ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬

জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে এগিয়ে কে এম মাহমুদ হাসান


জবি সংবাদদাতা photo জবি সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১৫-৩-২০২৬ দুপুর ২:২৩

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব গঠনের আলোচনায় শীর্ষে উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান ৪ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক কে এম মাহমুদ হাসান (মাহমুদ)-এর নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, ছাত্ররাজনীতির শুরু থেকেই আপোষহীন ভূমিকা রাখার কারণে মাহমুদ ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ১০টির বেশি মামলা রয়েছে এবং একাধিকবার গ্রেফতারও হন।

এই সম্পর্কে মাহমুদ জানান, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর থেকেই আমি ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছি। বিশেষ করে ২০১৪–১৫ সালের আন্দোলন, ২০১৮ সালের নির্বাচন এবং ২০২৩–২৪ সালের বিভিন্ন আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছি। সাম্প্রতিক জুলাই–আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও আন্দোলনের শুরু থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি। জিরো পয়েন্ট ব্লকেড, শাহবাগ অভিমুখে ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল, তাঁতিবাজার ও লক্ষ্মীবাজার এবং শহীদমিনার এলাকায় বিক্ষোভে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “২০১৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের কর্মসূচি সফল করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নয়ন বাছার নামে এক কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। সেদিন আমি ভাগ্যক্রমে বেঁচে ফিরি। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই পার্টি অফিসের পেছনে পুলিশের সঙ্গে আমাদের ব্যাপক সংঘর্ষ ঘটে। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা জীবিত ফিরতে পারি, তবে যুবদলের এক ভাই ঘটনাস্থলেই শহীদ হন এবং ঢাকা কলেজের সদস্য সচিবসহ আরও অনেকে গুরুতর আহত হন।”

মাহমুদ উল্লেখ করেন, বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ারের আদালতে হাজিরার দিনগুলোতেও তিনি রাজপথে সক্রিয় ছিলেন এবং সেই সময়ও গ্রেফতারের মুখোমুখি হয়েছেন। বিপ্লব-পরবর্তী সময়েও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে শিক্ষার্থীবান্ধব ও মানবিক রাজনীতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মাহমুদ বলেন, “আমার কাছে ক্যাম্পাস শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়; এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলার সংগ্রাম ও সম্ভাবনার এক গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। আমি এমন একটি ক্যাম্পাস চাই, যেখানে শিক্ষার্থীদের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত থাকবে। একজন ছাত্রনেতার প্রধান দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা।”

তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল আন্দোলন, টিএসসি উদ্ধার এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সর্বশেষ আবাসন ও বৃত্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত যমুনা লং মার্চেও তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের আবাসন, বৃত্তি, শিক্ষা ও ন্যায্য সুযোগসহ বিভিন্ন অধিকার আদায়ে সবসময় পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেছেন।

ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষার্থীবান্ধব ছাত্রনেতা ও ক্লিন ইমেজের সংগঠক হিসেবে মাহমুদ সুপরিচিত। শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা ও ন্যায্য দাবির জন্য আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনি শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীদের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। শিক্ষার্থী ও নেতাকর্মীরা মনে করেন, মাহমুদের মতো নেতৃত্ব সংগঠনের হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করবে এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও দৃষ্টান্তমূলক করবে।

এমএসএম / এমএসএম

টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে ৭ জুন খুলছে স্কুল-কলেজ

ন্যাচার ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পায়নি পাবিপ্রবি

ঈদের ছুটিতে ঘরমুখো পবিপ্রবি: শিক্ষার্থীদের আনন্দ-অনুভূতির গল্প

ঢাকার বিভিন্ন পশুর হাটে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন গবির ১৮ ভেটেরিনারি শিক্ষার্থী

ঈদ ও গ্রীষ্মকালীন উপলক্ষে ১৬ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পাবিপ্রবি

পোষা প্রাণী পালনে কেন আগ্রহী হচ্ছে নতুন প্রজন্ম?

সহকারী অধ্যাপক আমির হোসেন ডিআইইউ'র বর্ষসেরা শিক্ষক নির্বাচিত

পবিপ্রবির উপ-উপাচার্য হেমায়েত জাহানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষনা করে মানববন্ধন

গবির ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের পপুলার এগ্রো অ্যান্ড ডেইরি ফার্ম পরিদর্শন

টানা ১৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে পবিপ্রবি

শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গুরুত্বপূর্ণ -ইবি ভিসি

গবির অন্তঃক্লাব বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষ, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ৯ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়