পেকুয়ায় জমি জবরদখল চেষ্টার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
কক্সবাজারের পেকুয়া থানার অদূরে রাতের আধারে জায়গা জবর দখলে নিতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও গাছপালা নিধনের অভিযোগে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা.বেলাল হায়দারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী পরিবার।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুর ২টায় পেকুয়া থানা রোডের ফিরোজ আহমদ চৌধুরী জামে মসজিদের পাশে ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন সিকদার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, বিএস ১১২০ নং খতিয়ান থেকে ০৮/১১/ ১৯৯৮ ইং ৩২৪৮ নং দলিল,
১১/১২/২০০১ ইং ৪৯২৮ নং দলিল সহ
দুদলিলে ৩০ শতক জমি ক্রয় করে। জমাভাগ খতিয়ান ২৫/৯৬১৩ সৃজন করে অদ্যবদি ভোগদখলে আছেন। বেলাল হায়দারের সাথে ১ কোটি টাকা মূল্যে ২০২১ সালে ১২ শতক জমির বিক্রয় বায়না নামা হয়। রেজিস্ট্রার বায়নায় কৌশলে ১২ শতক জমির মূল্য ১০ লাখ টাকা উল্লেখ করে যা পরবর্তী যানাযানি হয়ে গেলে বনিবনা না হওয়ায় আর রেজিষ্ট্রি দেয়া হয়নি।
কেননা সে সময়ে ২ শতক জমির ক্রয় বিক্রয় মূল্য ২০ -২৫ লাখ টাকা ছিল। মৌখিক কথা আর বায়নার লিখিত মূল্যে বিরাট ব্যবধান হওয়ায় স্থানীয় ভাবে অনেক সালিশ বৈঠক হয়। ডা বেলাল কারো কথা শুনেনি। ২০২৫ সালে মেয়াদোত্তীর্ণ বায়না মুলে চকোরিয়া জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন যা চলমান। আদালতের ফায়সালার পূর্বে আধিপত্য বিস্তার করে জায়গা জবর দখলের হুমকি দেয়া শুরু করে। অব্যাহত হুমকি ধমকিতে নাসির উদ্দিনের ছেলে আবদুর রহিম সজিব বাদী হয়ে গত ২৫/০৩/২৬ পেকুয়া থানায় ডা বেলাল হায়দারের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন, যার নং ১০৬৪।
নাসির উদ্দিনের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন তার অসুস্থ স্বামীর সাথে প্রতারণা করে ডা বেলাল হায়দার ১ কোটি টাকা মুল্যের জায়গা মাত্র ১০ লাখ টাকায় রেজিস্ট্রার বায়না করে ফেলে। এর পর থেকে হয়রানি করে আসছে।
সজিব বলেন তার অসুস্থ বাবাকে কোন কিছু বুঝতে না দিয়ে কৌশল অবলম্বন করে এমন জঘন্য কাজ করে জায়গা ভাগিয়ে নিতে ডা বেলাল হায়দার মরিয়া হয়ে ওঠেছে। অব্যাহত হুমকি প্রদানের পর ৮ এপ্রিল দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটের সময় সশত্র বাহিনী নিয়ে হামলা করে ঘেরা ভাংচুর ও গাছপালা নিধন করেছে বর্তমানে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও প্রভাবশালী হওয়ায় ডিউটি অফিসার অভিযোগ নেয়নি বলেও তিনি অভিযোগ তুলেন।
এবিষয়ে ডা. বেলাল হায়দারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঐ জায়গায় কারা হামলা করেছে আমি জানি না। তবে জায়গায়টির বিষয়ে আমার পক্ষে যথেষ্ট রায় রয়েছে আপনারা চাইলে কাগজপত্র দেখতে পারেন। তিনি আরো বলেন, পেকুয়া মৌজার বিএস ১১২০ খতিয়ান থেকে ২০১৯ সালে আলী হাসান চৌধুরী থেকে রেজিস্ট্রার সাফ কবলা মুলে ক্রয় করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় বিচারে জায়গাটি তার পক্ষে রায় প্রদান করলেও ১২ শতক জমি ২০২১ সালে নাসির উদ্দিন কাজলের সাথে রেজিস্ট্রার বায়নানামা করি। জমির বাজার মূল্য বৃদ্ধি হওয়ায় কিছু কুচক্রী মহলের ইন্দনে রেজিস্ট্রি দিচ্ছে না।এব্যাপারে পেকুয়া থানার ওসি(তদন্ত) ইমরুল হাসান জানান, কেউ এরকম অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছেন তা তিনি জানেননা। তার সাথে যোগাযোগ করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এমএসএম / এমএসএম
মুকসুদপুরে বাস-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১
নেত্রকোণায় জুয়ার আসর থেকে যুবদল নেতা,ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা-বিজিবি সদস্যসহ আটক-৮
সুন্দরবনের আলোচিত বনদস্যু ‘নানা ভাই' বাহিনীর ১২ সদস্য মোংলায় কোষ্টগার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ
সিংড়ায় নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, পদ স্থগিতের দাবিতে গ্রামবাসীর মানববন্ধন
রাজশাহীর পবায় সার কেলেঙ্কারি: কৃষি কর্মকর্তার দায়িত্বহীনতা নাকি স্বজনপ্রীতি ?
রায়গঞ্জে পানি সরতেই ৫ হাজার বিঘায় চাষ, কৃষির সঙ্গে ফিরছে সরকারের রাজস্ব
আদমদীঘিতে ৩৫০ ফিট চায়না দুয়ারি জাল জব্দ
ভূরুঙ্গামারীতে শিয়াল ঠেকাতে বিদ্যুতায়িত ফাঁদ, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গরুর মৃত্যু
বাকেরগঞ্জে কাবাব এর নামে কি খাচ্ছেন আপনি এবং আপনার ফ্যামিলি
মান্দায় সড়ক সংস্কারের মান পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক
৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি ধুনটে স্কাউটদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
হাতিয়া তমরদ্দি ইউনিয়নে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতা, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান