ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজারহাটে নষ্ট সুপারিতেও মিলছে বাড়তি আয়ের সুযোগ


রাজারহাট প্রতিনিধি photo রাজারহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৮-২০২৬ দুপুর ১:৩১

একসময় পোকায় খাওয়া, ঝড়ে পড়ে যাওয়া কিংবা পচে নষ্ট হওয়া সুপারি কৃষকের কোনো কাজে আসত না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব সুপারি ফেলে দেওয়া হতো। তবে সময়ের সাথে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন নষ্ট সুপারি সংগ্রহ,প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করে বাড়তি আয় করছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাটের কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।একই সঙ্গে এই কার্যক্রমকে ঘিরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদের।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে পচা বা ঝড়ে পড়ে যাওয়া সুপারি ফেলে দেওয়া হলেও বর্তমানে সেগুলো আলাদাভাবে সংগ্রহ করে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি নষ্ট সুপারি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় মৌসুম শেষে কৃষকেরা বাড়তি আয় করতে পারছেন।

একজন কৃষক বলেন, আগে নষ্ট সুপারি ফেলে দিতাম। এখন আলাদা করে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে বিক্রি করি। প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দাম পাই। এতে আমাদের বাড়তি আয় হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে নষ্ট সুপারি সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় সরবরাহ করা হয়। এসব সুপারি রং, কয়েলসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্য তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি কিছু সুপারি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও পাঠানো হচ্ছে বলে জানান তারা।

ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন,প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ টন নষ্ট সুপারি দেশের বিভিন্ন জেলা ও ভারতে পাঠাই। এতে গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হয়।কৃষকরাও নষ্ট সুপারি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন।

নষ্ট সুপারি সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। বাছাই,পরিষ্কার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে শতাধিক নারী ও পুরুষ যুক্ত রয়েছেন। তারা প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মজুরি পেয়ে পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছেন।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন,কৃষিপণ্যের প্রতিটি অংশের অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি কমবে অপচয়। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা.নাহিদা আফরিন বলেন, নষ্ট সুপারি সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণের উদ্যোগ কৃষকের আয় বাড়াচ্ছে,অপচয় কমাচ্ছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষিপণ্যের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ উদ্যোগ একদিকে যেমন পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে, অন্যদিকে কৃষকদের জন্য তৈরি করছে বিকল্প আয়ের সুযোগ। যথাযথ পরিকল্পনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা ও বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে ভবিষ্যতে নষ্ট সুপারি কেন্দ্রিক এ খাত আরও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে।

এমএসএম / এমএসএম

হাকিমপুরে সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানাভুক্তসহ ৫ আসামি গ্রেপ্তার

ভুয়া খারিজ-ডিসিআর দিয়ে খতিয়ান খোলার চেষ্টা, আটক ব্যক্তি মুচলেকায় মুক্ত—মূল অপরাধী অধরা

দেবিদ্বারে মা ও আট মাসের ভাতিজিকে হত্যার অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক আটক

বারহাট্টায় আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি পরিদর্শন করলেন এমপি আনোয়ারুল হক

গাজীপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

মাদক, জুয়া ও ইভটিজিংয়ে জড়িতরা সমাজের শত্রু, তাদের ছাড় নয়: এমপি আব্দুল মহিত তালুকদার

তজুমদ্দিনে কোস্টগার্ডের অভিযানে আগ্নেয় অস্ত্র সহ তিন ডাকাত আটক

উদ্বোধনের সাড়ে চার বছর পরও বন্ধ হাটহাজারী ট্রমা সেন্টার

নালিতাবাড়ীতে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের অভিযোগ

পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে উলিপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাট থানার নবাগত ওসি সাথে ঘোড়াঘাট প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা

ত্রিশালের পাঁচ স্কুলে নাটকের মাধ্যমে পাঠদান জাককানইবির শিক্ষার্থীদের‎

সাভা‌রের রাজফুলবাড়ীয়া ভূমি অফিস ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম ও দুর্নীতির আখড়া