ক্রসফায়ারের’ তালিকা থেকে বেঁচে ফেরা শিহাব উদ্দিন সিয়াম তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায়
রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সভাপতি পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক ছাত্রনেতা শিহাব উদ্দিন সিয়াম।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, সততার সাথে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন, রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রামে হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের শিকার হওয়া এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে নেওয়া বিভিন্ন পরিকল্পনার কারণে নতুন কমিটিকে ঘিরে তাঁকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু হয়। নতুন কমিটির পদপ্রত্যাশীরা ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অংশ নেন। এরই ধারাবাহিকতায় সভাপতি পদে ফরম জমা দিয়েছেন শিহাব উদ্দিন সিয়াম।
"ছাত্ররাজনীতিতে দীর্ঘ পথচলা"
শিহাব উদ্দিন সিয়াম সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নাট্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবেও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের সূচনা সম্পর্কে সিয়াম জানান, পারিবারিকভাবে রাজনীতির সঙ্গে পরিচয় থাকলেও ১/১১-পরবর্তী সময়ে রাজপথের রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু হয়।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ ও ২০১৪ সালের সরকারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে তৎকালীন সরকারের সময় তিনি গুরুতর নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়েন। তিনি বলেন, ওই সময় তাঁর নাম "ক্রসফায়ার"-এর তালিকায় তোলা হয়েছিল। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে তাঁকে আত্মগোপনে থাকতে হয় এবং অর্থের বিনিময়ে জীবন রক্ষা করতে হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে তিনি আবারও রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় হন। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোর শুনানি ও হাজিরাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নিতেন বলে জানান তিনি।
"আন্দোলন, হামলা ও গ্রেপ্তারের অভিযোগ"
নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে হামলা, মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেছেন শিহাব উদ্দিন সিয়াম। তাঁর দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, এসব ঘটনার মধ্যে
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—
২০১১ সাল: ছাত্রলীগের হামলায় সিয়ামসহ প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।
২০১৩ সালে নির্বাচন বর্জনের আহ্বান জানিয়ে লিফলেট বিতরণের সময় গুলশান থানা যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন তিনি।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪: সরকারি তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন।
নাইকো মামলার প্রতিবাদ কর্মসূচি ও গ্রেপ্তার: সাবেক বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা নাইকো মামলার প্রতিবাদে তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হন। এতে তাঁর বাঁ পায়ে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রায় ১০ দিন আত্মগোপনে থাকার পর ডিবি ও বনানী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে তিনি গ্রেপ্তার হন। তাঁর অভিযোগ— গ্রেপ্তারের পর বনানী থানার তৎকালীন (ওসি) সালাউদ্দিন এর নির্দেশে তাঁর ওপর নির্যাতন চালানো হয় এবং পরবর্তীতে আট দিনের রিমান্ডেও তিনি কায়িক নির্যাতনের শিকার হন।
২০১৭ সাল: আদাবর থানা এলাকা থেকে তিনি একবার গ্রেপ্তার হন। একই বছর লেবু মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। সে সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানির শিকার হন বলে তিনি দাবি করেন।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮: সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার মামলার রায়কে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মগবাজার এলাকায় অবস্থান নেন এবং পুলিশের বাধা অতিক্রম করে আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান।
১৩ জানুয়ারি ২০২০: রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে লিফলেট বিতরণের সময় পুনরায় যুবলীগের নেতাকর্মীদের হামলার শিকার হন।
"মামলা ও নির্যাতনের বিবরণ"
শিহাব উদ্দিন সিয়াম দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁকে মোট ৯টি মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি দুইবার গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।এসব মামলাকে তিনি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক বলে উল্লেখ করেছেন।
"২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ও পরবর্তী জীবন"
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজের ভূমিকা সম্পর্কে সিয়াম জানান, মহাখালী রেলগেট এলাকায় আন্দোলন চলাকালে ১৮ জুলাই তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ঘটনায় তাঁর ডান পায়ে গুলি লাগে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছররা গুলির আঘাত পান। এত বড় আঘাত ও প্রতিকূলতার পরও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকেন।
নিজের জীবনের ঝুঁকি ও সংগ্রামের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সিয়াম বলেন, একাধিকবার মৃত্যুঝুঁকির মুখে পড়েও প্রাণে বেঁচে ফেরায় তিনি সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ।
"পারিবারিক রাজনৈতিক পটভূমি"
সিয়ামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্য বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর বড় ভাই যুবদলের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং মেজো ভাই ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়া তাঁর ছোট ভাই তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সিয়ামের মতে, এই পারিবারিক রাজনৈতিক পরিবেশ তাঁর রাজনৈতিক চিন্তা ও সাংগঠনিক পথচলায় গভীর প্রভাব রেখেছে।
"শিক্ষাজীবন"
শিহাব উদ্দিন সিয়ামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০০৮ সালে মাধ্যমিক (এসএসসি) এবং ২০১১ সালে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস করেন। এরপর ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে সরকারি তিতুমীর কলেজে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ে অধ্যয়নরত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
"সভাপতি হলে যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চান সিয়াম "
সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি পদে দায়িত্ব পেলে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা, সুস্থ রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করা এবং সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনে মেধার মূল্যায়নকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিহাব উদ্দিন সিয়াম।
নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি আরো ও বলেন, “বিগত সরকারের আমলে আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবেও স্বাচ্ছন্দে ক্যাম্পাসে পা রাখতে পারিনি। তবে দায়িত্ব পেলে নিশ্চিত করতে চাই, ভবিষ্যতে যেন কোনো শিক্ষার্থীকে রাজনৈতিক কারণে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে না হয়।”
তিনি আরও জানান, দায়িত্ব পেলে ক্যাম্পাসে বিরোধী দলসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে কাজ করবেন। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান এবং শিক্ষার্থীদের যেকোনো যৌক্তিক ও সময়োপযোগী দাবির পক্ষে জোরালো অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর।
শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে সিয়াম বলেন, ছাত্রদলের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে আগামী দিনে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে মেধা ও সৃজনশীলতাকে প্রাধান্য দিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নেতৃত্ব বাছাইয়ের ব্যতিক্রমী প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
"সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা"
নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও বিভিন্ন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। কয়েকজন শিক্ষার্থী ব্যক্তিগতভাবে শিহাব উদ্দিন সিয়ামকে সভাপতি হিসেবে দেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি কাজে লাগিয়ে তিনি সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করতে পারবেন।
সরকারি তিতুমীর কলেজের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তামিম হাসান বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে সিয়াম ভাইকে তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই। রাজনীতিতে পথচলার অভিজ্ঞতা মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। সময়ের সঙ্গে একজন মানুষ নিজের ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে আরও পরিণত ও দায়িত্বশীল হয়ে ওঠেন।
আমার বিশ্বাস, সিয়াম ভাইও আগের চেয়ে নিজেকে আরও অভিজ্ঞ ও পরিপক্ক হিসেবে গড়ে তুলেছেন।”
তামিম আরও আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন নেতৃত্ব সংগঠনের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য বজায় রাখবে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিটি সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়াবে এবং সংগঠনের সম্মান ও গৌরব বৃদ্ধিতে কাজ করবে।
একই কলেজের ২০২৩–২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত আহমেদ বলেন, “আমিও ব্যক্তিগতভাবে সিয়াম ভাইকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চাই। আমার বিশ্বাস, তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছাত্রদলকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
রিফাত আরও বলেন , নেতৃত্বে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। তাঁর মতে, যোগ্য ও শিক্ষার্থীবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমেই তিতুমীর কলেজ ছাত্রদল একটি ইতিবাচক ও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
"নতুন নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ ভাবনা "
তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনকে ঘিরে সভাপতি পদে শেষ পর্যন্ত কে আসবেন, তা নিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ- উদ্দীপনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে কেন্দ্রীয় ও অভিভাবক সংগঠনের সার্বিক নির্দেশনার ওপর।
নতুন কমিটিতে প্রার্থীর দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের পাশাপাশি তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি নিবিড় যোগাযোগ এবং ক্যাম্পাসে সহনশীল ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার সক্ষমতাকে মূল মাপকাঠি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের মূল দাবি— নতুন নেতৃত্ব যেন দলীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি, ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ও সার্বিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। শিহাব উদ্দিন সিয়ামকে নিয়ে তুমুল আলোচনা ও প্রত্যাশা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এই ঐতিহাসিক কলেজের ছাত্রদলের দায়িত্ব কার হাতে উঠছে, তা নির্ধারিত হবে চূড়ান্ত সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই।
এমএসএম / এমএসএম
ঢাবি থেকে সব তথ্য এখন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির হাতে: হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন
ক্রসফায়ারের’ তালিকা থেকে বেঁচে ফেরা শিহাব উদ্দিন সিয়াম তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদে আলোচনায়
পবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সফিকুল, সাধারণ সম্পাদক মুশতাক
পাবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই নেতার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত
অপ্রতিম হত্যার বিচার ত্বরান্বিত করার দাবিতে কুবিতে মানববন্ধন
এইচএসসির ফল ২৫-২৯ অক্টোবরের মধ্যে
বাকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবসে ৪ হাজার ডিম বিতরণ
পবিপ্রবির উপ-উপাচার্যসহ বাংলাদেশি গবেষক দলের জাপান সফর
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে মহালয়া উদযাপন
পবিপ্রবি ছাত্রদল সভাপতির সাংগঠনিক পদ স্থগিত
রাবিতে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় ৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ
টানা ৩ বার ২% গবেষকের তালিকায়, সাবেক পাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতা