মহাদেবপুরে কোটি টাকার রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী
নওগাঁর মহাদেবপুরে কোটি টাকার রাস্তা নির্মাণ কাজে নিম্ন্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি বার বার জানালেও এব্যাপারে কোনই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। কার্যাদেশ পাওয়া ঠিকাদারের কাছ থেকে কমমূল্যে প্রকল্পটি বেঁচা কেনা হবার বিষয়টি ওপেন সিক্রেট। তবে এবিষয়ে কোনই ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে সরেজমিনে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের সাগরইল গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের ভিতরের রাস্তা এইচবিবি (হেরিং বোন বন্ড) করণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যেই প্রায় ২৫ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বেশ কয়েকজন শ্রমিক ইট বসানোর কাজ করছেন। ইটগুলো নিম্নমানের। শ্রমিকরা জানালেন, ব্যবহৃত ইটের সবগুলো এক নম্বর নয়। বেশিরভাগ ইট ২ ও ৩ নম্বর। তারা জানালেন, সূদুর চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ইটগুলো আনা হয়েছে। ভাটায় কাঠখড়ি দিয়ে পোড়ানোর জন্য ইটগুলো খারাপ হয়েছে। রাস্তার বেডে মাত্র এক ইঞ্চি পরিমাণ বালু দেয়া হচ্ছে।
সেখানে সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন নিজেকে ঠিকাদারের ম্যানেজার পরিচয় দিয়ে জানালেন, বেডে ছয় ইঞ্চি বালু দেয়া হয়েছে। কিন্তু কোদাল দিয়ে খুড়ে মাত্র এক ইঞ্চি পাওয়া যায়। মহাদেবপুরে অত্যাধুনিক ১৭ টি ইটভাটা থাকলেও চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে কেন খারাপ ইট আনা হচ্ছে তার কোন সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। তবে তিনি জানান, ঠিকাদার ইটভাটা মালিককে এক নম্বর ইটের দাম পরিশোধ করেছেন। ট্রাক শ্রমিকরা খারাপ ইট এনেছে। গ্রামবাসী এসব ইট দিয়ে কাজ করা বন্ধ করে দিলে প্রায় ১৫ হাজার ইট ব্যবহার না করে প্রকল্প এলাকাতেই জমা করে রাখা হয়েছে। এগুলো ফেরৎ পাঠানো হবে। প্রকল্পে অল্প সংখ্যক খারাপ ইট ব্যবহার করা হয়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন। প্রকল্প এলাকায় নিয়মানুযায়ী নির্মাণ কাজের বিবরণ সম্বলিত কোন সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়নি। ফলে প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানতে চাইলে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী বলেন, “সাগরইল গ্রামে এক কিলোমিটার একশ’ মিটার ও উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের ভালাইন গ্রামে চারশ’ মিটার সড়ক এইচবিবি করণের জন্য মোট এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সোহেল রানা নামে একজন ঠিকাদার প্রকল্প দুটির কাজ করছেন। মূল ঠিকাদার জেলার পোরশা উপজেলার একজন। সোহেল রানা তার কাছ থেকে কিনে নিয়ে কাজ করছেন।” মূল ঠিকাদারের নাম তিনি জানাতে চাননি।
মোবাইলফোনে সোহেল রানা জানান, তিনি পোরশা উপজেলার নিতপুর এলাকার ফারজানা ট্রেডার্সের কাছ থেকে প্রকল্পটি কিনে নিয়েছেন। খারাপ ইট তিনি ব্যবহার করবেন না। যে অল্প সংখ্যক ব্যহহার হয়েছে সেগুলো পরিবহণ শ্রমিকরা ভূল করে ভাল ইটের সাথে নিয়ে এসেছে।
আইনে অবৈধ হলেও প্রকাশ্যে ঠিকাদার প্রকল্প বিক্রি করে দিলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কোনই ব্যবস্থা নেয়নি। স্থানীয়রা নিয়মানুযায়ী ঠিকাদারের সাথে প্রকল্পের চুক্তি বাতিল করে নতুন করে টেন্ডার দেয়ার দাবি জানান।
মোবাইলফোনে মহাদেবপুর ইউএনও মানজুরা মোশাররফ সাংবাদিকদের বলেন, “কাজটি আপাতত: বন্ধ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”
Aminur / Aminur
নেত্রকোণার সীমান্তে বিজিবি’র চোরাচালান বিরোধী অভিযানে ভারতীয় মদ ও কম্বল জব্দ
গলাচিপায় যমকালো আয়োজনে গনঅধিকার পরিষদের ৫ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে
রৌমারীর ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে কাঁচা ধান ও বসতবাড়ি-দিশেহারা ২০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার
মির্জাগঞ্জে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা
নাচোলে কৃষকের স্বপ্ন ধূলিসাৎ রাতের আঁধারে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার আমের গাছ ও পেঁপে কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় নিজ গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক শফিকুর রহমানের দাফন
মান্দায় উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে আরআরএমইপি প্রকল্পের নারী শ্রমিক নিয়োগ কার্যক্রম শুরু
খালিয়াজুরীতে ধনু নদে অবৈধ মাছের ঘের, ব্যাহত নৌ চলাচল ও জেলেদের জীবিকা
ধনবাড়ীতে দারুল উলূম মাদ্রাসার প্রথম হাফেজ গোলাম রাব্বানীর সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
কমলগঞ্জে পাতাকুঁড়ি সংস্থার বিরুদ্ধে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে বিভ্রান্তিকর হিসাব ও গ্রাহক হেনেস্তার অভিযোগ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন এলিজা জামান