অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ
ঢাকার সাভারে একটি অটোরিকশার গ্যারেজে পাঁচ দফা হামলা চালিয়ে অন্তত অর্ধকোটি টাকার অটোরিকশা ও ব্যাটারী লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। গত ২৪ ও ২৭মে এবং ৮, ১২ ও ১৬ জুন সাভার পৌর এলাকার রাজাশন মহল্লার শামীম রেজার গ্যারেজে এই লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শামিমের মা ও বোন সাভার মডেল থানায় ১২ জুন দুপুরে ও রাতে পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে ছাত্রদল নেতা মাহাবুব হোসেন সামির ও তার সহযোগী মো. নাঈম ইসলাম বাদশা ওরফে পিস্তল বাদশা, আলমগীর, সজিব, রুবেল, নাহিদ, ফাতেন, রনি, কালা মানিক, মানিক ওরফে কিলার মানিক, সানিসহ অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তবে, ১১ দিন গত হলেও এই অভিযোগের অগ্রগতি শূণ্য।
গ্যারেজের আটোরিকশা, ব্যাটারী, সোনার চেইন ও নগদ টাকা লুটপাটের বিষয়ে সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির বলেন, বেশ কিছুদিন আগে গ্যারেজ মালিক ‘শামীম’ আমার ভাইকে র্যাবের হাতে গ্রেফতারে সহযোগীতা করেছে। শামীম একজন পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী তাই এই এলাকায় একজন মাদক ব্যবসায়ীকে বসবাস করতে দেওয়া হবে না।
শামীম রেজার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সাথী বলেন, বেশ কিছুদিন আগে সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির সহোদর হৃদয় হোসেন (২৮) কোটি টাকা মূল্যের হেরোইনসহ র্যাবের হাতে গেফতার হয়। তার ভাইকে জামিন করাতে শামীমের কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন মাহাবুব। এর মধ্যে দুইজন সংবাদকর্মীকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় কারাবরন করছে শামীম রেজা। এই সুযোগে মাহাবুব হোসেন সামির আমাদের গ্যারেজে পাঁচ দফা হামলা চালিয়ে ২৩টি অটোরিকশা ও ১৪ লক্ষ টাকার ব্যাটারি লুট করে নিয়ে যায়। তবে এসব ঘটনা সাভার মডেল থানা পুলিশকে বার বার অবগত করা হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করে।
আফরোজা আক্তার সাথী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শামীম যে মামলায় গ্রেফতার হয়েছে ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার এসআই মো. নেয়ামত উল্লাহ। নেয়ামত উল্লাহর পরোক্ষ মদতে ছাত্রদল নেতা মাহাবুব হোসেন সামির গ্যারেজ থেকে ২৩টি আটোরিকশা ও ১৪ লক্ষ টাকার ব্যাটারী লুট করে বিক্রি করে। মালামাল বিক্রির টাকা নেয়ামত ও সামির ভাগাভাগি করে নেয়। যার ফলে এসআই নেয়ামত উল্লাহ মালামাল লুটপাটের ঘটনায় মামলা না নিতে উর্ধ্বতন কর্মকতাদের ভিন্ন ভিন্ন আঙ্গিকে বোঝানোর চেষ্টা করে।
অভিযোগের বিষয়ে সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নেয়ামত উল্লাহ বলেন, গ্যারেজ মালিক শামীম ও ছাত্রদল নেতা মাহাবুব হোসেন সামিরের মধ্যে দ্বন্দ্ব এটা-সত্য। এও সত্য শামীম গ্রেফতার হওয়ার পর তার গ্যারেজ থেকে বিপুল পরিমান মালামাল লুটপাট হয়েছে। তবে এর সাথে আমি কোনো ভাবেই সম্পৃক্ত নই। আর মামলা নেওয়া না নেওয়ার বিষয়টিও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এখতিয়ার।
এ বিষয়ে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, ঘটনাটির বিষয়ে আমি পুরোপুরি অবগত। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে সম্ভবত। এ ঘটনার সঙ্গে কোনো পুলিশ বিন্দু পরিমান সম্পৃক্ত থাকার প্রমান পেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এ ছাড়া থানায় মামলা না হলে ভুক্তোভোগীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের হবে। সাভার মডেল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে গ্যারেজ লুটপাটের ঘটনায় আজ পর্যন্ত কোনো মামলা নথি ভুক্ত করা হয়নি।
এমএসএম / এমএসএম
মগনামা উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল থেকে লোহার গ্রিল চুরি
কালকিনিতে বাস চাঁপায় প্রান গেল প্রবাসীর
আদমদীঘিতে নারীসহ তিনজন গ্রেপ্তার মাদক উদ্ধার
চাঁদপুর জেলায় ৩লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে
পটুয়াখালীতে ভূমিকম্প-অগ্নিকাণ্ডে করণীয় শেখাতে পিস স্কুলের ব্যতিক্রমী মহড়া
সুবর্ণচরে ফলজ, বনজ, ঔষধি গাছ বিতরণ উদ্বোধন
নাগরপুরে স্কুলের টিউবওয়েলে পানি পান করে শিক্ষার্থীরা অসুস্থ
অভিযোগের ১১ দিনেও মামলা নথিভূক্ত করেনি সাভার মডেল থানা পুলিশ
দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল
সুবর্ণচরে জব ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত
ধামরাইয়ে সওজের উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, আহত-২
বগুড়ায় নারীর সাথে আপত্তিকর ছবি তুলে অটোচালকের টাকা ছিনতাই