ঢাকা সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

বন্যায় পটিয়ার মাছের ঘের-খামারে বিপর্যয়, ক্ষতি ৬ কোটি টাকার বেশি


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি photo পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১-৭-২০২৬ দুপুর ১১:৪৭

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি মাছের পুকুর, ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক ডেইরি খামার। প্রাথমিক হিসাবে দুই খাত মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ ৬ কোটি টাকারও বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে শোভনদণ্ডী, ছনহরা, ভাটিখাইন, খরনা, আশিয়া, কাশিয়াইশ, কুসুমপুরা ও পৌরসভা এলাকার মাছচাষিদের পুকুর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কেলিশহর, হাইদগাঁও, ধলঘাট ও দক্ষিণ ভূর্ষি এলাকার পোনা উৎপাদনকারী খামারও পানিতে তলিয়ে যায়। এতে মৎস্য খাতে আনুমানিক ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শোভনদণ্ডী এলাকার মাছচাষি মো. লোকমান জানান, ব্যাংকঋণ নিয়ে তিনি অর্ধশতাধিক পুকুরে মাছ চাষ করছিলেন। বন্যার পানিতে তাঁর ১৫টি পুকুর সম্পূর্ণ তলিয়ে গিয়ে ৫০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এতে খামার পরিচালনা এবং কর্মচারীদের বেতন দেওয়া নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
এ বিষয়ে পটিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে বলেন, “টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পটিয়ায় আনুমানিক ১,৪০০টি পুকুর ডুবে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছি। তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর পর সরকার বরাদ্দ দিলে ক্ষতিগ্রস্তরা সহায়তা পাবেন।”
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, পটিয়ায় ৩০০টির বেশি ছোট-বড় ডেইরি খামার রয়েছে। বন্যার পানিতে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাস নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দুধ উৎপাদন কমে গেছে। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উৎপাদিত দুধ বাজারজাত করা সম্ভব হয়নি, ফলে বিপুল পরিমাণ দুধ নষ্ট হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে গবাদিপশু মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
পটিয়া ডেইরি খামার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রাসেল বলেন, বাজারে প্রতি লিটার দুধের দাম ৮০ টাকা হলেও অনেক খামারি ৩০ থেকে ৪০ টাকাতেও দুধ বিক্রি করতে পারেননি। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুধ বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পুনর্বাসনে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে প্রাথমিকভাবে ৩ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা সম্পন্ন হলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—উভয় খাতের খামারিদের দাবি, দ্রুত সরকারি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া না হলে অনেকেই খামার টিকিয়ে রাখতে পারবেন না এবং মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়বেন।

Aminur / Aminur

তারাগঞ্জে বিভিন্ন কর্মসূচিতে এমপি ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা

বিতর্কিত এসআই নেয়ামতের বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

গৌরনদীতে গভীর রাতে সৌদি প্রবাসীর বাড়ির দেয়াল ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর

রূপসার ফখরুল হত্যার ঘটনায় ‘কাটাপ্পা’ গ্রেপ্তার

কাছাইট গ্রামের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান মহারাজ আর নেই

শিক্ষার্থীদের বইমুখী করতে পেকুয়ায় গ্রন্থপাঠ কার্যক্রম

অভয়নগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপন, চার চাষিকে পুরস্কার

শ্রীনগরে মদ্যপ অবস্থায় কৃষক দল নেতার নাচগানের ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালীতে ‘জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ছয় দফা দাবিতে দুই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন-সহস্রাধিক শিক্ষার্থী-অভিভাবকের অংশগ্রহণ

উলিপুরে জাতীয় মৎস পক্ষের উদ্বোধন

মাছের পোনা অবমুক্তকরণের মাধ্যমে গোপালগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন

চরম অনিশ্চয়তায় কাটছে কিশোর রাহুলের জীবন