নমুনা ডিম ছাড়ার খবর পেয়েই ইতিমধ্যে অনেকেই নেমে পড়েছেন হালদায়।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে কার্প জাতীয় মা মাছের নমুনা ডিম ছাড়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে ও বৃহস্পতিবার দু একটি স্থানে নমুনা ডিম পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক ডিম সংগ্রহকারী। তবে নমুনা ডিম ছাড়া খবর পেলেও এখনো পুরোদমে নিশ্চিত নয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা। তিনি বলেন আমরা ইতিমধ্যে হালদার ওইসব স্থানের দিকে যাত্রা করেছি।
জানা গেছে, প্রতিবছরের ন্যায় এবারও হালদার শত শত ডিম সংগ্রহকারীরা উৎসবমুখর পরিবেশে অবস্থান করছেন। এরই মধ্যে কেউ হালদা নদীর পাড়ে আবার কেউ হালদা নদীতে ডিম ধরার জাল বালতি নেট সহ সমস্ত সরঞ্জাম নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। সকাল থেকে ভাটার সময় নির্দিষ্ট কিছু ডিম সংগ্রহকারী নদীতে অবস্থান করলেও ডিম ছাড়ার সঠিক তথ্য এবং জোয়ারের সময় সমস্ত ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে নামবেন বলে জানা গেছে। তবে সকাল থেকে নমুনা ডিম ছাড়ার খবর পেয়েই ইতিমধ্যে অনেকেই নেমে পড়েছেন হালদায়। এদিকে হালদা নদীর হাটহাজারী অংশে মদুনাঘাট হ্যাচারি শাহ মাদারি এবং মাছুয়াঘোনা হ্যাচারি কে পুরোদমে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনটি হ্যাচারিতে যথাক্রমে মাছুয়াঘোনা হ্যাচারিতে ৪৬ টি কুয়া, শাহ মাদারিতে ৪৫টি এবং মদুনাঘাটে ১৮টি কুয়া পাশাপাশি গড়দুয়ারা ও বারিয়াঘোনায় ৩০টি মাটির কুয়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শাহ মাদারিতে ২৫ গ্রুপ, মাছুয়োঘোনাতে ২৬ এবং মদুনাঘাটে ২০টি গ্রুপ এবং মাটির কুয়াসহ পাঁচশোর অধিক ডিম সংগ্রহকারী।
প্রত্যেক হ্যাচারিতে ডিম থেকে রেনু উৎপাদনের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ শওকত আলী।
হালদার ডিম সংগ্রহকারী কামাল উদ্দিন সওদাগর বলেন,আজ সকাল থেকে কিছু নমুনা ডিম পেয়েছেন। পরিবেশ অনুকূলে থাকলে যেকোনো সময় মা মাছ ডিম ছাড়বে। তবে তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘বৃষ্টি আগে হওয়ায় অনেক সংগ্রহকারী এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত হতে পারেননি। আমার তিনটি নৌকার মধ্যে মাত্র একটি নিয়ে নদীতে নামতে পেরেছি। হঠাৎ মাছ ডিম ছেড়ে দিলে তা সংগ্রহ করা কষ্টসাধ্য হবে।’
নদী গবেষক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক অধ্যাপক মো. মনজুরুল কিবরিয়া বলেন, ‘নদীর কিছু কিছু জায়গায় নমুনা ডিম পাওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। নদীতে ডিম ছাড়ার মতো অনুকূল পরিবেশ বিরাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে, সামনের জো-তে মা মাছ পূর্ণাঙ্গ ডিম ছাড়বে।’
সাধারণত চৈত্র থেকে আষাঢ় মাসের (এপ্রিল-জুন) অমাবস্যা বা পূর্ণিমার তিথিতে বজ্রপাতসহ ভারী বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢল নামলে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালবাউশ মাছ ডিম ছাড়ে। রাউজান ও হাটহাজারী উপজেলার প্রায় চার-পাঁচশ সংগ্রহকারী বিশেষ নৌকায় জাল পেতে এই ডিম সংগ্রহ করেন। পরে হ্যাচারি ও মাটির কুয়ায় সেই ডিম থেকে রেণু উৎপাদন করা হয়।
এমএসএম / এমএসএম
রামুতে বন্য হাতির তাণ্ডব: মা ও শিশু কন্যার মর্মান্তিক মৃত্যু
রায়গঞ্জে কৃষি ও পুষ্টি উন্নয়নে ‘পার্টনার’ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত
গোবিপ্রবিতে গবেষণা চৌর্যবৃত্তি রোধে টার্নিটিন চালু, ব্যয় ১৪ লাখ টাকা
ঠাকুরগাঁওয়ে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই যুবক গ্রেফতার
নমুনা ডিম ছাড়ার খবর পেয়েই ইতিমধ্যে অনেকেই নেমে পড়েছেন হালদায়।
রাণীনগরে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ইরি ধান লণ্ডভণ্ড: ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কায় কৃষক
কুড়িগ্রামে বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতির কমিটি গঠনঃ সভাপতি সুজা আহাম্মেদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আলমোতাসিন বিল্লাহ
কালিয়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ
রাস্তার পাশে অনিয়ন্ত্রিত বর্জ্য: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ
নেত্রকোণায় এনজিওদের ভূমিকা এবং গণমাধ্যমের সম্পৃক্ততা শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
নোয়াখালী সরকারি কলেজে ভাঙচুর-শিক্ষক হেনস্তা: শাস্তির মুখে ছাত্রদলের ৫ নেতা
বিশ্ব নৃত্য দিবসে নিক্বণের বর্ণিল আয়োজন