ঢাকা বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

রাজারহাটে বোরো ধান সংগ্রহে লটারিপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম


রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি photo রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-৬-২০২৬ দুপুর ৪:৫২
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের জন্য আয়োজিত ডিজিটাল লটারিপ্রক্রিয়া নিয়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অকৃষক, মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন থেকে মোট ২ হাজার ১৬৮ জন কৃষক অনলাইনে আবেদন করেন। পরবর্তীতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ৪১৭ জন কৃষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরকারি গুদামে সরবরাহ করতে পারবেন।
তবে লটারির ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকায় এমন অনেক ব্যক্তির নাম এসেছে যাদের নিজস্ব কোনো কৃষিজমি নেই কিংবা যারা চলতি মৌসুমে বোরো চাষই করেননি। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম তালিকাভুক্ত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
 
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও চালকল মালিকদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভুয়া আবেদন করা হয়েছে। লটারিতে নাম আসার পর সেই বরাদ্দ বা স্লিপ সিন্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
অনেক প্রান্তিক কৃষক জানান, কৃষি কার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসেনি। ফলে বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
 
উমরমজিদ ইউনিয়নের কৃষক হামিজ মিয়া (৭৫) বলেন, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে ধান চাষ করি, অথচ গুদামে ধান দেওয়ার সুযোগ পেলাম না। লটারির নামে যারা কখনও মাঠে কাজ করেনি, তাদের নাম উঠছে।
 
এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ দাবি করেছে, লটারিপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ায় কোনো ব্যক্তির নাম ম্যানুয়ালি যুক্ত বা বাদ দেওয়ার সুযোগ ছিল না বলে তারা জানিয়েছেন।
 
তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, লটারির সফটওয়্যার নয়, বরং আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াতেই দুর্বলতা ছিল। যথাযথ তদারকির অভাবে প্রকৃত কৃষকের পাশাপাশি অকৃষক ও ধান ব্যবসায়ীরাও আবেদন করে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যা পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ তানজিলা তাসনিম (ইউএনও) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, আবেদন অনলাইনে করা হয়েছে। বিষয়টি খাদ্য বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, এ বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন।খাদ্য কর্মকর্তা বলেন,ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় লটারি সম্পন্ন হয়েছে এখানে আমার কিছু করার নেই।

এমএসএম / এমএসএম

তারাগঞ্জে একই দিনে মাদকবিরোধী জোরালো অভিযান

জেলা ট্রেজারি পরিদর্শন ও ভেরিফিকেশন কার্যক্রম পরিচালনা করলেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার

চট্টগ্রাম বন একাডেমির পরিচালক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

ভূরুঙ্গামারীতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে ১৭১তম ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস পালিত

উলিপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ ও সার বিতরণ

৭০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার

সুনামগঞ্জে সিয়ামের চুরি হওয়া সিএনজি ১ মাসেও উদ্ধার হয়নি, পরিবারে হতাশা

বোদা পৌরসভার ৮১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

পাঁচবিবিতে মাদক নির্মূলে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি

রাজশাহীতে ‘Run for Padma’র সংবাদ সম্মেলন

কুড়িগ্রামে ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষের ওপর হামলার অভিযোগ

বিলাইছড়ি উপজেলায় নবাগত ইউএনও'র যোগদান