অপরিকল্পিত নগরায়ণে ডুবছে চট্টগ্রাম, জনসচেতনতা ছাড়া উত্তরণ সম্ভব নয়
চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র, প্রধান সমুদ্রবন্দর, শিল্প ও বাণিজ্যের রাজধানী। দেশের আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ এই নগরীর ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন, লাখো মানুষ এবং অসংখ্য ব্যবসায়িক কার্যক্রম এই শহরকে সচল রাখে। অথচ বর্ষা মৌসুমে কয়েক ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান, আবার কোথাও বুকসমান পানি জমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা অচল হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে যায়, অফিসগামী মানুষ কর্মস্থলে পৌঁছাতে পারেন না, অ্যাম্বুলেন্স আটকে থাকে, ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে যায় এবং হাজার হাজার কোটি টাকার অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়। এই দৃশ্য এখন আর ব্যতিক্রম নয়, বরং প্রতি বর্ষায় চট্টগ্রামবাসীর নিত্যদিনের বাস্তবতা।
অনেকে এই দুর্ভোগের জন্য অতিবৃষ্টি বা জলবায়ু পরিবর্তনকে একমাত্র দায়ী করেন। বাস্তবে বৃষ্টি একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হলেও জলাবদ্ধতা মূলত মানুষের সৃষ্ট সমস্যা। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, ভবন নির্মাণে আইন না মানা, খাল-নালা দখল, পাহাড় কাটা, জলাধার ভরাট, অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণ, পলিথিন ও বর্জ্যের অবাধ ব্যবহার এবং দুর্বল নগর ব্যবস্থাপনাই আজকের চট্টগ্রামকে পানির নিচে ঠেলে দিয়েছে।
উদাহরণ হিসেবে যদি রিয়াজ উদ্দীন বাজারের দিকে তাকাই তাহলে বুঝতে পারবেন এই দেশের আইন এবং জনগণের দায়বদ্ধতা কতটুকু। চট্টগ্রামের অন্যতম এই বাণিজ্য কেন্দ্রে ২ শতাধিক বহুতল ভবন ও ১০ হাজারের অধিক দোকান রয়েছে। কিন্তু কোন ভবনেই পার্কিং স্পেস নাই, এমনকি ভবনের পাশে ও সামনে পিছনে যে জায়গা ছাড়ার কথা তা ছাড়া হয়নি, এমনভাবে দোকান বসানো হয়েছে মানুষ হাটাও দায়। সেখানে তাদের বর্জ্যব্যবস্থাপনাও নেই। বাজারের বর্জ্যে নালাও ভরাট হয়ে যাচ্ছে ফলে পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ। এছাড়াও এর চারপাশে ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে বসানো হয়েছে আরো কয়েকহাজার দোকান। তাদেও বর্জ্য নালায় ফেলানো হয়।
একইভাবে চট্টগ্রামের আরেক বাণিজ্যিক কেন্দ্র চাক্তাই ও খাতুনগঞ্জের দিকে দেখুন, প্রায় ৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বাণিজ্যকেন্দ্রে প্রায় ৬ হাজার দোকান, গুদাম ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বহুতল ভবন রয়েছে কয়েক হাজার। আসাদগঞ্জ আরেকটি বৃহৎ বাণিজ্যিক ও পাইকারি বাজার এলাকা। এখানে কয়েকশ বহুতল ভবন এবং ছোট-বড় মিলিয়ে হাজারের অধিক পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু এসব এলাকায় ভবন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে প্রচলিত আইন মানা হয়নি। ভবন নির্মাণে যে পরিমান জায়গা ছাড়ার কথা তা ছাড়া হয়নি। এমনকি ব্যবসায়ীক বর্জ্যের বড় একটি অংশ নালা ও খালে পড়ে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। একইভাবে নগরের বাকলিয়া, বহদ্দারহাট, চকবাজার, দেওয়ান বাজার, দেওয়ান হাট, চৌমুহনী, পাঠানটুলী, আগ্রবাদ, ইপিজেড এলাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান স্থাপনে পানি নিস্কাশন ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে, নির্বিচারে জলাধার ভরাট করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে কিছু ব্যক্তি সাময়িক লাভবান হলেও ক্ষতিটা হয়েছে সামগ্রিক। আজ এসব বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবেশ করে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হচ্ছে।
চট্টগ্রামে নগরায়ণের গতি ছিল দ্রুত, কিন্তু পরিকল্পনা ছিল ধীর। নতুন নতুন আবাসিক এলাকা, মার্কেট, বহুতল ভবন, শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক স্থাপনা গড়ে উঠেছে; কিন্তু সেই অনুপাতে তৈরি হয়নি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা। যে জমিগুলো একসময় বৃষ্টির পানি ধারণ করত, সেগুলো ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে বৃষ্টির পানি জমে থাকার সময় ও পরিমাণ দুটোই বেড়েছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো ভবন নির্মাণে আইন না মানার প্রবণতা। অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী খোলা জায়গা রাখা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সেটব্যাক বজায় রাখা কিংবা প্রাকৃতিক পানি চলাচলের পথ অক্ষুণ্ন রাখার বাধ্যবাধকতা থাকলেও বহু ক্ষেত্রে তা মানা হয় না। অনেক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে নালা ও খালের খুব কাছাকাছি, আবার কোথাও কোথাও খালের ওপরই স্থাপনা গড়ে উঠেছে। এর ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আজকের জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ এই আইন অমান্য করার সংস্কৃতি।
শুধু ব্যক্তি পর্যায়েই নয়, অনেক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়ও পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। কোথাও রাস্তা উঁচু করা হয়েছে কিন্তু পর্যাপ্ত কালভার্ট বা ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি। কোথাও ড্রেনের আকার ছোট রাখা হয়েছে, আবার কোথাও বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়হীনতার কারণে একটি প্রকল্প আরেকটি প্রকল্পের কার্যকারিতা নষ্ট করেছে। ফলে উন্নয়নের জন্য ব্যয় করা হাজার হাজার কোটি টাকা অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশিত সুফল দিতে পারেনি।
চট্টগ্রামে একসময়ে ১২০টি খাল ছিল, বর্তমানে ৫৭টি খালের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে, বাকী প্রায় ৬৩ টি খালের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। এই ৫৭টিরও কোথাও কোথাও দখলের কবলে পড়েছে অথবা ভরাট হয়ে যাচ্ছে মানুষরূপি দস্যুদের কারণে। এই খালগুলো একসময় ছিল শহরের প্রাণ। বর্ষার পানি দ্রুত কর্ণফুলী নদী ও অন্যান্য জলাশয়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এগুলো প্রাকৃতিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করত। কিন্তু বছরের পর বছর অবৈধ দখল, ভরাট এবং অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক খাল মেন মারা গেছে আবার কোথাও খালের প্রস্থ অর্ধেকে নেমে এসেছে, কোথাও গভীরতা কমে গেছে, আবার কোথাও খালের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে গেছে। পানি যাওয়ার পথ সংকুচিত হলে পানি তো রাস্তায় উঠবেই।
আরেকটি মারাত্মক সমস্যা হলো পাহাড় কাটা। চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অন্যতম অংশ ছিল অসংখ্য পাহাড়। কিন্তু আবাসন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের জন্য বছরের পর বছর নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছে। বর্ষাকালে সেই কাটা পাহাড়ের মাটি বৃষ্টির পানির সঙ্গে নেমে এসে খাল, নালা ও ড্রেনে জমা হয়। এতে ড্রেনের ধারণক্ষমতা দ্রুত কমে যায়। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের বালি, ইটের খোয়া ও অন্যান্য উপকরণও নালায় জমে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই শহর জলমগ্ন হয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে প্রতিবছর অনেক লোকের প্রাণহানি হলেও দস্যুরা বরাবরই থাকছেন ধরা ছোয়ার বাইরে।
পলিথিনও জলাবদ্ধতার অন্যতম বড় শত্রু। বাজারের ব্যাগ, খাবারের মোড়ক, প্লাস্টিক বোতল ও বিভিন্ন বর্জ্য মানুষ নির্বিচারে নালায় ফেলে দেয়। এসব বর্জ্য ড্রেনের মুখ বন্ধ করে দেয়। যত বড় ড্রেনই নির্মাণ করা হোক, যদি তা পলিথিনে আটকে যায় তাহলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে না। তাই শুধু অবকাঠামো নির্মাণ করলেই হবে না; নাগরিকদের সচেতন আচরণও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
নগরবাসীর একাংশের মধ্যে এখনো একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে, নালায় ময়লা ফেললে সেটি আর নিজের সমস্যা নয়। বাস্তবে সেই ময়লাই পরে জলাবদ্ধতার মাধ্যমে পুরো শহরের সমস্যা হয়ে ফিরে আসে। একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ, এক বালতি নির্মাণবর্জ্য কিংবা সামান্য মাটি হয়তো তেমন কিছু নয় বলে মনে হতে পারে; কিন্তু হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন একই কাজ করলে তার ফল হয় ভয়াবহ।
চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার কারণে শুধু দুর্ভোগই বাড়ছে না, অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দোকানপাটে পানি ঢুকে কোটি কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হয়। শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হয়। যানজটে জ্বালানি অপচয় হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা কার্যক্রম থেকে পিছিয়ে পড়ে। রোগী সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারায় জীবনহানির ঘটনাও ঘটে। দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা থাকলে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, চর্মরোগসহ নানা রোগের ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
