ঢাকা রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চার বছরে যানচলাচল বন্ধ

১২০ কোটি টাকা ব্যায়ে চট্টগ্রাম বহদ্দারহাটে ফ্লাইওভারে ফাটল


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ২৬-১০-২০২১ দুপুর ৪:৫২

চট্টগ্রামের বহদ্দারহাটে এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের দুটি পিলারে ফাটল দেখা দেওয়ায় চার বছরের মাথায় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। ফ্লাইওভারে ফাটল দেখা দেয়ায় খবর পেয়ে চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী মঙ্গলবার পরিদর্শন করেছে। সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী সিডিএর অবহেলাকে দায়ী করেছে দ্রুত ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ঠ প্রতিষ্টানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সিডিএ চেয়ারম্যানকে অনুরোধ জানিয়েছে। 
চান্দগাঁও থানার সেকেন্ড অফিসার মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম জানান, সোমবার রাত ১০টার সময়ে বহদ্দারহাট এম এ মান্নান ফ্লাইওভারের কালুরঘাটমুখী র‌্যাম্পের পিলারে ফাটলের খবর পাওয়ার সাথে তাৎক্ষণিকভাবে এর ওপর-নিচ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দিই আমরা, থানার সকল পুলিশ সদস্য এবং স্থানীয় কাউন্সিলরসহ এলাকার লোকজনসহ অনেকে আমাদের সহযোগিতা করেন। পরে আমাদের পক্ষ থেকে বিষয়টি চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) জানানো হয়েছে। সিডিএ ও চসিক কর্মকর্তারা মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন। সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী পরিদর্শন করে কি কারণে ফ্লাইওভারে কি কারণে ফাটল ধরেছে সিডিএকে কৈফিয়ত দিতে হবে বলে জানান। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনা কারো অবহেলা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। এ বিষয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান জহিরুল আলম দোভাষের সাথে কথা যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকায় রয়েছে বলে জানান তবে পত্র পত্রিকার সংবাদ মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছে। চট্টগ্রামে গিয়ে ঘটনার মূল বিষয় জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।
জানা গেছে, ২০১২ সালের ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় ফ্লাইওভারের স্টিলের গার্ডার ধসে ১৭ জন নিহত হন। হঠাৎ করে ৩টি গার্ডার নির্মাণের সময় ফ্লাইওভার (ওভারপাস) থেকে পড়ে যায়। এর আগে, ওই বছরের ২৯ জুন বহদ্দারহাটের এই নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার থেকে ১৩০ ফুট দীর্ঘ কংক্রিটের গার্ডার ভেঙে পড়েছিল। বন্দরনগরীর যানজট নিরসনের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) নগরের শুলকবহর থেকে বহদ্দারহাট ১ কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত এম এ মান্নান ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। পরে এর নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্ব পায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। নির্মাণকাজ শেষে ২০১৩ সালের ১২ অক্টোবর ফ্লাইওভারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে ব্যয় হয়েছিলো ১০৬ কোটি টাকা। এর পর নির্মাণকাজ তদারকির দায়িত্ব পায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এ ফ্লাইওভারটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

এমএসএম / এমএসএম

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের রেল লাইন নির্মাণ কাজ বন্ধের পাঁয়তারা

এমপির প্লাবণভুমি উপকেন্দ্র পরিদর্শন ও মতবিনিময়

ধামইরহাটে জমি দখল ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার

শান্তিগঞ্জে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

রায়গঞ্জের চান্দাইকোনা বাজারে চাঁদার চাপে মুরগি ব্যবসায়ীরা!

পবিপ্রবির প্রথম গেটের সামনের সড়কের বেহাল দশা, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ীরা

বাঘায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

আওয়ামী লীগ-কে ফেরাতে ৯৬'র মতো যুগপৎ আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে জামায়াত -রাশেদ খান

সাঁথিয়ায় হত্যা মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সারাদেশের নেয় শ্যামনগরে জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান অনুষ্ঠিত

দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযানে ১৩ জন গ্রেপ্তার

একযুগের বেশি শিল্পকলা একাডেমি বন্ধ, বাদ্যযন্ত্র ও বরাদ্দের টাকার সন্ধান নেই

জুবায়ের জুট মিলের শুভ উদ্বোধন সম্পন্ন: নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচন