ঢাকা মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতীয়করণের ৮ বছর পরও জনবল সংকটে ধুঁকছে কর্ণফুলী সরকারি কলেজ


অর্ণব মল্লিক, কাপ্তাই photo অর্ণব মল্লিক, কাপ্তাই
প্রকাশিত: ১৬-৭-২০২৬ দুপুর ১:৫৬

জাতীয়করণের দীর্ঘ আট বছর পেরিয়ে গেলেও তীব্র জনবল ও শিক্ষক সংকটে ভুগছে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কর্ণফুলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ। প্রায় ২ হাজার শিক্ষার্থীর এই বিশাল বিদ্যাপীঠে বর্তমানে সরকারিভাবে কর্মরত আছেন শিক্ষকসহ মাত্র ১৬ জন। ফলে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। সরকারি নিয়োগ পাওয়া মাত্র ১২ জন শিক্ষক, ১ জন লাইব্রেরীয়ান, ১ জন শরীরবচর্চা শিক্ষক ও ২ অফিস সহায়ক ছাড়া বাকী পদগুলো শূন্য পড়ে রয়েছে। তবে কলেজ কতৃপক্ষ নিজস্ব অর্থায়নে কিছু সংখ্যক খন্ডকালীন শিক্ষক ও অফিস সহায়ক দিয়ে কোনভাবে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের ব্যয় বহন করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কলেজ কতৃপক্ষের। 

​কলেজ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে সরকারের বিশেষ সিদ্ধান্তের অধীনে সারা দেশে যে ৩০০টি কলেজকে জাতীয়করণ (সরকারি) করা হয়েছিল, তার মধ্যে কর্ণফুলী ডিগ্রি কলেজও ছিল। জাতীয়করণের ওই সময়েই কলেজটির জন্য ৪১টি পদ অনুমোদনের (আত্তীকরণ) প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দীর্ঘ সময় পার হলেও সেই ৪১টি পদের আত্তীকরণ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া আজ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। যার ফলে বিশাল এই শিক্ষার্থীর সংখ্যার বিপরীতে এই সামান্য জনবল দিয়ে প্রতিদিনের ক্লাস ও দাপ্তরিক কাজ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মরত শিক্ষকরা।

এবিষয়ে কথা হলে কর্ণফুলী সরকারি ডিগ্রি কলেজ এর অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সিরাজ উদ্দীন জানান, ২০১৮ সালে কলেজ সরকারি হওয়ার পর আমরা আশার আলো দেখেছিলাম। কিন্তু ৪১টি পদের নিয়োগ আটকে থাকায় কলেজটির দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাতে বেশ সমস্যা হচ্ছে। বিশেষ করে খন্ডকালীন কিছু শিক্ষক ও অফিস সহায়কদের দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাদের মাসিক বেতন দিতে প্রতি মাসে প্রায় ২ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হচ্ছে। যার সম্পূর্ণ অর্থ কলেজ কতৃপক্ষকে বহন করতে হচ্ছে। সেইসাথে পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষক পাওয়া অনেকটা সমস্যা। আর বাইরে থেকে শিক্ষক এনে ক্লাস চালাতে গেলেও অনেক টাকা ব্যয় হয়ে থাকে। এদিকে কলেজের অধিকাংশ শিক্ষক-কর্মচারী পিআরএল বা অবসরে চলে যাওয়াতে বর্তমানে মাত্র ১২ জন শিক্ষক, ১ জন লাইব্রেরীয়ান, ১ জন শরীরবচর্চা শিক্ষক, ২ অফিস সহায়ক ছাড়া বাকী পদগুলো শূন্য পড়ে রয়েছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রনালয় কতৃক এসব শূন্যপদ পূরণে উদ্যোগ গ্রহন না করার ফলে প্রতিষ্ঠানের পড়ালেখা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এইসব পদে খন্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ দিতে হচ্ছে। এতে প্রাতিষ্ঠানিক অনেক অর্থ খরচ হচ্ছে। যা সরকারি হয়েও শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং জনগণ এর সুফল পাচ্ছে না।
বর্তমানে যেই ১২ জন শিক্ষক সরকারিভাবে কলেজে রয়েছে। তাদের মধ্যে ২ জন শিক্ষক আগামী আগষ্ট মাসে অবসরে চলে যাবেন। এতে কলেজের কার্যক্রম আরো থমকে পড়বে। তাই এই সমস্যা দ্রুত নিরসনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহ সরকারের সহযোগিতার প্রয়োজন। 

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা বলছেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রধান ভরসা এই কলেজটি। কিন্তু বছরের পর বছর প্রয়োজনীয় শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দ্রুত এই ৪১টি পদের জটিলতা নিরসন করে নিয়োগ দেওয়া না হলে অঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

এমএসএম / এমএসএম

চিতলমারীতে সাক্ষরতা দিবসের আলোচনা: ‘শুধু পড়া-লেখা নয়, দক্ষ নাগরিক গড়াই লক্ষ্য’

মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হলদে পাখি ও গার্লস গাইড গঠন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বারহাট্টায় সারের দোকানে অনিয়ম, ছয় ব্যবসায়ীকে জরিমানা

মেঘনা উপজেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন ড. খন্দকার মারুফ হোসেন

অ‌বৈধভাবে বালু উ‌ত্তোলন করায় ১ লাখ টাকা জ‌রিমানা

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন

নওগাঁ পরিবেশ উন্নয়ন সংস্থার দুই বছর মেয়াদি নতুন কমিটি অনুমোদন : সভাপতি ফারুক হোসেন, সম্পাদক বেলাল

গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও মাঠে সারের হাহাকার: সরবরাহ শৃঙ্খলে গলদ ও চাহিদার গরমিল

দাউদকান্দিতে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের বাস খাদে, আহত ২০

ভূরুঙ্গামারীতে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

মনপুরায় আড়াই কেজি ওজনের রাজা ইলিশের দাম ১৫ হাজার টাকা

প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে এগিয়ে যাচ্ছে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদযাপন