চন্দনাইশে ভোটকেন্দ্র সংস্কারের বরাদ্দকৃত লাখ টাকা ঢুকলো শিক্ষা কর্মকর্তার পকেটে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় নির্বাচনী বরাদ্দ পাওয়া বিদ্যালয় থেকে অফিস খরচ ও সিসি ক্যামেরার খরচ হিসেবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নামে টাকা উত্তোলন করেন পূর্ব চন্দনাইশ চৌধুরী পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিব উল্লাহ। নির্বাচনী বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২৭ টি বিদ্যালয়ে এবং অফিস কতৃক ঠিকাদারের মাধ্যমে নিন্মমানের সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে ৩৮ টি ভোট কেন্দ্রে। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে জানাযায়, বরাদ্দের টাকা থেকে অফিস খরচ বাবদ বিদ্যালয় প্রতি সাত হাজার টাকা ও সিসি ক্যামেরা বাবদ অতিরিক্ত চার থেকে ছয় হাজার টাকা কেন্দ্র প্রতি টাকা উত্তোলন করেন শিক্ষক মোঃ হাবিব উল্লাহ। অফিস খরচের নামে টাকা উত্তোলনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে অধিকাংশ বিদ্যালয় বরাদ্দের টাকায় কোন কাজ না করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার মোঃ কাদের জানান, শিক্ষক হাবিব উল্লাহর মাধ্যমে আমি কয়েকটি বিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করি। আমাকে যেভাবে বলেছেন আমি ওরকম স্থাপন করেছি। ঠিকাদার জালাল উদ্দীন জানান, আমি শিক্ষক হাবিব উল্লাহর মাধ্যমে প্রায় ত্রিশটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করি। নিন্মমানের বিষয়ে জানান, তখন সারা দেশে ক্যামেরা সংকট থাকায় সরকার নির্ধারিত ক্যামেরা ও মনিটর স্থাপন সম্ভব হয়নি। তবে উনাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি। দক্ষিণ গাছবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রিজোয়ানা নাছরিন জানান, কেন্দ্রের বরাদ্দ থেকে শিক্ষক হাবিব উল্লাহর সাত হাজার টাকা নিয়েছেন। দক্ষিণ হারলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিদারুল আলম সিদ্দিকী জানান, বরাদ্দ পাওয়া সব বিদ্যালয় থেকেই অফিস খরচের টাকা নিয়েছেন হাবিব উল্লাহ, ফরমান উল্লাহ সহ একাধিক প্রধান শিক্ষক। আমিও দিয়েছি তবে আমি কত দিয়েছি তা বলা যাবেনা, সিসি ক্যামেরার টাকার বিষয়ে জানান, ঐ শিক্ষকদের ত্রিশ হাজার টাকা দিয়েছিলাম পরে আমাকে চব্বিশ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন। শুধু আমি না সব বিদ্যালয় থেকেই টাকা নিয়েছেন কিন্তু কম ফেরত দিয়েছেন।খুনিয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুৎফুন্নেসা জানান, বরাদ্দের টাকা থেকে অফিস খরচ বাবদ টাকা দিয়েছি, সিসি ক্যামেরা বাবদ উনত্রিশ হাজার পাঁচশত টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু ছাব্বিশ হাজার টাকা ফেরত পেয়েছি। টাকা কাকে দিয়েছেন তা জানাতে রাজি হননি তিনি।প্রধান শিক্ষক মোঃ হাবিব উল্লাহ জানান, আমি কোন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করায়নি, স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন, আমি টাকাও নিয়নি, আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ কবির হোসেন জানান, অফিস খরচ, সিসি ক্যামেরা কোন বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা, আপনার কোন তথ্য প্রয়োজন হলে অফিসে আসুন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ জানান, অফিস খরচ ও সিসি ক্যামেরার ব্যাপারে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ আমি পাইনি, আপনার কাছে শুনলাম। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখব।
এমএসএম / এমএসএম
বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের নেই নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা
লোহাগড়ায় সার ডিলার নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক, যুবলীগ নেতার নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিএনপির বিক্ষোভ
টাঙ্গাইলে জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
শরণখোলায় আমগাছে মিললো দিনমজুরের ঝুলন্ত লাশ
বিশ্ব দৃষ্টি দিবসে অভয়নগরে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ও সচেতনতামূলক র্যালি
পল্লীবিদ্যুতের খুঁটি বাসনো নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ব্যক্তির মৃত্যু
ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, দেড় লাখ টাকা জরিমানা
চাপাইনবাবগঞ্জে ৫ উপজেলায় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন।
ভূমি ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামন। শ্যামনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, কর্তৃপক্ষ নীরব
দলীয় সমর্থনে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিলেন রায়পুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রত্যাশী ইসমাইল বিন মনির
কোনাবাড়ীতে বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
মেঘনায় মা ইলিশ শিকার করায় ১০ জেলে আটক, জাল ও ইলিশ জব্দ