ঢাকা বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

ইবিতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি


ইবি প্রতিনিধি photo ইবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৯-৪-২০২৬ দুপুর ৩:৯

 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হযরত ফাতেমা (রা.)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবমাননাকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত অলিক কুমার বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুর ২ টায় এ ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেয় শিক্ষার্থীরা।

স্মারকলিপিতে জানায়, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অলিক কুমার সম্প্রতি কৃষ্ণচূড়া ফুলের সঙ্গে একটি ছবি তুলে সেই ছবির ক্যাপশনে ‘ফাতেমাচূড়া’ লিখেছেন। এখানে ফাতেমাচূড়ায় ‘ফাতেমা’ শব্দটি দ্বারা আমাদের নবী কারীম সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মানিতা কন্যা ফাতেমা (রা.)-র দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। যা আমরা আমাদের আহলে বাইতদের মানহানি ও সাধারণ মুসলিমদের ধর্মীয় অনুভূতিতে তীব্র আঘাত হিসেবে দেখি।

তারা আরও জানায়, এ বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে সে বিষয়টিকে ‘স্যাটায়ার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। এটা আমাদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আরো বেশি আঘাত করেছে। কারণ আমাদের আহলে বাইতকে নিয়ে কেউ স্যাটায়ার বা ব্যঙ্গ করবে, এটা আমাদের রক্তের শেষবিন্দু থাকা পর্যন্ত আমরা মেনে নিতে পারবো না। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার উসকানিমূলক মন্তব্যের প্রমাণ তারই বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। তার এ অপরাধকে আমরা ক্ষমার চোখে দেখি না।আমরা এর অতিসত্তর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্যাম্পাস থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানাই।

এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে অলিক কুমার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, গতকাল রাতে আমি শুধু “ফাতেমাচূড়া” সাথে সজিবতার প্রতিক হিসেবে একটা গাছের ছবি যুক্ত করে দিয়েছিলাম। আমার ছবি পিছনে কৃষ্ণচূড়া গাছে লাল ফুল। মাওলানা ভাসানীর উক্তি “শুনো, ধর্ম আর দেশ মিলাইতে যায়ো না। পরে ফুলের নাম কী দিবা, ফাতেমা-চূড়া?”। এখান থেকে আমি শুধু ফাতেমা-চূড়া শব্দ নিয়েছি। আমার অন্য কোন ইনটেশন ছিল না। আমি ধর্ম নিয়ে কোন বিষয় তুলে ধরেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমার এই শব্দ ব্যবহারে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখপ্রকাশ করছি।

এ বিষয়ে আল কুরআন এন্ড ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে আহমেদ জাবের বলেন, মাওলানা ভাসানীর নামে প্রচলিত ‘ফাতেমা চূড়া’ সংক্রান্ত উক্তিটির কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই, যা মূলত একটি ভিত্তিহীন মিথ্যাচার। নিজের করা অপরাধকে জাস্টিফাই করতে গিয়ে ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নেওয়া আরেকটি গুরুতর অপরাধের শামিল। মুসলিমদের কাছে রাসূল (সা.) এবং আহলে বাইতের সম্মান ও মর্যাদা নিজের জীবনের চেয়েও মূল্যবান, তাই তাদের কলিজায় আঘাত দিয়ে কেবল দুঃখ প্রকাশ করা এক ধরণের তামাশা মাত্র। যেমনটি অনিচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষেত্রে কেবল দুঃখ প্রকাশই যথেষ্ট হতে পারে না, ঠিক তেমনি ধর্মীয় অনুভূতি ও পবিত্র ব্যক্তিত্বদের অবমাননার ক্ষেত্রে সাধারণ দুঃখ প্রকাশ কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়, বিশেষ করে যেখানে প্রকৃত কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার পরিবর্তে অপযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন,আমি অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করছি এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের (ফরমাল বডি) মাধ্যমে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। ব্লাসফেমি বা ধর্মীয় অবমাননার মামলা করার এখতিয়ার আমার নেই এবং এটি আদালতের মাধ্যমে আইনগত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করতে হয়।

এমএসএম / এমএসএম

সার্ক শক্তিশালী হলেই, শক্তিশালী হবে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি

ইবিতে হযরত ফাতেমা (রাঃ) কে নিয়ে কটুক্তি

ডিআইইউ-তে ল’ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা

প্রাণিস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারি দিবসে গবির শিক্ষার্থীদের ব্যস্ত দিন

শেকৃবিতে তিন দিনে ভর্তি ৪১৪ শিক্ষার্থী, ফাঁকা ২৯১ আসন

কৃষি গবেষণা ও প্রযুক্তি বিনিময়ে শেকৃবি-হকৃবি’র সমঝোতা চুক্তি

চবিতে চালু হলো অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম

রাবিসাসের নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে কাদির-মাহবুব

ইবির সঙ্গে রেললাইন সংযোগ দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে - আইন মন্ত্রী

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আজ, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

ইবিতে উচ্চগতির ক্যাম্পাস নেটওয়ার্ক স্থাপনের কার্যক্রম উদ্বোধন

এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ

‎জবিতে বৃহস্পতিবার সব ক্লাস অনলাইনে; জ্বালানি ব্যয় কমাতে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত