কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
প্রাচীনকাল থেকে বেকারত্ব একটি জটিল সমস্যা হিসেবে সমাজে বিদ্যমান ছিল।তবে আধুনিক অর্থনৈতিক নীতিমালা ও বৈশ্বিক বাজারের প্রভাবে এর মাত্রা ও প্রভাব অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।বর্তমান বিশ্বে অর্থনৈতিক অস্থিরতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং বিশ্বায়নের প্রভাবের ফলে বেকারত্ব একটি জটিল ও বহুমুখী সমস্যা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। আমাদের দেশে ও বৈশ্বিক পরিসরে বেকারত্বের হার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর প্রভাব শুধু অর্থনীতিতে নয়, সামাজিক ও মানসিক জীবনে গভীর দাগ ফেলছে। এই প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, নতুন বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান ঋণ পরিশোধে সমস্যায় পড়ছে এবং বিপুল কর্মসংস্থান হারিয়েছে। সরকার সংস্কার ও অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নিলেও উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান ফিরিয়ে আনতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন।জ্বালানি সংকটই বর্তমানে বিনিয়োগ ও শিল্প উৎপাদনের বড় বাধা। তাই নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী গ্যাস-বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে গ্যাসের উৎস বহুমুখীকরণ, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, বিদ্যমান বিদ্যুৎকেন্দ্রের পূর্ণ ব্যবহার এবং প্রয়োজনে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়াতে হবে। পাশাপাশি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, আঞ্চলিক বিদ্যুৎ সংযোগ ও যৌথ উৎপাদনসহ দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তার উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি, যেখানে চীন গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে। জ্বালানি নীতিকে শিল্পনীতির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ভরযোগ্য জ্বালানি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে, জ্বালানি সংকট দ্রুত সমাধান সম্ভব নয়-এ ধরনের নেতিবাচক সরকারি বক্তব্য এড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখা জরুরি।
আমাদের উচিত সামরিক জোটের পরিবর্তে ব্রিকস ও বিমসটেকের মতো অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া। এলডিসি উত্তরণের সময় উন্নয়ন ও অবকাঠামো অর্থায়ন, নতুন বাজার, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বেশি জরুরি। ব্রিকস ও নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এসব ক্ষেত্রে সুযোগ দিতে পারে। সামরিক জোটে যুক্ত হলে বাংলাদেশের ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়তে পারে এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জটিল হতে পারে। তাই ভূরাজনৈতিক মেরূকরণের বদলে অর্থনৈতিক সংহতি ও আঞ্চলিক সহযোগিতাই বাংলাদেশের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক কূটনীতিকে জাতীয় অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধু বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করলেই হবে না; কূটনৈতিক মিশনগুলোকে সক্রিয়ভাবে বিনিয়োগ, রপ্তানি, প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে আনতে হবে। সরকার পরিবর্তন হলেও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থে অর্থনৈতিক কূটনীতি অব্যাহত রাখতে হবে। তাই রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের স্পষ্ট অর্থনৈতিক লক্ষ্য দিয়ে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছে সক্রিয়ভাবে পৌঁছানোর দায়িত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রদূত ও অর্থনৈতিক কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী সংগঠন, বিনিয়োগ তহবিল ও প্রবাসী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কের সঙ্গে নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি যোগাযোগ রাখতে হবে। প্রয়োজনে কূটনৈতিক কর্মকর্তাদের সরাসরি বিনিয়োগ ও বাণিজ্য আকর্ষণের কাজে যুক্ত করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতির মূল্যায়ন হতে হবে ফলাফলের ভিত্তিতে-কত বিনিয়োগ এসেছে, নতুন বাজার তৈরি হয়েছে, প্রযুক্তি ও পুঁজির সংযোগ ঘটেছে এবং কত কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে-এসবকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতির অন্যতম লক্ষ্য হওয়া উচিত রপ্তানি বহুমুখীকরণ। এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উৎপাদনশীলতা, প্রযুক্তি, গুণগত মান ও উদ্ভাবনের ওপর নির্ভর করবে।
তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, চামড়া-পাদুকা, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, হালকা প্রকৌশল, ইলেকট্রনিকস, আইটি, জাহাজ নির্মাণ ও উদীয়মান প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ ও বাজার খুঁজতে হবে। সেমিকন্ডাক্টর খাতে সাম্প্রতিক প্রণোদনা ইতিবাচক। বৈদেশিক বিনিয়োগ শুধু পুঁজি নয়; এর মাধ্যমে প্রযুক্তি, দক্ষতা, আন্তর্জাতিক মান ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়। তাই দেশকে শুধু স্বল্পমূল্যের উৎপাদনকেন্দ্র না রেখে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদন ও প্রযুক্তি কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিতে হবে। তবে ভৌগোলিক ও জনমিতিক সুবিধার পাশাপাশি ভিয়েতনাম, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া ও ইথিওপিয়ার মতো প্রতিযোগীদের সঙ্গে টিকে থাকতে সরকার, বিনিয়োগ সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনের সমন্বিত উদ্যোগে আন্তর্জাতিক পুঁজি আকর্ষণ করতে হবে।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ২৪ হাজার। এর মধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৮ লাখ ৮৫ হাজার। অর্থাৎ দেশের মোট বেকারের একটি বড় অংশই উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে চাকরির বাজারে প্রবেশ করার অপেক্ষায় থাকা তরুণ। প্রাতিষ্ঠানিক ও একাডেমিক শিক্ষা শেষ করে এসব তরুণের কর্মজীবনে প্রবেশ করার কথা থাকলেও চাকরির বাজারে পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তাদের অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে বেকার থাকছেন। আবার প্রতি বছরই বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে আরো বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠী। ফলে শিক্ষিত বেকার কমার পরিবর্তে শ্রমবাজারে তৈরি হচ্ছে নতুন চাপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা ব্যবস্থা ও শ্রমবাজারের চাহিদার মধ্যে এ ব্যবধান যত বাড়ছে, কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জও তত জটিল হচ্ছে। শুধু নতুন চাকরি সৃষ্টি করলেই সমস্যার সমাধান হবে না; সেই চাকরির জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা এবং চাকরিপ্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যেও সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে হবে।
কর্মসংস্থান তো আর হঠাৎ করেই হবে না, এর সঙ্গে পুরো ইকো সিস্টেম উন্নত করতে হবে। সেক্ষেত্রে কর্মসংস্থান যেমন বাড়াতে হবে, তেমনি শ্রমিকের চাহিদাও বাড়াতে হবে। শ্রমিকের চাহিদা বাড়লে কর্মসংস্থানও বাড়বে। একই সঙ্গে দক্ষতা বাড়ানো, স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম, আপ-স্কিলিং, রি-স্কিলিং করতে হবে। এদিকে দেশের অর্থনীতিতে সেবা খাতের অবদান ও আকার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের সেবা খাতের আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এ খাতের আকার ছিল ২৮ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশের সেবা খাতের আকার বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা,যা প্রবৃদ্ধির হিসাবে প্রায় ১১ দশমিক ৫ শতাংশ। তাই স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্কে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে সেবা খাতে। দেশের সেবা খাতের পরিধি দিন দিন বিস্তৃত হলেও এ খাতের বিপুলসংখ্যক কর্মীর কর্মপরিবেশ এখনো শোভন কর্মসংস্থানের মানদণ্ডে পৌঁছতে পারেনি। বাংলাদেশের বাস্তবতায় বেকারত্বের এ আন্তর্জাতিক সংজ্ঞা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ সপ্তাহে মাত্র ১ ঘণ্টা কাজ করে কোনো ব্যক্তির পক্ষে এদেশে জীবনধারণ কিংবা পরিবারের ন্যূনতম ব্যয় নির্বাহ সম্ভব নয়। ফলে কর্মসংস্থানের পরিসংখ্যানে বেকারের সংখ্যা তুলনামূলক কম দেখা গেলেও বাস্তবে পর্যাপ্ত ও উপযুক্ত কাজ না পাওয়া মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। এ ধরনের মানুষদের একটি বড় অংশ ছদ্মবেকার বা অপ্রতুল কর্মসংস্থানে নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত। দেশে পছন্দসই বা প্রয়োজনীয় পরিমাণ কাজ না পাওয়া এমন মানুষের সংখ্যা প্রায় এক কোটি। অর্থাৎ তারা কোনো না কোনোভাবে কর্মে নিয়োজিত থাকলেও তাদের কাজ পর্যাপ্ত নয়, আয় অনিশ্চিত এবং কর্মসংস্থান তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের জন্য যথেষ্ট নয়।
