নিউজ প্রকাশের পরেও বহাল তবিয়তে নওগাঁর ভূমি কর্মকর্তা জিয়া
নওগাঁয় এখনও বহাল তবিয়তে আছেন ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা হাবিবুজ্জামান জিয়া নামের এক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা। ভুয়া খতিয়ানে নামজারি ও ঘুষসহ হয়রানির অভিযোগ ওঠার পরও তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা। ফলে দেখা দিয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
হাবিবুজ্জামান জিয়া নওগাঁ শহরের পৌরসভা-চন্ডিপুর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী (ভারপ্রাপ্ত) কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছেন।
তার বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন শেষ নেই। কখনও ঘুষ নিয়ে ফেরত দিয়েছেন, কখনওবা ঘুষের টাকা ফেরত দিতে করেছেন টালবাহানা। এছাড়া ক্ষেত্র বিশেষে একটি খারিজের জন্য ২০হাজার টাকা দিলেও তিনি সন্তুষ্ট হতে পারেন না। আবার খারিজের জন্য ১০লাখ টাকা ঘুষ দাবিরও অভিযোগ আছে এই জিয়ার বিরুদ্ধে। তারপরও তিনি আছেন স্বপদে বহাল তবিয়তে। স্থানীয় সেবাপ্রতাশীরা বলেছেন, তার খুঁটির জোর কোথায়?
গত ১৪ মে “ ঘুষ না দিলেই হয়রানি করেন জিয়া; ভুয়া খতিয়ানেও করে দিয়েছে খারিজ” শিরোনামে জাতীয় দৈনিক সকালের সময় পত্রিকায়। এছাড়া একাধিক শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে টক অব দি শহরে পরিণত হয় প্রকাশিত নিউজটি।
কিন্তু রহস্যজনক কারণে টিডিআর হাবিবুজ্জামান জিয়াকে বদলি কিম্বা তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি বিবভাগীয় ব্যবস্থা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাবিবুজ্জামান জিয়া গত ২০২৪সালের ২০আগষ্ট শহরের ওই ভূমি অফিসে ভারপ্রাপ্ত সহকারী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েন। তার পছন্দ মতো ব্যক্তির মাধ্যমে, আবার তিনি নিজেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। কাজেই জমি-জমা সংক্রান্ত সেবা পেতে টাকা দিতে না চাইলে দিনের পর দিন ঘুরাতেন, করা হতো হয়রানি, এমনকি সেই কাজ তিনি শুরুই করতেন না বলেও অভিযোগ আছে। এছাড়া ঘুষ নেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে জিয়া তার আইডিতে দীর্ঘদিন ধরে সেবাপ্রত্যাশীদের করা নামজারির আবেদন পেন্ডিং রাখেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
যার কারণে বাধ্য হয়েই অনেক সেবাগ্রহীতাকে ঘুষ দিয়ে কাজ করে নিতে হচ্ছে। আর এভাবেই সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেন মোটা অঙ্কের টাকা। কাজেই একাধিক ব্যক্তির অভিযোগ জিয়া অবৈধভাবে টাকা ইনকাম করে অল্প দিনের মধ্যে অনেক অর্থ-সম্পদের মালিক বনে গেছেন।
এদিকে এর আগে সদর উপজেলার হাপানিয়া ভূমি অফিসে উপসহকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন হাবিবুজ্জামান জিয়া সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের স্বাক্ষর ছাড়াই গত ২০১৯সালের ৭এপ্রিল একটি ভুয়া খতিয়ান দিয়ে খারিজ অনুমোদন করে দেয়। যার কারণে তৎকালীন ওই ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সহকারী কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথের প্রতিবেদনে উঠে আসে হাবিবুজ্জামানের জালিয়াতির তথ্য।
সে সময়ও তার বিরুদ্ধে নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবস্থা। কাজেই দিন দিন সেবাপ্রত্যাশীদের আস্থা কমে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে।
সংশ্লিষ্টদের সচরাচর মন্তব্য অভিযোগ পেলে বা প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু কবে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানেন না ভুক্তভোগী সেবাপপ্রত্যাশীরা।
জানতে চাইলে নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জান্নাত আরা তিথি মুঠোফোনে বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট আসার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা জানতে চাইলে রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব), (যুগ্মসচিব) ড. চিত্রলেখা নাজনীন মুঠোফোনে বলেন, তাৎক্ষণিক নওগাঁর এডিসি রেভিনিউকে জানানো হয়েছে। আমি বিষয়টি দেখছি এবং এটার বিষয়ে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।
এমএসএম / এমএসএম
মাদারীপুরে আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে অচলাবস্থা নিরসনে মতবিনিময় সভা
রূপগঞ্জে বেড়াতে এসে অপহরণের শিকার কলেজ শিক্ষার্থী
রাজারহাটে ৩০ বছর পর দখলমুক্ত হলো সরকারি রাস্তা
"বালাসী-বাহাদুরাবাদ রুটে সেতু হলে কমবে দূরত্ব, গতি পাবে শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষি ও বাণিজ্য"
কুষ্টিয়ায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
গোপালগঞ্জে দেশীয় মাছ সংরক্ষণে সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ভূঞাপুরে ডাকাতির চেষ্টা নস্যাৎ: দেশীয় অস্ত্র ও নৌকাসহ ৫ ডাকাতকে পুলিশে দিল জনতা
একটি মহল দেশকে অশান্ত করতে চায়, সতর্ক থাকার আহ্বানঃ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল
আর্থিক সংকটে পড়াশোনা বন্ধ হওয়ার শঙ্কা, মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াল উপজেলা প্রশাসন
নিউজ প্রকাশের পরেও বহাল তবিয়তে নওগাঁর ভূমি কর্মকর্তা জিয়া
নানার বাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের ১২ শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান