ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

কোটি টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে ‘ফেন্সি মাহাবুব’, ১৯ দিনেই অব্যাহতি


আহ‌মেদ জীবন, সাভার photo আহ‌মেদ জীবন, সাভার
প্রকাশিত: ১২-৭-২০২৬ বিকাল ৫:৩৬

ঢাকার সাভার উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দেওগাঁও এলাকার বাসিন্দা মতিউর রহমান ছিলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এবং সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পলাতক চেয়ারম্যান সোহেল রানার ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন। কিছুদিন আগে মতিউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন। তার দুই ছেলে মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির এবং হৃদয় হোসেন ওরফে ফর্মা হৃদয়ের বিরুদ্ধে এলাকায় বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে ধর্ষণের মতো গুরুতর মামলাও চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদের মধ্যে মৃত মতিউর রহমানের বড় ছেলে মাহাবুব হোসেন সামির সাভার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি সাভার পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান অভি এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পলাতক কাউন্সিলর সেলিম মিয়ার অনুসারী হিসেবে কাজ করতেন বলে স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, ছোট ছেলে হৃদয় হোসেন ওরফে ফর্মা হৃদয় পলাতক সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের শ্যালক এবং সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম রুবেলের ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, পলাতক মাজহারুল ইসলাম রুবেলের হয়ে প্রাইভেট কারে মঞ্জুরুল আলম রাজীবের মালিকানাধীন ‘এই বাংলা’ নামে একটি কথিত পত্রিকার স্টিকার লাগিয়ে হৃদয় মাদক ও অস্ত্র বহন করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তিনি এলাকায় পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

তার বাবা মতিউর রহমানও জীবিত থাকা অবস্থায় পুলিশের সোর্স হিসেবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে সংগঠিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মৃত মতিউর রহমান, তার বড় ছেলে মাহাবুব হোসেন সামির ও হৃদয় হোসেন সংঘবদ্ধভাবে বিএনপি, জামায়াত এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বাড়িঘর দেখিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সোর্স পরিচয়ে পুলিশের ভয় দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করতেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।

সাভার সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সহ-সভাপতি মৃত মতিউর রহমান, তার দুই ছেলে সাভার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ও যুবলীগ কর্মী হৃদয় হোসেন ওরফে ফর্মা হৃদয়—তারা দেওগাঁও, চাঁপাইন ও রাজাশন এলাকায় একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের হোতা হিসেবে তারা কাজ করে আসছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তাদের নিয়ন্ত্রণে একাধিক শক্তিশালী কিশোর গ্যাং রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব গ্যাংয়ের সদস্য সংখ্যা প্রায় দেড় শতাধিক বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

তবে পুরো পরিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততা, ধর্ষণ, আলোচিত রুবেল হত্যা ও জুলাই হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি হয়েও একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেটের ছত্রছায়ায় বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির—এমন অভিযোগ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা। তবে ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততা ও বিভিন্ন অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর ১৯ দিনের মাথায় তাকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

বহিষ্কৃত সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ‘ফেন্সি সামির’কে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন, সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদ পাওয়া এবং পরবর্তীতে বহিষ্কারের ঘটনা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ, পরে ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়া এবং অল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে সাভারের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা আলোচনা।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্র ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাহাবুব হোসেন সামির সাভার পৌর ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি সাভার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলেও স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অবস্থায় সাভার পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আতাউর রহমান অভির অনুসারী হিসেবে কাজ করতেন বলেও স্থানীয় নেতাকর্মীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাহাবুব সামির নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করেন বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতার অভিযোগ। একপর্যায়ে সাভারের একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেটের মধ্যস্থতায় ১ কোটি ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে সাভার থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের পদ পান বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তার অতীত রাজনৈতিক পরিচয়, জুলাই আন্দোলন ঘিরে অভিযোগ এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে শুরু থেকেই প্রশ্ন ছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

ছাত্রদলের পদ পাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তার বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতা, জোরপূর্বক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, কিশোর অপহরণ ও নির্মম নির্যাতন, রিকশা গ্যারেজে হামলা ও লুটপাট, চাঁদাবাজি, জমি, ফ্ল্যাট ও বাড়ি দখল, মাদক ব্যবসা পরিচালনা এবং কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যদের দিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের দাবি, অভিযুক্ত মাহাবুব হোসেন সামিরকে মাত্র ১৯ দিনের মধ্যেই বহিষ্কার করা হয়েছে। তার সঙ্গে এখন আর ছাত্রদলের কোনো সম্পর্ক নেই। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ভুক্তভোগীদের দায়ের করা অভিযোগগুলোতে বলা হয়েছে, এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিং, মাদকের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে আলোচিত রুবেল হত্যা, সনাতন ধর্মাবলম্বী রিপন ঋষি দাসকে অপহরণ ও নির্মম নির্যাতন, চাঁপাইন, দেওগাঁও ও রাজাশন এলাকায় সামির ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি, ফ্ল্যাট ও বাড়ি দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা, ভাঙচুর এবং জোরপূর্বক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ রয়েছে। একাধিক অভিযোগ ও মামলার নথিতে তার ভাই হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’সহ পরিবারের অন্য সদস্যদের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দেওগাঁও এলাকায় আধিপত্য ধরে রাখতে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, এলাকার বিভিন্ন স্থানজুড়ে এবং প্রায় ৪ কিলোমিটার এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে মানুষের চলাচল নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগের সঙ্গে ফেন্সি সামির ও ফর্মা হৃদয়ের নাম স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনায় রয়েছে। তবে দুই ভাই বর্তমানে কারাগারে থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অপকর্মের সহযোগীরাও পুলিশের ভয়ে গা-ঢাকা দিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