ফেইসবুকে দেখেছি অনেকেই সরকার, মেয়র ও জনপ্রতিনিধিদেরকে তুলোধুনা করছেন কিন্তু তারা জনেসচতার জন্য এগিয়ে আসছে না কেন? আজকে ঘরে হাটু পানি হয়েছে আগামীতে তা আরো বাড়বে এটা নিশ্চিত।
এ অবস্থার পরিবর্তন অসম্ভব নয়, তবে তার জন্য কঠোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ এবং নাগরিক দায়িত্ববোধ একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রথমত, ভবন নির্মাণে আইন শতভাগ কার্যকর করতে হবে। অনুমোদনহীন বা নিয়মবহির্ভূত ভবনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো অবস্থাতেই খাল, নালা বা জলাধার দখল করে স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ দেওয়া যাবে না।
দ্বিতীয়ত, সব খাল ও নালাকে দখলমুক্ত করে নিয়মিত খনন ও পরিষ্কার করতে হবে। বর্ষা শুরুর আগেই ড্রেনেজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সচল রাখার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু প্রকল্প গ্রহণ করলেই হবে না; তার রক্ষণাবেক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে।
তৃতীয়ত, পাহাড় কাটা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। পাহাড় কেটে যারা পরিবেশ ধ্বংস করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পাহাড়ের মাটি যাতে বৃষ্টির পানির সঙ্গে নেমে এসে নালায় জমতে না পারে, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
চতুর্থত, পলিথিনের ব্যবহার কমাতে হবে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে হবে। নালায় ময়লা ফেলা বন্ধে কঠোর জরিমানা ও জনসচেতনতা, দুইটিই প্রয়োজন। প্রতিটি নাগরিককে বুঝতে হবে যে, নিজের বাড়ির সামনে নালা পরিষ্কার রাখা শুধু ব্যক্তিগত নয়, সামাজিক দায়িত্বও।
সবচেয়ে বড় কথা, উন্নয়ন মানেই শুধু উঁচু ভবন বা প্রশস্ত রাস্তা নয়। প্রকৃত উন্নয়ন তখনই হবে যখন নগরীর পরিবেশ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য অক্ষুণ্ন থাকবে। পরিকল্পনাহীন উন্নয়ন শেষ পর্যন্ত উন্নয়ন নয়; বরং ভবিষ্যৎ দুর্যোগের ভিত্তি তৈরি করে।
আজও সময় আছে সতর্ক হওয়ার। আইন মানুন, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করুন, নালা-খাল দখল করবেন না, নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন, পলিথিন ও ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলবেন না, পাহাড় কাটা বন্ধ করুন এবং নির্মাণকাজের মাটি ও বালি যেন ড্রেনে না পড়ে তা নিশ্চিত করুন। মনে রাখতে হবে, একটি পরিচ্ছন্ন নালা শুধু পানি নিষ্কাশনের পথ নয়, এটি একটি শহরের নিরাপত্তারও অংশ।
চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতার শহর হিসেবে নয়, পরিকল্পিত ও বাসযোগ্য মহানগর হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, নগর পরিকল্পনাবিদ, প্রকৌশলী, পরিবেশবিদ, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ নাগরিক- সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। অন্যথায় প্রতি বর্ষায় একই দুর্ভোগ, একই ক্ষয়ক্ষতি এবং একই আক্ষেপের পুনরাবৃত্তি ঘটতেই থাকবে। আজকের অবহেলা আগামী দিনের আরও বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে। তাই এখনই সচেতন হওয়ার সময়, এখনই আইন মানার সময়, এখনই প্রকৃতিকে রক্ষা করার সময়। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, সুন্দর ও জলাবদ্ধতামুক্ত চট্টগ্রাম উপহার দেওয়া সম্ভব হবে। তাই কাউকে দোষারূপ না করে আসুন নিজে সচেতন হই, জনগণকে সচেতন করি আর নিরাদ নগর গড়ি।
লেখক: কবি, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও সভাপতি, রেলওয়ে জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন।
এমএসএম / এমএসএম
অপরিকল্পিত নগরায়ণে ডুবছে চট্টগ্রাম, জনসচেতনতা ছাড়া উত্তরণ সম্ভব নয়
বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর : স্মার্ট ইকোনমির আড়ালে ‘ডিজিটাল দাসত্ব’ ও নজরদারির এক নীল নকশা
সামাজিক অবক্ষয়রোধে নান্দনিক দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ অপরিহার্য
কর্মচারী নিয়োগে একাডেমিক সনদের চেয়ে দক্ষতার গুরুত্ব বেশি হওয়া উচিৎ
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সামাজিক আন্দোলন অপরিহার্য
পবিত্র আশুরার শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ
ব্রেক্সিট পরবর্তি ব্রিটিশ রাজনীতি এবং স্টারমারের বিদায়
পর্নোগ্রাফি আসক্তি: ডিজিটাল যুগের নীরব মহামারি
কাঁঠালভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন
বাবা: স্মৃতির আকাশে এক চিরস্থায়ী নক্ষত্র
বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০২৬: যতক্ষণ না সবাই নিরাপদ
বাসযোগ্য নগর গড়তে ঢাকা’র ওপর চাপ কমান