মাদক ও যেকোনো অপরাধের ব্যাপারে পুলিশের জিরো টলারেন্স: ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার
মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে ঢাকা জেলা পুলিশ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।
তিনি বলেছেন, মাদক থেকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধের উৎপত্তি ঘটে। তাই মাদক ব্যবসা ও এর বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান, চেকপোস্ট, টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদক বিক্রির স্থানগুলো চিহ্নিত করে বন্ধ করার পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
আজ রোববার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীমা পারভীন বলেন, ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশ পুলিশ একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছে। সেই সময়ের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে পুলিশকে স্বাভাবিক পেশাগত কর্মকাণ্ডে ফিরিয়ে আনতে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকেই বাংলাদেশ পুলিশের ওপর দিয়ে একটা ঝড়ের মতো সময় গেছে। পরবর্তীতে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও ছিল গুরুত্বপূর্ণ।’
পুলিশ সুপার বলেন, রাজনৈতিক চাপ বা অবৈধভাবে পুলিশকে ব্যবহারের যে বিষয়গুলো নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে, ৫ আগস্টের পর সেগুলো বন্ধ হওয়ার পর পুলিশ তার মূল দায়িত্বের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে পেরেছে।
‘আমাদের মূল কাজ হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়া। আমরা সেই মূল কাজকে সামনে রেখে পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করছি,’ বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার অপরাধের বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
‘আমরা মনে করি, মাদক থেকেই অনেক ধরনের অপরাধের উৎপত্তি ঘটে। তাই মাদক নিয়ন্ত্রণকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি,’ বলেন তিনি।
ঢাকা জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান সম্পর্কে শামীমা পারভীন বলেন, তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর সাভার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচিত বড় কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সাভারে মাদক ব্যবসার ক্ষেত্রে যাদের গডফাদার বলা হয়, শামীম এবং মাহবুব—এই দুই গ্রুপের বড় ডিলারদের আমরা গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’
মাদকবিরোধী অভিযানকে কোনো বিচ্ছিন্ন কার্যক্রম হিসেবে না দেখে ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রতিনিয়তই মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি। আমার নির্দেশনা রয়েছে, পুলিশের প্রত্যেকটি সদস্য, বিশেষ করে ডিবি এবং থানা পর্যায়ে যেন মাদকের বিষয়ে বিশেষ ড্রাইভ দেয়।’
পুলিশ সুপার জানান, মাদকবিরোধী কার্যক্রমে চেকপোস্ট, টহল, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান এবং বিশেষ অভিযান—সবকিছুকে সমন্বিতভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
‘চেকপোস্ট থেকে শুরু করে পেট্রোলিং, বিশেষ অভিযান—সবকিছুর মাধ্যমে আমরা কাজ করছি। এর ফলে যেসব স্পটে মাদক বিক্রি হতো, সেগুলোর অনেকগুলো বন্ধ করতে পেরেছি এবং মাদকের মূল কারবারের সঙ্গে জড়িত অনেককে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি,’ বলেন তিনি।
শামীমা পারভীন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান প্রয়োজন অনুযায়ী অব্যাহত থাকবে।
‘আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। অপরাধের ধরন অনুযায়ী আমরা গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করছি, অভিযান পরিচালনা করছি এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করছি,’ বলেন তিনি।
তবে মাদক নিয়ন্ত্রণের কাজ শুধু পুলিশের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলে মনে করেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, ‘শুধু সাভার নয়, সারা বাংলাদেশেই এখন মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা প্রতিনিয়ত ড্রাইভ দিচ্ছি। কিন্তু এখানে একটি সমস্যা হচ্ছে—আমরা যাদের গ্রেপ্তার করি, তারা আইনি প্রক্রিয়ার কারণে দ্রুত জামিন পেয়ে যায়।’
তার মতে, মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তারের পর তারা যদি দ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসে আবার একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে বাধার মুখে পড়ে।
‘আমরা কষ্ট করে তাদের গ্রেপ্তার করি। কিন্তু পাঁচ দিন, ১০ দিন বা এক মাস পরে তারা যদি জামিনে বের হয়ে আবার একই কাজে যুক্ত হয়, তাহলে তারা নিজেরাও মনে করে যে গ্রেপ্তার হলেও আবার বের হয়ে আসা সম্ভব। ফলে তারা অপরাধ থেকে নিজেদের নিবৃত করে না,’ বলেন তিনি।
তবে জামিনের বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হওয়ায় এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য না করে বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘এটা শুধু পুলিশের একার কাজ নয়। আমাদের জনসাধারণ, সমাজে যারা বিশেষ অবস্থানে আছেন, সামাজিকভাবে যাদের অবস্থান আছে, ধর্মীয় নেতারা—প্রত্যেককেই এই জায়গায় এগিয়ে আসতে হবে।’
মাদকের সরবরাহ বন্ধ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে শামীমা পারভীন বলেন, দেশের অভ্যন্তরে মাদক বিক্রির স্থানগুলো বন্ধ করার পাশাপাশি যেসব রুট দিয়ে মাদক দেশে প্রবেশ করে সেগুলো চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে যেসব রুট দিয়ে মাদক ঢুকছে, সেই রুটগুলো বন্ধ করতে হবে। মাদক যেন দেশে ঢুকতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’
গণমাধ্যমেরও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা মাদকের বিস্তার, এর ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক প্রবেশের রুট সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরলে জনসচেতনতা বাড়বে।
‘আপনাদের সাংবাদিক ভাইদেরও এগিয়ে আসতে হবে। মাদক যে রুটগুলো দিয়ে ঢুকছে, সেগুলো সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। তাহলেই আমাদের কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে,’ বলেন তিনি।
ঢাকা জেলার প্রথম নারী পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে শামীমা পারভীন বলেন, তিনি নিজেকে নারী বা পুরুষের পরিচয়ের চেয়ে একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবেই দেখতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শামীমা পারভীনকে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে ঢাকা জেলা প্রথমবারের মতো একজন নারীকে পুলিশ সুপার হিসেবে পায়।
শামীমা পারভীন বলেন, ‘প্রথম নারী এসপি হিসেবে আমি নারী অনুভূতি দিয়ে নিজেকে আলাদাভাবে দেখার চেষ্টা করি না। আমি নিজেকে একজন মানুষ এবং একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে দেখি।’
তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকেই কর্মজীবী নারীকে দেখে বড় হয়েছেন। ফলে পেশাগত জীবনে নারী-পুরুষের পার্থক্যকে তিনি আলাদাভাবে দেখেন না।
‘আমি বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশে যোগদান করেছি। অন্য সবাই যেভাবে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে এক বছরের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, আমিও একইভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছি। মেধার মাধ্যমে এসেছি। তাই একজন এসপি হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে ঢাকা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানুষের নিরাপত্তা এবং পুলিশের জনকল্যাণ—সবকিছুকে সামনে রেখে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করা,’ বলেন তিনি।
শামীমা পারভীন বলেন, গত দুই দশকের পেশাগত জীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন।
‘প্রায় ২০ বছর ধরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি, সেই দক্ষতা দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। এখানে আমি নিজেকে আলাদাভাবে দেখি না,’ বলেন তিনি।
তবে নারী পুলিশ সুপার হিসেবে জনগণের কাছ থেকে পাওয়া ইতিবাচক সাড়ার কথা উল্লেখ করে শামীমা পারভীন বলেন, নারী হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয়।
তিনি বলেন, ‘সমাজে নারী হিসেবে কিছু বিষয় তো আছেই। কিন্তু এটাকে আমি কোনো নেতিবাচক বিষয় হিসেবে পাইনি। বরং এটি আমাকে পজিটিভ দিয়েছে।’
তার মতে, একজন নারী পুলিশ সুপারকে দেখে সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে নারীরা অনেক সময় নিজেদের সমস্যার কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
‘জনগণ যখন দেখে যে একজন নারী পুলিশ সুপার ঢাকা জেলার দায়িত্বে আছেন, তখন তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাটা অনেক বেড়ে যায়। তারা বিশ্বাস করে, একজন নারী কর্মকর্তা হিসেবে আমার কাছে তারা সঠিক সেবা পাবে,’ বলেন তিনি।
শামীমা পারভীন বলেন, জনগণের এই আস্থা পুলিশের জন্য বড় দায়িত্বও তৈরি করে। সেই আস্থা ধরে রাখতে পেশাদারিত্ব, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের অবস্থান তুলে ধরে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই তার দায়িত্বের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি বলেন, অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা এবং পুলিশের সেবার মান উন্নয়ন—এসব বিষয়ে একযোগে কাজ করতে হবে।
‘আমাদের মূল কাজ জনগণের নিরাপত্তা প্রদান। আমরা সেই দায়িত্ব সামনে রেখেই কাজ করছি,’ বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ দমনে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা এবং সহযোগিতা জরুরি। কোনো এলাকায় মাদক বিক্রি বা অন্য কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে তথ্য দিলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।
‘জনগণ সহযোগিতা করলে পুলিশের কাজ অনেক সহজ হয়। আমরা চাই জনগণ পুলিশকে সহযোগিতা করুক এবং পুলিশও জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাটি ধরে রাখুক,’ বলেন তিনি।
শামীমা পারভীন বলেন, মাদক একটি সামাজিক সমস্যা। তাই এর বিরুদ্ধে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকে নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
‘মাদক থেকে অনেক অপরাধের উৎপত্তি হয়। তাই মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পুলিশ তার জায়গা থেকে কাজ করবে, আর সমাজের প্রত্যেকটি অংশকে তার নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে,’ বলেন তিনি।
তিনি বলেন, ঢাকা জেলা পুলিশ মাদকসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবে।‘আমরা চাই জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। অপরাধী যে-ই হোক, অপরাধের ধরন যাই হোক, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে,’ বলেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, জনগণ, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের সম্মিলিত উদ্যোগে মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
এমএসএম / এমএসএম
মাদক ও যেকোনো অপরাধের ব্যাপারে পুলিশের জিরো টলারেন্স: ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার
সাপ্তাহিক তথ্য বিচিত্রার সাংবাদিক দুলাল বিশ্বাসকে মব সৃষ্টি করে হয়রানি মূলক মিথ্যা মামলা থেকে অব্যহতির প্রতিবাদে মানববন্ধন
শিশু হাসপাতালে জানালার গ্রিল চুরির সময় যুবক আটক
ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
নারী সেনা সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ
সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যকে আটকের ঘটনায় নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের তীব্র নিন্দা, দ্রুত মুক্তির দাবি
ডেঙ্গু ঠেকাতে তিন মাসের অভিযান, ফুটপাত দখল হলেই উচ্ছেদ: ডিএনসিসি
সুফিবাদ বিষয়ক শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ‘সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশন’-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ সেবায় গতি বাড়ানোর উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নে গোলটেবিল বৈঠক
দূষিত বাতাস ও দীর্ঘ ডিউটিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ট্রাফিক পুলিশ
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল