ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)’র কাউন্সিল: বান্দরবানের নেতৃত্বে-উবামং ও মংশৈপ্রু পার্বত্যচুক্তির অপূর্ণ ধারা বাস্তবায়নের আহ্বান
পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট-ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর ৩য় বান্দরবান জেলা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নসহ আত্ম-নিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জুম্ম সমাজে ইস্পাত-কঠিন ঐক্য গড়ে তুলুন” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শনিবার (১৩ জুন ২০২৬) সকালে বান্দরবান শহরের মেঘলা এলাকার প্লাজা কনভেনশন সেন্টারে এই কাউন্সিলের আয়োজন করে।
বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে জেলার ও উপজেলা থেকে সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা অংশগ্রহণ করেন। কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সমীরণ চাকমা (চার্মিং)।
বান্দরবান জেলা কমিটির সভাপতি রাম তন সাং বম (মালেক)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমল কান্তি চাকমা, কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা আপ্রুমং মারমা, কেন্দ্রীয় ছাত্র ও যুববিষয়ক সম্পাদক বিজয় চাকমা এবং সংগঠনের সাবেক সভাপতি উবামং মারমা প্রমূখ।
এতে বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের সামগ্রিক রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ, কৃষক, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যার এখনো টেকসই সমাধান হয়নি। তারা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, ভূমি সমস্যার সমাধান, স্থানীয় জনগণের সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের প্রশ্নে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে নেতারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শান্তিচুক্তির অপূর্ণ ধারাগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য ও পারস্পারিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।
কাউন্সিলে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং জেলার বিভিন্ন ইউনিটের কার্যক্রম নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি আগামী দিনে পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলন আরও বেগবান করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব গৃহীত হয়।
কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে নতুন জেলা কমিটি গঠন করা হয়। কাউন্সিলে উবামং মারমাকে সভাপতি এবং মংশৈপ্রু ত্রিপুরাকে সাধারণ সম্পাদক করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট বান্দরবান জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। নবগঠিত কমিটি আগামী তিন বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবে। কাউন্সিল শেষে বিদায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে।
এমএসএম / এমএসএম
বাগেরহাটে মাদ্রাসার দেয়াল চাপা পড়ে নির্মান শ্রমিক নিহত
আদমদীঘিতে পুকুরে পানি সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে মৃত্যু-১ নারীসহ আহত-৫
হাওরাঞ্চলে ৩০ টন বীজ সরবরাহ করা হবে - কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী ইয়াসিন
বারহাট্টায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধর্ষক পলাতক
নাগরপুরে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সেতু নির্মাণের তিন বছর পরও হয়নি অ্যাপ্রোচ সড়ক, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ
বাঁশখালীতে মাছেরঘেরে রাতের আঁধারে গোলাগুলি নিহত ১ আহত অন্তত ৮
কমলগঞ্জের ভানুগাছ ও শমশেরনগর রেলস্টেশনের সমস্যা তুলে ধরলেন স্থানীয়রা
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৫ মণ বিষাক্ত চিংড়িসহ ৩টি শুঁটকি আস্তানা ধ্বংস
লাথিতে গর্ভপাতের অভিযোগ, রিপোর্টে ‘পায়ে ঘষা’
বাঘা মাছ বাজারের সিসি রাস্তার কাজের উদ্বোধন
কোম্পানীগঞ্জে বিধি উপেক্ষা করে স্কুলের গাছ বিক্রির অভিযোগ, যুবদল নেতার কাছে হস্তান্তর নিয়ে তোলপাড়
কাউনিয়ায় জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে ধান লুটের নাটক সাজানোর অভিযোগ