ঢাকা শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

ইস্টার্ন রিফাইনারি: ৮ হাজার কোটি থেকে ৩৫ হাজার কোটি—দেড় যুগের অপেক্ষার মূল্য আর কত?


মোহাম্মদ আনোয়ার photo মোহাম্মদ আনোয়ার
প্রকাশিত: ২৯-৮-২০২৬ দুপুর ১:৩২

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই—বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি (Eastern Refinery PLC–ERL)-এর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পকে আর একটি সাধারণ উন্নয়ন প্রকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দেশের জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়, সরবরাহ-ঝুঁকি মোকাবিলা এবং দীর্ঘমেয়াদি শিল্প ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত একটি কৌশলগত অবকাঠামো।

জ্বালানি নিরাপত্তা শুধু আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ডিজেল, জেট ফুয়েল বা অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) কিনতে পারার সক্ষমতার নাম নয়। প্রকৃত জ্বালানি নিরাপত্তা হচ্ছে—দেশের নিজস্ব পরিশোধন সক্ষমতা (Refining Capacity) বাড়ানো, একাধিক উৎস থেকে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের সুযোগ তৈরি, পর্যাপ্ত কৌশলগত মজুত (Strategic Storage) গড়ে তোলা এবং বৈশ্বিক সংকটের সময়ও দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার সক্ষমতা অর্জন করা।

প্রশ্ন হচ্ছে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের দেড় যুগেরও বেশি সময় কেন লেগে গেল? আরও বড় প্রশ্ন—আমরা কি আবারও দীর্ঘ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, অর্থায়নের অনিশ্চয়তা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিলতায় আরও কয়েকটি মূল্যবান বছর হারাতে যাচ্ছি?

এই বিলম্বের আর্থিক চিত্রটিও তাৎপর্যপূর্ণ। ২০০৯ সালের ব্যাংকযোগ্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় (Bankable Feasibility Study) ৩০ লাখ মেট্রিক টন বার্ষিক সক্ষমতার ইআরএল-বিএমআরই প্রকল্পের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (SPM)-সহ মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১.১৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৎকালীন বিনিময় হারে এর সমমূল্য ছিল প্রায় ৮ হাজার ২০ কোটি টাকা। অথচ ২০২৫ সালে ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প একনেকে ৩৫ হাজার ৪৬৫ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে অনুমোদিত হয়।

অবশ্য এই পুরো ব্যবধানকে শুধু বিলম্বজনিত ক্ষতি বলা যাবে না। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতি, টাকার অবমূল্যায়ন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, প্রকল্পের পরিধি (Scope) বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব রয়েছে। কিন্তু একটি বিষয় স্পষ্ট—বড় কৌশলগত অবকাঠামো প্রকল্পে সময়েরও একটি বিশাল আর্থিক মূল্য আছে।

বিলম্বেরও মূল্য আছে (Delay Has a Cost)।

ইআরএল বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন অপরিশোধিত তেল শোধনাগার। ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করা এই স্থাপনার বর্তমান সক্ষমতা বছরে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন। দেশের পরিশোধিত জ্বালানি চাহিদার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ ইআরএলের মাধ্যমে পূরণ হয়; অবশিষ্ট প্রায় ৮০ শতাংশই মূলত আমদানিনির্ভর।

এই একটি পরিসংখ্যানই আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতা বোঝানোর জন্য যথেষ্ট।

বিশ্ববাজার স্বাভাবিক থাকলে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য (Finished Petroleum Products) আমদানি তুলনামূলক সহজ। কিন্তু যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, আন্তর্জাতিক পরিবহন ও সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন (Shipping Disruption), শোধনাগারের উৎপাদন বন্ধ হওয়া কিংবা বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেখা দিলে অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা বড় কৌশলগত ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে।

প্রস্তাবিত ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পে বছরে আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন পরিশোধন সক্ষমতা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অর্থাৎ ইআরএল সম্প্রসারণ কেন প্রয়োজন—সে প্রশ্নের উত্তর অনেক আগেই পাওয়া গেছে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, প্রকল্পটি কীভাবে দ্রুত, অর্থনৈতিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বাস্তবায়ন করা যাবে।

প্রথমেই প্রয়োজন ভবিষ্যৎ-উপযোগী নকশা (Future-Ready Design)। নতুন শোধনাগারকে আজকের জ্বালানি মানে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। কারিগরি ও অর্থনৈতিকভাবে সম্ভব হলে ইএন৫৯০ মানের ১০ পিপিএম অতি-নিম্ন সালফারযুক্ত ডিজেল (EN590 10 ppm Ultra-Low-Sulfur Diesel) উৎপাদনের সক্ষমতা নকশার ভিত্তিতেই রাখা উচিত।

প্রস্তাবিত প্রকল্পে ডিজেল হাইড্রোট্রিটিং, হাইড্রোজেন উৎপাদন এবং সালফার রিকভারি সুবিধা রয়েছে। এগুলো ১০ পিপিএম মান নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট কি না, তা ফ্রন্ট-এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন (FEED), ক্রুড অ্যাসে (Crude Assay), প্রসেস সিমুলেশন এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রযুক্তি লাইসেন্সদাতার (Process Licensor) কার্যসম্পাদন নিশ্চয়তার মাধ্যমে যাচাই করতে হবে।

কয়েক বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে শোধনাগার নির্মাণের পর পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনের জন্য আবার ব্যয়বহুল আধুনিকায়ন (Retrofit) করা দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হবে না।

দ্বিতীয়ত, নতুন ইআরএল হতে হবে বহুমুখী অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম (Multi-Crude Flexible Refinery)। বাংলাদেশের কোনো একটি ক্রুড গ্রেড, সরবরাহকারী বা ভৌগোলিক উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হওয়া উচিত নয়। মধ্যপ্রাচ্যের অপরিশোধিত তেলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই লাইট সুইট ক্রুড (WTI Light Sweet Crude)-সহ অন্যান্য সম্ভাব্য উৎস কারিগরি ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরীক্ষা করা যেতে পারে।

তবে কোনো অপরিশোধিত তেল শুধু তার উৎসের কারণে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করা উচিত নয়। সিদ্ধান্তের ভিত্তি হতে হবে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রকৃত আমদানি ব্যয়, পণ্য উৎপাদনের হার, মোট পরিশোধন মার্জিন (Gross Refining Margin), নিট পরিশোধন মার্জিন (Net Refinery Margin) এবং শোধনাগারের কারিগরি সামঞ্জস্য।

তৃতীয়ত, প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন। বাংলাদেশে বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রায়ই দেখা যায়—অনেক সংস্থা সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত থাকে, কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করার জন্য এককভাবে দায়বদ্ধ কর্তৃপক্ষ থাকে না। ফলে ফাইল এক দপ্তর থেকে আরেক দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতে মূল্যবান সময় হারায়।

সুশাসন (Good Governance) এবং অন্তহীন ফাইল চালাচালি (Endless File Movement) এক বিষয় নয়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নীতিগত তত্ত্বাবধান এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কার্যকর নেতৃত্বে ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন একক-জানালা প্রকল্প বাস্তবায়ন কাঠামো (One-Stop Single-Window Project Delivery Body) গঠনের বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসি, ইআরএল, অর্থ বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধিরা একই সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্ল্যাটফর্মে থাকবেন।

নীতিটি হতে পারে—

এক প্রকল্প। এক রোডম্যাপ। এক সিদ্ধান্ত-জানালা। এক জবাবদিহি কাঠামো।
(One Project. One Roadmap. One Decision Window. One Accountability Framework.)

চতুর্থত, ইআরএল-২-এর জন্য প্রকৌশল, ক্রয়, নির্মাণ ও অর্থায়ন সমন্বিত মডেল (Engineering, Procurement, Construction plus Financing—EPC+F) গুরুত্বের সঙ্গে পরীক্ষা করা উচিত।

সরকার যদি আগে কয়েক বিলিয়ন ডলারের সম্পূর্ণ প্রকল্প অর্থায়ন নিজে নিশ্চিত করে তারপর নির্মাণচুক্তি বাস্তবায়ন করে, তাহলে রাষ্ট্রীয় ঋণ গ্রহণের সক্ষমতা এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর তাৎক্ষণিক বড় চাপ তৈরি হতে পারে। সঠিকভাবে কাঠামোবদ্ধ EPC+F মডেলে আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি কনসোর্টিয়াম প্রকৌশল, ক্রয় ও নির্মাণের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থা করতে বা অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সহায়তা করতে পারে। এর সঙ্গে রপ্তানি ঋণ সংস্থা (Export Credit Agency–ECA), আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ব্যাংক কিংবা সরবরাহকারী ঋণ (Supplier Credit) যুক্ত হতে পারে।

লক্ষ্য হওয়া উচিত—শুরুতেই সরাসরি রাষ্ট্রীয় বৈদেশিক ঋণের চাপ সর্বনিম্ন রাখা (No or Minimum Upfront Direct Sovereign Borrowing)।

তবে EPC+F কোনো বিনা খরচের অর্থায়ন নয়। সুদ, ECA প্রিমিয়াম, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি, সম্ভাব্য দায় এবং ঋণ পরিশোধের বাধ্যবাধকতা—সবকিছু হিসাব করতে হবে। তাই শুধু নির্মাণমূল্য নয়; মোট অর্থায়ন ব্যয়, গ্রেস পিরিয়ড, ঋণের মেয়াদ, কার্যসম্পাদন নিশ্চয়তা, জীবনচক্র ব্যয় এবং শোধনাগারের সম্ভাব্য নগদ প্রবাহ একসঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে।

সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (Direct Procurement Method—DPM) নিয়েও একই বাস্তববাদ প্রয়োজন। বিদ্যমান ক্রয় আইনের আওতায় জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্ব, অর্থায়ন কাঠামো এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন …
[1:19 PM, 8/29/2026] সম্পাদক স্যার: এর পাশাপাশি অপরিশোধিত তেলের উৎস বহুমুখীকরণ এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুতকে একই পরিকল্পনার অংশ করতে হবে। প্রকল্পে প্রস্তাবিত নতুন সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোকে শুধু দৈনন্দিন পরিচালনাগত মজুত হিসেবে না দেখে ভবিষ্যৎ কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত নীতির (Strategic Petroleum Reserve Policy) সঙ্গে যুক্ত করা উচিত।

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তার সমীকরণ হওয়া উচিত—

দেশীয় পরিশোধন সক্ষমতা + বহুমুখী অপরিশোধিত তেল সরবরাহ + কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুত।

এখন প্রয়োজন সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত। ইআরএল আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণকে জাতীয় কৌশলগত জ্বালানি নিরাপত্তা প্রকল্প (National Strategic Energy-Security Project) হিসেবে বিবেচনা করে নির্দিষ্ট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর তারিখ, স্বাধীন FEED যাচাই, EPC+F অর্থায়ন মূল্যায়ন, বহুমুখী ক্রুড প্রক্রিয়াকরণ সক্ষমতা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন এবং কৌশলগত মজুতের সমন্বয় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে তাই বিনীত প্রস্তাব—ইআরএল-২-কে আর একটি প্রচলিত সরকারি প্রকল্প হিসেবে নয়, জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার একটি সময়বদ্ধ জাতীয় মিশন হিসেবে বিবেচনা করা হোক।

যাচাই-বাছাই থাকবে, কিন্তু সিদ্ধান্তহীনতা নয়। স্বচ্ছতা থাকবে, কিন্তু অন্তহীন ফাইল চালাচালি নয়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যাচাই থাকবে, কিন্তু বছরের পর বছর ক্রয়প্রক্রিয়ার বিলম্ব নয়। অর্থায়ন থাকবে, কিন্তু সম্ভব হলে শুরুতেই পুরো প্রকল্প ব্যয়ের সরাসরি রাষ্ট্রীয় বৈদেশিক ঋণের বোঝা নয়।

দেড় যুগের অভিজ্ঞতা আমাদের একটি কঠিন শিক্ষা দিয়েছে—

বিলম্বেরও মূল্য আছে।

২০০৯ সালের প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা এবং ২০২৫ সালের ৩৫ হাজার কোটির বেশি অনুমোদিত ব্যয়ের ব্যবধান তাই শুধু দুটি সংখ্যার তুলনা নয়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সময়মতো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার অর্থনৈতিক মূল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও বহন করতে হতে পারে।

বাংলাদেশ ইতিমধ্যে দেড় যুগেরও বেশি সময় এই শোধনাগার নিয়ে আলোচনা ও প্রক্রিয়ার মধ্যে কাটিয়েছে। এখন সময় সিদ্ধান্তের, বাস্তবায়নের এবং জবাবদিহির।

এক প্রকল্প। একক সিদ্ধান্ত ব্যবস্থা। EPC+F। সময়বদ্ধ বাস্তবায়ন।

আগামী দশক যেন ইআরএল-২-এর ফাইল প্রক্রিয়াকরণে না কাটে।

আগামী দশক কাটুক নতুন শোধনাগার চালিয়ে, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদন করে, পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে এবং বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত আরও শক্তিশালী করে।

জ্বালানি নিরাপত্তা অপেক্ষা করে না।

বাংলাদেশেরও আর অপেক্ষা করা উচিত নয়।

মোহাম্মদ আনোয়ার
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্লোবাল ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স অ্যানালিস্ট
সংযুক্ত আরব আমিরাত

এমএসএম / এমএসএম

ইস্টার্ন রিফাইনারি: ৮ হাজার কোটি থেকে ৩৫ হাজার কোটি—দেড় যুগের অপেক্ষার মূল্য আর কত?

১৪ লাখের বেতন বাড়বে, ১৭ কোটি মানুষের কী হবে?

দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অধিকার আদায়ের আলোকবর্তিকা: বীরউত্তম মেজর জেনারেল সি আর দত্ত

শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে প্রয়োজন কার্যকর পদক্ষেপ

সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আমন্ত্রণ: সম্প্রীতির নতুন সুরে ঢাকা–দিল্লির ভূ-কৌশলগত সমীকরণ

জ্বালানি-নিরাপত্তা নিশ্চিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা জরুরি

শিক্ষানীতির বড় ঘাটতি হচ্ছে ব্যবস্থাপনা

বেগম খালেদা জিয়া : সাহস, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি

স্মরণে গোলাম সারওয়ার: আদর্শ সাংবাদিকতার এক অনির্বাণ শিখা

বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, বিদ্যুৎ নেই: বাংলাদেশের লোডশেডিং সংকটের আসল কারণ কোথায়?

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দেশের স্বার্থে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে

সমুদ্রের সম্পদ থেকে শিল্পায়ন: মাতারবাড়ী–মীরসরাই করিডোরে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক দিগন্ত