আনুষ্ঠানিক বেকারত্বের হিসাবের বাইরে থাকা বিপুল এ জনগোষ্ঠীও দেশের শ্রমবাজারের একটি বড় সংকটের চিত্র তুলে ধরে।এ পরিস্থিতির মধ্যে দেশের কর্মসংস্থান খাতকে নতুন করে চাপে ফেলছে বহুমুখী অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ।চলতি বছরের মার্চে প্রকাশিত আইএলওর ১৬২ নম্বর ওয়ার্কিং পেপারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণসহ বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কৃষি ও অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মসংস্থান বাড়লেও এর সুফল সব ক্ষেত্রে কর্মীদের জীবনে প্রতিফলিত হচ্ছে না। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপে প্রকৃত মজুরি কমে যাওয়ার পাশাপাশি যুব ও নারী বেকারত্বের মতো কাঠামোগত সংকট আরো প্রকট হয়ে উঠছে।
সরকারের নতুন স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক পরিকল্পনায় আগামী পাঁচ বছরে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমশক্তিকে পর্যায়ক্রমে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু দেশের বিশাল অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারকে আনুষ্ঠানিক কাঠামোয় নিয়ে আসা বাস্তবে অত্যন্ত কঠিন কাজ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে সাম্প্রতিক সময়ে কর্মসংস্থানের বড় অনানুষ্ঠানিক খাতগুলোর একটি হয়ে উঠেছে ত্রিচক্রযানভিত্তিক পরিবহন ব্যবস্থা। অটোরিকশা, ইজিবাইক ও ভ্যানগাড়ি চালিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছেন। এ খাতে ঠিক কতজন কর্মী রয়েছেন, তার কোনো নির্ভরযোগ্য সরকারি হিসাব নেই। তবে রাষ্ট্রায়ত্ত অন্তত দুটি প্রতিষ্ঠানের ধারণা অনুযায়ী, প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মানুষ এ খাতের সঙ্গে জড়িত। আমাদের এখন দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করা জরুরি। দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও নীতিগত স্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি, পূর্বানুমানযোগ্য নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রার প্রাপ্যতা, দক্ষ প্রশাসন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে বিনিয়োগ, রপ্তানি, প্রযুক্তি অংশীদারত্ব ও কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজে বের করার কাজে সক্রিয় করতে হবে। অর্থনৈতিক কূটনীতি বিদেশস্থ মিশনের গৌণ দায়িত্ব না হয়ে অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হওয়া উচিত। বাংলাদেশের মানবসম্পদ, কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থান, উদ্যোক্তা সক্ষমতা ও উৎপাদনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এগুলো কাজে লাগিয়ে টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য দরকার আস্থা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগবান্ধব সুশাসন এবং পেশাদার অর্থনৈতিক কূটনীতি। শুধু বিনিয়োগের প্রয়োজন আছে বললেই বিনিয়োগ আসবে না; দেশীয় পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি বিদেশস্থ মিশনগুলোকে সক্রিয় করে বিশ্ববাজারে বিনিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতা করতে হবে। এই পেশাদার অর্থনৈতিক কূটনীতিই আমাদের অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। আমাদের প্রত্যেকের উচিত সচেতন হয়ে, নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রেখে বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করা। যদি আমরা সবাই মিলে এগিয়ে আসতে পারি, তবে নিশ্চয়ই আগামীদিনে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও কর্মসংস্থান সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সর্বোপরি, বেকারত্ব মোকাবিলায় আমাদের উচিত একসঙ্গে কাজ করা- সরকার, বেসরকারি খাত, সমাজ এবং প্রত্যেক ব্যক্তি যাতে আমরা একটি সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ এবং উন্নত সমাজের স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে পারি।
লেখক: গবেষক ও কলাম লেখক, লন্ডন থেকে
এমএসএম / এমএসএম
নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে এ্যাক্রেডিটেশনের ভূমিকা
কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ
৪১ দিন থেকে ৩০ বছর—নতুন সমঝোতার অপেক্ষায় বাংলাদেশ
আজকের তরুণ প্রজন্ম আগামী বিশ্বের ভবিষ্যৎ
মহাসাধক বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী: অলৌকিক সাধনা ও বিপন্ন মানুষের পরম আশ্রয়
শুভ জন্মাষ্টমী ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ: সম্প্রীতির আলোয় ঘুচুক অন্ধত্ব
জাতীয় সংকটে আস্থার ঠিকানা জিয়া পরিবার
বিএনপির ৪৮ বছরের পথচলা: শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া
ইস্টার্ন রিফাইনারি: ৮ হাজার কোটি থেকে ৩৫ হাজার কোটি—দেড় যুগের অপেক্ষার মূল্য আর কত?
১৪ লাখের বেতন বাড়বে, ১৭ কোটি মানুষের কী হবে?
দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অধিকার আদায়ের আলোকবর্তিকা: বীরউত্তম মেজর জেনারেল সি আর দত্ত
শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