ঢাকা শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬

রাজারহাটে বোরো ধান সংগ্রহে লটারিপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম


রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি photo রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮-৬-২০২৬ দুপুর ৪:৫২
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের জন্য আয়োজিত ডিজিটাল লটারিপ্রক্রিয়া নিয়ে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষকদের বাদ দিয়ে অকৃষক, মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারি গুদামে ধান বিক্রির জন্য উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন থেকে মোট ২ হাজার ১৬৮ জন কৃষক অনলাইনে আবেদন করেন। পরবর্তীতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে ৪১৭ জন কৃষককে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন ধান সরকারি গুদামে সরবরাহ করতে পারবেন।
তবে লটারির ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাদের অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকায় এমন অনেক ব্যক্তির নাম এসেছে যাদের নিজস্ব কোনো কৃষিজমি নেই কিংবা যারা চলতি মৌসুমে বোরো চাষই করেননি। এছাড়া একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নাম তালিকাভুক্ত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
 
ভুক্তভোগী কৃষকদের দাবি, প্রভাবশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও চালকল মালিকদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভুয়া আবেদন করা হয়েছে। লটারিতে নাম আসার পর সেই বরাদ্দ বা স্লিপ সিন্ডিকেটের কাছে বিক্রি করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 
অনেক প্রান্তিক কৃষক জানান, কৃষি কার্ড ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও তাদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় আসেনি। ফলে বাজারমূল্যের তুলনায় বেশি দামে সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছেন।
 
উমরমজিদ ইউনিয়নের কৃষক হামিজ মিয়া (৭৫) বলেন, আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে ধান চাষ করি, অথচ গুদামে ধান দেওয়ার সুযোগ পেলাম না। লটারির নামে যারা কখনও মাঠে কাজ করেনি, তাদের নাম উঠছে।
 
এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগ দাবি করেছে, লটারিপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ায় কোনো ব্যক্তির নাম ম্যানুয়ালি যুক্ত বা বাদ দেওয়ার সুযোগ ছিল না বলে তারা জানিয়েছেন।
 
তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, লটারির সফটওয়্যার নয়, বরং আবেদনকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াতেই দুর্বলতা ছিল। যথাযথ তদারকির অভাবে প্রকৃত কৃষকের পাশাপাশি অকৃষক ও ধান ব্যবসায়ীরাও আবেদন করে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন, যা পুরো প্রক্রিয়ার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ্ তানজিলা তাসনিম (ইউএনও) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, আবেদন অনলাইনে করা হয়েছে। বিষয়টি খাদ্য বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, এ বিষয়ে খাদ্য কর্মকর্তা ভালো বলতে পারবেন।খাদ্য কর্মকর্তা বলেন,ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় লটারি সম্পন্ন হয়েছে এখানে আমার কিছু করার নেই।

এমএসএম / এমএসএম

কেরুজ কমপ্লেক্সে সর্বকালের রেকর্ড মুনাফা : কমেছে চিনিকলের লোকসান

মনপুরায় ৯ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, থানায় মামলা

নির্মানাধীন ড্রেনে ময়লার স্তূপ,পানি নিষ্কাশনে বড় বাধা

নজরুল পদক- ২০২৬, পেলেন ভূরুংগামারীর কৃতী সন্তান কবি আবদুল হাই শিকদার

নওগাঁয় মেয়ে সন্তান জন্ম দেওয়ায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পেকুয়ায় ইয়াবাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেফতার

কুড়িগ্রামে পুলিশ-বিজিবির যৌথ অভিযানে ভারতীয় মোবাইলের বড় চালান জব্দ

ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতার হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

মাগুরায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২, গুরুতর আহত নারী

জিয়ানগরের খায়েরহাট বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

ধুনটের চৌকিবাড়ীতে গোলাম মাহবুব প্যারিসের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল

পেকুয়ায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রদল

পিরোজপুরের কাউখালীতে টহল শেষে ফেরার পথে নৌ পুলিশের ওপর হামলা