ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বন্যায় পটিয়ার মাছের ঘের-খামারে বিপর্যয়, ক্ষতি ৬ কোটি টাকার বেশি


পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি photo পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১-৭-২০২৬ দুপুর ১১:৪৭

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে গেছে প্রায় ১ হাজার ৪০০টি মাছের পুকুর, ভেসে গেছে কোটি টাকার মাছ। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শতাধিক ডেইরি খামার। প্রাথমিক হিসাবে দুই খাত মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ ৬ কোটি টাকারও বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে শোভনদণ্ডী, ছনহরা, ভাটিখাইন, খরনা, আশিয়া, কাশিয়াইশ, কুসুমপুরা ও পৌরসভা এলাকার মাছচাষিদের পুকুর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া কেলিশহর, হাইদগাঁও, ধলঘাট ও দক্ষিণ ভূর্ষি এলাকার পোনা উৎপাদনকারী খামারও পানিতে তলিয়ে যায়। এতে মৎস্য খাতে আনুমানিক ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
শোভনদণ্ডী এলাকার মাছচাষি মো. লোকমান জানান, ব্যাংকঋণ নিয়ে তিনি অর্ধশতাধিক পুকুরে মাছ চাষ করছিলেন। বন্যার পানিতে তাঁর ১৫টি পুকুর সম্পূর্ণ তলিয়ে গিয়ে ৫০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে। এতে খামার পরিচালনা এবং কর্মচারীদের বেতন দেওয়া নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
এ বিষয়ে পটিয়া সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে বলেন, “টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পটিয়ায় আনুমানিক ১,৪০০টি পুকুর ডুবে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। আমরা ইউনিয়নভিত্তিক ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করছি। তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর পর সরকার বরাদ্দ দিলে ক্ষতিগ্রস্তরা সহায়তা পাবেন।”
এদিকে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, পটিয়ায় ৩০০টির বেশি ছোট-বড় ডেইরি খামার রয়েছে। বন্যার পানিতে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাস নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় দুধ উৎপাদন কমে গেছে। অনেক এলাকায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় উৎপাদিত দুধ বাজারজাত করা সম্ভব হয়নি, ফলে বিপুল পরিমাণ দুধ নষ্ট হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে গবাদিপশু মারা যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
পটিয়া ডেইরি খামার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ রাসেল বলেন, বাজারে প্রতি লিটার দুধের দাম ৮০ টাকা হলেও অনেক খামারি ৩০ থেকে ৪০ টাকাতেও দুধ বিক্রি করতে পারেননি। যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুধ বাজারে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পুনর্বাসনে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রয়োজন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে প্রাথমিকভাবে ৩ কোটি টাকার বেশি ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলছে। তালিকা সম্পন্ন হলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ—উভয় খাতের খামারিদের দাবি, দ্রুত সরকারি আর্থিক সহায়তা ও পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া না হলে অনেকেই খামার টিকিয়ে রাখতে পারবেন না এবং মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়বেন।

Aminur / Aminur

জেলা বিএনপির সদস্য ফারুক আহমেদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

সাভারে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা

মুকসুদপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

চাঁদপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ক্লাস বর্জন

অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে রেল প্রতিমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ

আদমদীঘিতে ৬টি পুকুরে ২৮৬ কেজি মাছ অবমুক্ত করলেন এমপি মহিত তালুকদার

বাকৃবিতে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও এগ্রিবিজনেস শিক্ষা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রকল্প

তিস্তা সমবায় সমিতির অনিয়ম প্রকাশে মামলা: মামলা প্রত্যাহার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

দুমকীতে কলেজ মাঠ থেকে মেশিনগানের কার্তুজ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

ঢাবি’র নবীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল

গোদাগাড়ীতে সীমানা পিলার উপড়ে বসতভিটা দখলের চেষ্টা, থানায় জিডি

পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের আহ্বান রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির