ঢাকা শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

রাজারহাটে নষ্ট সুপারিতেও মিলছে বাড়তি আয়ের সুযোগ


রাজারহাট প্রতিনিধি photo রাজারহাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১-৮-২০২৬ দুপুর ১:৩১

একসময় পোকায় খাওয়া, ঝড়ে পড়ে যাওয়া কিংবা পচে নষ্ট হওয়া সুপারি কৃষকের কোনো কাজে আসত না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব সুপারি ফেলে দেওয়া হতো। তবে সময়ের সাথে বদলে গেছে সেই চিত্র। এখন নষ্ট সুপারি সংগ্রহ,প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাত করে বাড়তি আয় করছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাটের কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।একই সঙ্গে এই কার্যক্রমকে ঘিরে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে স্থানীয় শ্রমিকদের।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে পচা বা ঝড়ে পড়ে যাওয়া সুপারি ফেলে দেওয়া হলেও বর্তমানে সেগুলো আলাদাভাবে সংগ্রহ করে বিক্রি করা হচ্ছে। প্রতি কেজি নষ্ট সুপারি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় মৌসুম শেষে কৃষকেরা বাড়তি আয় করতে পারছেন।

একজন কৃষক বলেন, আগে নষ্ট সুপারি ফেলে দিতাম। এখন আলাদা করে সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে বিক্রি করি। প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা দাম পাই। এতে আমাদের বাড়তি আয় হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, কুড়িগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে নষ্ট সুপারি সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় সরবরাহ করা হয়। এসব সুপারি রং, কয়েলসহ বিভিন্ন রাসায়নিক পণ্য তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি কিছু সুপারি প্রতিবেশী দেশ ভারতেও পাঠানো হচ্ছে বলে জানান তারা।

ব্যবসায়ী সুজন মিয়া বলেন,প্রতি মাসে ৩০ থেকে ৩৫ টন নষ্ট সুপারি দেশের বিভিন্ন জেলা ও ভারতে পাঠাই। এতে গড়ে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা লাভ হয়।কৃষকরাও নষ্ট সুপারি বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন।

নষ্ট সুপারি সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। বাছাই,পরিষ্কার ও প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজে শতাধিক নারী ও পুরুষ যুক্ত রয়েছেন। তারা প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা মজুরি পেয়ে পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখছেন।

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন,কৃষিপণ্যের প্রতিটি অংশের অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে কৃষকের আয় বাড়ার পাশাপাশি কমবে অপচয়। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা.নাহিদা আফরিন বলেন, নষ্ট সুপারি সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণের উদ্যোগ কৃষকের আয় বাড়াচ্ছে,অপচয় কমাচ্ছে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষিপণ্যের বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তরের এ উদ্যোগ একদিকে যেমন পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রাখছে, অন্যদিকে কৃষকদের জন্য তৈরি করছে বিকল্প আয়ের সুযোগ। যথাযথ পরিকল্পনা, প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা ও বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে ভবিষ্যতে নষ্ট সুপারি কেন্দ্রিক এ খাত আরও সম্ভাবনাময় হয়ে উঠতে পারে।

এমএসএম / এমএসএম

বরিশালে গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা

আনোয়ারায় বিএনপি নেতার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

বিডি ক্লিনের উদ্যোগে বাবুগঞ্জ ইউএনও কার্যালয় চত্বর পরিচ্ছন্নতা অভিযান

মনোহরগঞ্জে দুই যুগ পর মিলল অক্ষত মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য

রাজারহাটে নষ্ট সুপারিতেও মিলছে বাড়তি আয়ের সুযোগ

দেশপ্রেমসহ সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পাবনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালানো হলে লোকসান হবেনা এমনকি চলাচল বন্ধও হবেনা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ: চিকিৎসকদের শঙ্কা আসন্ন ভয়াবহ পরিস্থিতির

অবহেলায় হারাতে বসেছে মগনামার শতবর্ষী জমিদার বাড়ির ঐতিহ্য

অতিরিক্ত’র ভারে আক্রান্ত চসিক, সেবা বিঘ্নিত!

কুড়িগ্রামে এনসিপির মিছিলে হামলাকারীদের বিচার হবে, এমপি ড. আতিক মুজাহিদ

পূর্ববিরোধ ও কলা চুরির প্রতিবাদ করায় এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা

চন্দনাইশে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান বার্ষিকী’ উপলক্ষে জামায়াতের গনমিছিল ও আলোচনা সভা

শেরপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সদর উপজেলায় বৃক্ষরোপণ