ঢাকা রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মাদারীপুরের মেয়ে বৃষ্টি হত্যাকাণ্ড : গ্রামের বাড়িতে মানুষের ভীড়


আরাফাত হাসান, মাদারীপুর photo আরাফাত হাসান, মাদারীপুর
প্রকাশিত: ২৬-৪-২০২৬ দুপুর ১:৪৭
যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা নিতে গিয়ে মাদারীপুরের মেয়ে নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির হত্যাকাণ্ডের ঘটনার খবর পেয়ে তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরে লোকজন ভীর করছেন। 
 
রবিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মেধাবী ছাত্রী বৃষ্টির মৃত্যুর খবরটি তারা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তারা অপরাধীদের শাস্তির দাবী জানিয়েছেন।
 
নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দুপুরের এটিএম বাজার এলাকার জহির উদ্দিন আকনের মেয়ে। মা আলভী বেগম। বৃষ্টি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি পড়ছিলেন। তিনি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী।
 
আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দুপুরের এটিএম বাজার এলাকার জহির উদ্দিন আকন বহু বছর ধরে ঢাকার মিরপুরে থাকেন। গ্রামের বাড়িতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও ঈদ-উল-আযহার সময় সবাই গ্রামের বাড়িতে আসতেন। মিড লাইফ ইন্সুরেন্সে ম্যানেজার পোষ্টে চাকুরী করেন বৃষ্টির বাবা। বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান ইঞ্জিনিয়ার। বৃষ্টিও ছিলেন প্রচন্ড মেধাবী। তাই উচ্চ শিক্ষা নেয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। 
 
গতকাল শনিবার সকালে তার পরিবার বৃষ্টির নিহতের খবর জানতে পারেন। এরপর তার গ্রামের বাড়িতে সেই খবর পৌছালে আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশি ভীড় করেন। তাদের মধ্যে শোক নেমে আসে। তারা কেউ মেধাবী এই বৃষ্টির মারা যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না। তাদের দাবী দ্রুত বৃষ্টির লাশ খুজে বের করে দেশে আনা হোক। পাশাপাশি অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক।
 
বৃষ্টির চাচাতো বোন তুলি আকন বলেন, বৃষ্টি আপু অনেক মেধারী ছিলেন। অনেক ভালো ছিলেন। গতকাল সকালে জাহিদ ভাইয়া (বৃষ্টি বড় ভাই) তার ফেসবুকে আপু মারা যাওয়া নিয়ে পোস্ট দেন, তা দেখে আমরা প্রথমে জানতে পারি। তবে এর আগে থেকেই আপু নিখোজ ছিলেন। কিভাবে, কেন তাকে হত্যা করা হলো, তা আমরা কিছুই জানিনা। তার এক সহপাঠীকেও হত্যা করা হয়েছে। শুনেছি তার লাশ পাওয়া গেছে। কিন্তু আপুর লাশ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আমরা এই ঘটনার বিচার চাই।
 
নিহত বৃষ্টির চাচা দানিয়াল আকন বলেন, বৃষ্টি অনেক মেধাবী ছিলো। সে বেচে থাকলে হয়তো দেশের জন্য ভালো কিছু করতে পারতো। কিন্তু তার আগেই তাকে হত্যা করা হলো। আমরা এই হত্যার বিচার চাই। 
 
নিহতের বাবা জহির উদ্দিন আকনের বরাত দি‌য়ে তার চাচা আরো বলেন, ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যায় বৃষ্টি। ফ্লোরিডার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতো। সব শেষ গত ১৬ এপ্রিল বৃষ্টির সাথে প‌রিবা‌রের কথা হয়। এরপর থেকেই বৃষ্টি নিখোঁজ। পরবর্তীতে বৃষ্টি ও তার সহপাঠীর মৃত্যুর খবর আসে। 
 
নিহ‌তের চাচা দা‌নিয়াল আকন আরো বলেন, আমাদের মেয়ে আর বেঁচে নেই। এটা আমরা নিশ্চিত হয়েছি। তার মরদেহ উদ্ধার করে দেশে আনার দাবি জানাই। দোষীদের শাস্তি চাই।
 
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, আমি বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি বৃষ্টি নামে মাদারীপুরের এক শিক্ষার্থী আমেরিকা মারা গেছে। এ ক্ষেত্রে মূল কাজ করবে দূতাবাস। আমার কাছে তার পরিবার যদি কোন সহযোগিতা চান, আমি সেটা করবো। দূতাবাস যদি স্থানীয় কোন তথ্য চায় সেটাও দিতে পারবো।

এমএসএম / এমএসএম

কচুয়া-বেতাগী সেতু হলে দুই বন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হবে: রফিকুল ইসলাম জামাল

লংমার্চ ঘিরে ১১ দলের নাশকতার আশঙ্কা- ব্যারিস্টার শুক্লা

শিক্ষার মান উন্নত না হলে আমরা আন্তর্জাতিকভাবে সমৃদ্ধ হতে পারবো না-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী 

লাকসামে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

রৌমারীতে সমাজকলাণ সমিতির জমিতে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন

বাগেরহাটের ফকিরহাটে বসত বাড়ীতে ডাকাতি ককটেল ফাটিয়ে এলাকা ত্যাগ ডাকাত দলের

শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মৃত্যুতে শূন্যপদসহ হাসপাতালে আসেন না ৫ চিকিৎসক, সেবাবঞ্চিত রোগীরা

ত্রিশালে জিপিএ ফাইভ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রদলের সংবর্ধনা

অসহায় পরিবারের একমাত্র সম্বল পুকুরের মাছ বি/ষ ঢেলে ১০ লাখ টাকার ক্ষ/তি/র অভিযোগ

সাভা‌রে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষকসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার

তজুমদ্দিনে বজ্রপাতের আঘাতে কৃষকের মৃত্যু

সাড়ে তিন বছর আগে মৃত হেফাজের নামে দাফন হলো কার?