কোম্পানীগঞ্জে বিধি উপেক্ষা করে স্কুলের গাছ বিক্রির অভিযোগ, যুবদল নেতার কাছে হস্তান্তর নিয়ে তোলপাড়
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের শাহজাদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৫ থেকে ৭টি মূল্যবান বনজ গাছ সরকারি বিধি-বিধান উপেক্ষা করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের তীর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলমের বিরুদ্ধে। গাছগুলো সিরাজপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি শহীদ উল্যাহ শহীদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রির ক্ষেত্রে বন বিভাগের মূল্য নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন, কোটেশন আহ্বান, পরিচালনা কমিটির সভা ও রেজুলেশনসহ সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। তবে এসব নিয়মের কোনোটিই অনুসরণ না করেই বিদ্যালয়ের গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পরিচালনা কমিটির সভাপতির স্বাক্ষরও নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ জুলাই গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত হলেও ক্রেতা শহীদ উল্যাহ শহীদ নির্ধারিত ৭ হাজার টাকা পরিশোধ না করেই বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সুযোগে গাছ কেটে নিয়ে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এ অবস্থায় গত ২৯ জুলাই প্রধান শিক্ষক শাহ আলম তড়িঘড়ি করে শহীদ উল্যাহ শহীদকে বিদ্যালয়ে ডেকে আনেন। পরে তার কাছ থেকে ৭ হাজার টাকা আদায় করে বিদ্যালয়ের কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বলেন, “গাছ বিক্রির ক্ষেত্রে কিছু ভুল-ত্রুটি হয়েছে। বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়েছিল, কিন্তু ক্রেতা টাকা না দিয়েই স্কুল বন্ধ থাকার সময় গাছ কেটে নিয়ে যায়। পরে তাকে ডেকে এনে ৭ হাজার টাকা নিয়ে বিদ্যালয়ের তহবিলে জমা দিয়েছি।”
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি নাজিম উদ্দিন ফারুক বলেন, “আমি নতুন সভাপতি। গাছ বিক্রির বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। এ বিষয়ে কোনো সভা কিংবা সিদ্ধান্তও হয়নি।”
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, “বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গাছের মূল্য নির্ধারণ বা বিক্রির বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। সরকারি বিধি অনুসরণ না করেই গাছ বিক্রি করা হয়েছে।”
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ বিক্রিতে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
প্রসঙ্গত, এর আগেও সরকারি সড়কের মূল্যবান মেহগনি গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে একই যুবদল নেতা শহীদ উল্যাহ শহীদের বিরুদ্ধে।
পরে সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজগর হোসেন গাছের কিছু অংশ উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সংরক্ষণ করেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা না হওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এমএসএম / এমএসএম
বাগেরহাটে মাদ্রাসার দেয়াল চাপা পড়ে নির্মান শ্রমিক নিহত
আদমদীঘিতে পুকুরে পানি সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎতায়িত হয়ে মৃত্যু-১ নারীসহ আহত-৫
হাওরাঞ্চলে ৩০ টন বীজ সরবরাহ করা হবে - কুমিল্লায় কৃষিমন্ত্রী ইয়াসিন
বারহাট্টায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ধর্ষক পলাতক
নাগরপুরে ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার সেতু নির্মাণের তিন বছর পরও হয়নি অ্যাপ্রোচ সড়ক, দুর্ভোগে ১৫ গ্রামের মানুষ
বাঁশখালীতে মাছেরঘেরে রাতের আঁধারে গোলাগুলি নিহত ১ আহত অন্তত ৮
কমলগঞ্জের ভানুগাছ ও শমশেরনগর রেলস্টেশনের সমস্যা তুলে ধরলেন স্থানীয়রা
সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার: ৫ মণ বিষাক্ত চিংড়িসহ ৩টি শুঁটকি আস্তানা ধ্বংস
লাথিতে গর্ভপাতের অভিযোগ, রিপোর্টে ‘পায়ে ঘষা’
বাঘা মাছ বাজারের সিসি রাস্তার কাজের উদ্বোধন
কোম্পানীগঞ্জে বিধি উপেক্ষা করে স্কুলের গাছ বিক্রির অভিযোগ, যুবদল নেতার কাছে হস্তান্তর নিয়ে তোলপাড়
কাউনিয়ায় জমি-জমার বিরোধকে কেন্দ্র করে ধান লুটের নাটক সাজানোর অভিযোগ