ত্রিশালে শিক্ষক শূণ্যতায় ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় প্রধান ও সহকারী শিক্ষক শূণ্যতায় ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, ত্রিশাল সূত্রে জানা যায়,ত্রিশাল উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ১৮১ টি। ১৮১ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূণ্য আছে ১১০টি। তন্মধ্যে ৩৫ জন সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। ৭৫ টি প্রতিষ্ঠান চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। অর্থাৎ ১৮ জুন ২০২৬ তারিখের হিসাব অনুযায়ী বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ আছে ৭৫ টি এবং সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদ আছে ৫৪ টি।
সর্বমোট ১২৯ টি পদ শূন্য রয়েছে। ফলে এতগুলো শিক্ষকের শূণ্যতার কারণে পাঠদানে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে বালিপাড়ার বিয়ারা পাটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র অভিভাবক পরিচয়দানকারী মোঃ মোখলেছুর রহমান বলেন,এখানে ২ জন শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।শূন্য শিক্ষকের অতিরিক্ত ক্লাসগুলো পালাক্রমে নেওয়ার কারণে সহকারী শিক্ষকদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটছে।ফলে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
তাই যতদ্রুত সম্ভব শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া সহজতর করে শিক্ষক ঘাটতি মেটানো প্রয়োজন। এব্যাপারে বিয়ারা পাটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার বলেন,তার প্রতিষ্ঠানে ৭ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও শিক্ষক আছেন ৫ জন।এর মাঝেই তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।
৭ জন শিক্ষক থাকলে যে আয়েশে ক্লাস নেওয়া যেতো এখন তা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তা নিজদের জন্য কষ্টকর হলেও শিক্ষার্থীদের ক্লাসের ঘাটতি হচ্ছে না বলে জানান।আউলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরেকজন অভিভাবক মমতাজ বেগম তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠদানের জন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে আরো একাধিক শিক্ষক বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। বছরের যেকোন সময়ে শিক্ষক ঘাটতি পূরণ করার জন্য শিক্ষক পুল তৈরি করা প্রয়োজন। তবেই এ সমস্যা সমাধান করা যাবে।
আউলটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সারোয়ার জাহান বলেন,আমার প্রতিষ্ঠানে ৭ জন শিক্ষকের মাঝে প্রধান শিক্ষক অবসরে গেলে আমার উপর দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। অবসর গ্রহণ এবং শূণ্যতা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। কোন কোন প্রতিষ্ঠানে একই সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে একাধিক শিক্ষক অবসরে গেলেও আমাদের ক্লাস চালিয়ে নিতে হয়।
তবে যতদ্রুত সরকারি প্রক্রিয়ায় শূণ্যস্থান পূরণ করা হবে ততদ্রুত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নীলুফার হাকিম বলেন,সরকারি বিধিমালায় অবসর গ্রহণের পর পদ শূণ্য হওয়া,পদোন্নতি এবং শূণ্যপদে নিয়োগ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি মামলাজনিত কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আবার চালু হওয়ার কারণে ৩৫ জন শিক্ষক পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে চলতি দায়িত্ব পালন করছেন।
বাকী ৭৫ জনের মাঝেও অধিকাংশই পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পাবেন।কোন কোন প্রতিষ্ঠানে এক বা একাধিক
শিক্ষক না থাকায় এবং ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে শিক্ষকদের অতিরিক্ত ক্লাস নেওয়ার দরকার পরে। এতে শিক্ষকদের চাপ বাড়লেও ক্লাস ব্যাহত হওয়ার কথা নয়।তিনি অভিভাবকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমাদের শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ সর্বদা স্কুলগুলো ভিজিট এবং মনিটরিং করেন।
ভিজিটে এমন কিছু আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়নি বলে তিনি দাবী করেন।তবে তিনি সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের শূণ্য পদগুলো যতদ্রুত সম্ভব পূরণ করার দাবী জানান।
এমএসএম / এমএসএম
বাগেরহাটে দাবীকৃত চাঁদা না পাওয়ায় বালু উত্তোলনের পাইপ ভাংচুর
মোরেলগঞ্জে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
গুরুদাসপুরে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ৯ জন আটক
ত্রিশালে শিক্ষক শূণ্যতায় ব্যাহত প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম
টঙ্গীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৪ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ
সোনারগাঁয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
কাপ্তাই হ্রদের পানিতে তলিয়ে গেছে ঝুলন্ত সেতু, পর্যটকদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
তীব্র যানজটে চার ঘণ্টা আটকে অ্যাম্বুলেন্সে রোগীর মৃত্যু
বাল্কহেডে চাঁদা দাবি, না পেয়ে মারধর, টাকা ও মালামাল লুটের অভিযোগ কথিত নেতা রাসেদের বিরুদ্ধে
শ্বশুরবাড়ির লোকদের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ পরিবারের
মান্দায় বিতর্কিত ইউএনও পদন্নোতিতে সুশীল সমাজের ক্ষোভ:বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
মনপুরায় হাসপাতালের ময়লা পরিষ্কারে অর্ধশতাধিক যুবদল নেতাকর্মী