ঢাকা বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ মডেলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্যোগ


আরিফুর রহমান photo আরিফুর রহমান
প্রকাশিত: ১৭-৬-২০২৬ দুপুর ৪:১৩

গ্রামকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও শিল্পায়নের সমন্বয়ে একটি নতুন উন্নয়ন মডেলের প্রস্তাব সামনে রেখে কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার। বুধবার (১৭ জুন) এ বিষয়ে এক সেমিনার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা, “এক গ্রাম এক শিল্প” ধারণার ভিত্তিতে তৈরি এই পরিকল্পনায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার বিষয়টি উত্থাপন করেন। এই সময়ে প্রস্তাবনাও উপস্থাপন করা হয়।

প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, দেশের অধিকাংশ গ্রামে বিপুল জনশক্তি থাকা সত্ত্বেও কর্মসংস্থানের অভাব, শিক্ষা ও কাজের মধ্যে অসামঞ্জস্য, কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে মানুষ শহরমুখী হচ্ছে। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে গ্রামভিত্তিক শিল্পায়নই হতে পারে টেকসই সমাধান।
অব্যবহৃত জমির সঠিক ব্যবহার করে  উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার করা গেলে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে। প্রতিটি বাড়িতে ছোট আকারের বাগান, ফলদ গাছ, সবজি চাষ কিংবা ক্ষুদ্র উৎপাদন ইউনিট গড়ে তোলার মাধ্যমে পারিবারিক আয় বাড়ানো সম্ভব হবে।
এছাড়া বাড়ির আঙিনা ও অব্যবহৃত স্থানকে উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে।

আরো বলা হয়েছে, প্রস্তাবনায় শিক্ষাব্যবস্থাকে বাস্তবমুখী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বরং ছোটবেলা থেকেই শিশু-কিশোরদের কৃষি, প্রযুক্তি, পরিবেশ ও উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত করা প্রয়োজন। ১০ বছর বয়স থেকেই অর্থনৈতিক শিক্ষা ও কর্মব্যবস্থাপনার ধারণা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হিসেবেও গড়ে উঠতে পারে। কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বাড়বে আয় কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গ্রাম পর্যায়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ধান, ফল, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করে বাজারজাত করা হলে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষক সরাসরি লাভবান হবেন। এতে গ্রামে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং কৃষিপণ্যের অপচয়ও কমে আসবে।

প্রস্তাবনায়, পরিবেশ রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাড়িভিত্তিক গাছ লাগানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পুনর্ব্যবহার এবং পরিচ্ছন্ন গ্রাম গড়ে তোলার উদ্যোগকে উন্নয়নের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রামীণ সংস্কৃতি, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে পর্যটন শিল্প গড়ে তোলারও প্রস্তাব রয়েছে। পরিবারভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র, গ্রামীণ খাবার, হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক আয়োজন দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নারিকেলভিত্তিক শিল্প, ভোজ্যতেল উৎপাদন, কৃষিযন্ত্র নির্মাণসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র শিল্প স্থাপনের ধারণা তুলে ধরা হয়েছে। স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে প্রতিটি গ্রামে ছোট ছোট উৎপাদন ইউনিট গড়ে উঠলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন,সঞ্চালক ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো: মনজুর আলমসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান,উদ্যোক্তাসহ অন্যান্য ষ্টেক হোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।

এমএসএম / এমএসএম

পটুয়াখালীতে সেফটি ট্যাংকিতে নেমে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁওয়ে ৬৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চাহিদার অর্ধেক মিলছে বিদ্যুৎ, লোডশেডিংয়ে হোমনাবাসীর জনজীবন বিপর্যস্ত

বাকেরগঞ্জে মুরগির খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, দুর্গন্ধ থেকে প্রতিকার পেতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ মিছিল

পেকুয়ায় রাস্তাজুড়ে উড়ছে শতশত আর্জেন্টিনার পতাকা, বিশ্বকাপ ঘিরে উৎসবের আমেজ

সলঙ্গায় মহাসড়কের সেতুর নিচ থেকে মরদেহ উদ্ধার

বাঘায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়: সড়ক সমস্যার সমাধান ও সরকারি সেবা তৃণমূলে পৌঁছানোর আশ্বাস

‘এক গ্রাম, এক শিল্প’ মডেলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্যোগ

কুমিল্লায় ৬৮ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি

ধর্মীয় সম্প্রীতির আবহে তাড়াশে নব বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠা উৎসব

রায়গঞ্জে শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত

আত্রাই থানায় নতুন ওসি হিসেবে মো. মাহবুব আলমের যোগদান

যশোরে গভীর রাতে একাধিক মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা