অংশ চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সকাল প্রায় ১০টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদের গুদামঘর থেকে চাল বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।
যেসব জেলে চাল পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন—
আব্দুর রশিদ (পিতা: আব্দুস সামাদ, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০২৯),
আব্দুস সামাদ (পিতা: কলিমদ্দিন মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৩১),
রাকিব (পিতা: আব্দুস সামাদ, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৩২),
মোঃ রাজা (পিতা: মৃত আব্দুল মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৩৪),
কালু মন্ডল (পিতা: নকিম উদ্দিন মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৩৭),
আব্দুল মালিথা (পিতা: রহিম মালিথা, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৩৯),
হাইদার (পিতা: ইউনুস মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৬৫),
মিনারুল (পিতা: ফয়েজ মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০০৮৮),
জাহাঙ্গীর আলম (পিতা: হেলাল সদ্দার, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০১১২),
নুর ইসলাম (পিতা: আজের পরামানিক, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০১১৫),
মোঃ সাইদুর রহমান (পিতা: অজিত মন্ডল, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০১৩২),
কুদ্দুস মোল্লা (পিতা: রহমত মোল্লা, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০১৩৯),
সাজদার সরদার (পিতা: রুকচাঁদ সদ্দার, জেলে কার্ড নং ৪০৫০১৫০০৬৭০০০১৪১)
এবং মিলন হোসেন (পিতা: নিজাম মন্ডল, জেলে কার্ড নং ২৭০৯৬৩৬)।
প্রত্যেক জেলের জন্য বরাদ্দ ছিল ২৫ কেজি চাল।
এ বিষয়ে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, “বিষয়টি আমি আগে জানতাম না। আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ঘটনাটি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
অন্যদিকে জুনিয়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আলী বলেন, “১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে মেম্বাররা গুদাম থেকে চাল বের করেছে বলে শুনেছি। তবে তখন আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না।”
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জেলেরা সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এমএসএম / এমএসএম
সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ
হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প
আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই
কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু
যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড
কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত
পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী
গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
Link Copied