অন্যদিকে, ফেন্সি সামিরের ভাই হৃদয় হোসেন ওরফে ‘ফর্মা হৃদয়’ দেড় কোটি টাকার হেরোইনসহ গ্রেপ্তারের পর মাদক মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দুই ভাইকে ঘিরে এলাকায় একটি প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে তারা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে।

বর্তমানে মাহাবুব হোসেন সামির কিশোর নির্যাতন ও রিকশা লুটের দুটি মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এর পাশাপাশি আশুলিয়া থানায় দায়ের হওয়া জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলায় (মামলা নং- ৪৫(১১)২৪) মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির ১৫০ নম্বর এবং হৃদয় হোসেন ওরফে ফর্মা হৃদয় ১৪৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

এই হত্যা মামলার বাদী, স্থানীয় একাধিক ভুক্তভোগী, স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সচেতন মহলের দাবি, ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, অতীত ভূমিকা এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

তারা এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাভার সার্কেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম অ্যান্ড অপস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোয়েন্দা শাখা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসবি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার এবং ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির সহযোগিতা কামনা করেছেন।

ফেন্সি সামিরকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও রয়েছে নানা সমালোচনা। একদিকে তার অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রশ্ন, অন্যদিকে ছাত্রদলের পদ পাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে বহিষ্কার এবং একাধিক অভিযোগে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি এখন সাভারের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের সাবেক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র দাবি করেছে, জুলাই আন্দোলনের সময় সাভার মডেল থানার তৎকালীন এসআই সুদীপ কুমার গোপ ও এসআই হারুন অর রশিদ দেওগাঁও এলাকায় মরহুম মতিউর রহমান, মাহাবুব হোসেন সামির ও হৃদয় হোসেনের বাসায় অবস্থান নিয়েছিলেন। সূত্রের দাবি, ওই সময় তাদের ব্যবহৃত দুটি আগ্নেয়াস্ত্র ওই বাসায় রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ওই দুই কর্মকর্তা আর পুলিশে যোগদান করেননি বলেও দাবি করেছে সূত্রটি।

ওই সূত্রের আরও দাবি, অস্ত্র দুটি এখনো মাহাবুব হোসেন সামির ও তার পরিবারের কাছে রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট বিভাগে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, সবাইকে ম্যানেজ করে আলোচিত দুই মামলায় কারাগারে থাকা মাহাবুব হোসেন সামিরকে ২৫ লাখ টাকার বিনিময়ে জামিনে বের করতে জোর তৎপরতা চলছে।

ভুক্তভোগীদের আশঙ্কা, মাহাবুব হোসেন সামির ওরফে ফেন্সি সামির জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরলে পুনরায় প্রভাব বিস্তার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। এ বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে নিরাপত্তা এবং প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানায় দায়ের হওয়া জুলাই আন্দোলনের হত্যা মামলা নং-৪৫ (১১)২৪-এর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সোহেল আল মামুন বলেন, “মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এজাহারনামীয় আসামি মাহাবুব হোসেন সামির ও তার ভাই হৃদয় হোসেনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও প্রাপ্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আ. আল মামুন রাসেল বলেন, “কোনো মামলার এজাহারভুক্ত আসামি যদি অন্য মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আইনি সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে কোনো মামলায় গুরুত্বপূর্ণ আসামির জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন হলে এবং তার কাছ থেকে ঘটনার বিষয়ে তথ্য উদঘাটনের সুযোগ থাকলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারেন। এতে মামলার তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে সহায়ক হবে।”

এমএসএম / এমএসএম

বাঁশখালীতে টানা ছয়দিন ধরে বন্যাদুর্গতদের পাশে রেড ক্রিসেন্ট উপজেলা যুব টিম

বাগেরহাটে বিএনপি নেতার মরদেহ উদ্ধার, হত্যা না আত্নহত্যা সঠিক তদন্তের দাবি বিএনপি’র

আদমদীঘি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে চুরি সংঘটিত

মান্দায় এলসিএস শ্রমিক বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মানববন্ধন

হাটহাজারী উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে নিয়মিত দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগ

সিংড়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরের আহ্বান, কাউনিয়ায় বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

শালিখায় আড়পাড়া বাজারে জলবদ্ধতা, চরম দুর্ভোগে শতাধিক পরিবার

মাদারীপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে সভা ও পুরস্কার বিতরণ

নেত্রকোণায় ‘বোধ’ পত্রিকার ৫১২তম সাহিত্য আড্ডা ও কবি তানভীর জাহান চৌধুরীর জন্মদিন উদযাপন

শান্তিগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

কালিহাতীতে ৩৪০ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কোটি টাকার বিনিময়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে ‘ফেন্সি মাহাবুব’, ১৯ দিনেই অব্যাহতি