টাকা আত্মসাতের দুই মামলা স্থগিত করে ইউপি নির্বাচনে জাহাঙ্গীরের তোড়জোড়
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ছিলেন একটি এনজিও সংস্থার কর্ণফুলী থানা শাখার ম্যানেজার। এ সময়ে তিনি কৃষি ব্যাংক কর্ণফুলী থানার কলেজ বাজার শাখা থেকে এনজিও সংস্থা নওজোয়ানের নামে দুটি অ্যাকাউন্ট থেকে ৬টি চেকের মাধ্যমে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। সংস্থার বার্ষিক অডিটে আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়লে তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের মামলা হয়। অপর একটি ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ১৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা আত্মসাতের আরেকটি মামলা হয়। মামলা দুটির বিচারকার্য প্রায় শেষের দিকে। এ অবস্থায় তার খায়েস হয়েছেন পটিয়ার ১৩ নম্বর দক্ষিণ ভূষি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার। এজন্য তিনি মামলা দুটি আদালতের মাধ্যমে স্থগিত করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলম পটিয়া উপজেলার ১৩ নম্বর দক্ষিণ ভূষি ইউনিয়নের ডেংগাপাড়া গ্রামের মো. ফজল আহমদের সন্তান। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, আগামী ২৩ ডিসেম্বর পটিয়ার ১৭ ইউনিয়নের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিয়ন ১৩ নম্বর দক্ষিণ ভূষি। শতভাগ শিক্ষিত এলাকা খ্যাত দক্ষিণ ভূষিতে এবার আওয়ামী লীগ থেকে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন চেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো. সেলিম, সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছৈয়দ, রাজিব দাশ রাজু, ইনসানা নাসরিন ডেইজি ও মো. জাহাঙ্গীর আলম। তারা সবাই উপজেলা, থানা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগের কমিটিতে দায়িত্বে রয়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, জাহাঙ্গীর আলম ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। তার বিরুদ্ধে রয়েছে অর্থ আত্মসাতের কয়েকটি মামলাও।
আদালত সূত্র জানায়, জাহাঙ্গীর আলম ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনজিও সংস্থা নওজোয়ানের ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির অধীনে সুপারভাইজার এবং কর্ণফুলী শাখা ম্যানেজার ছিলেন। ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর থেকে ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তিনি কৃষি ব্যাংক কলেজ বাজার শাখা থেকে নওজোয়ানের ৬টি ব্যাংক চেক দিয়ে ১৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। সংস্থাটির করা মামলায় (মামলা নং-২০, তারিখ-১৪/১২/২০০৬ইং) উল্লেখ করা হয়েছে, জাহাঙ্গীর আলম টাকাগুলো উপকারভোগীদের মাঝে কৃষিঋণ হিসেবে না দিয়ে পুরোটাই আত্মসাৎ করেছেন। মামলায় থানা থেকে অভিযোগপত্র দেয়ার পর অভিযোগ গঠন হয়। ২০১৯ সালে জাহাঙ্গীর আলম তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট থেকে স্টে করেন। অপরদিকে মামলার বাদী নওজোয়ানের নির্বাহী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন মামলা স্থাগিতাদেশ বাতিলের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করেন।
এছাড়া যুগ্ম-জেলা জজ আদালতে জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ১৭ লাখ ৩১ হাজার ২১৭ টাকা আত্মসাতের মামলা (মানিস্যোট নং- ০৪/’১৭) রুজু করা হয়।
এদিকে কৃষিঋণের টাকা না পেয়ে কর্ণফুলী থানা এলাকার উপকারভোগী নারীরা সে সময় হতাশ হয়ে পড়েন। তারা ওই সময় জাহাঙ্গীর আলমের কার্যালয়ে এসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আত্মসাতের মামলার আসামি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আইনের শাসন ভূলুণ্ঠিত হবে।
এমএসএম / জামান
মাগুরায় আওয়ামী লীগের দলীয় পতাকা উত্তোলন করে অফিস উদ্বোধন, আটক ৩
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিয়োগ নিয়ে অপপ্রচারের নিন্দা কান্ডারীর
ঠাকুরগাঁওয়ে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার
৩টি খাল খনন উদ্বোধন ও বিজিএফ’র চাল বিরতণ করলেন এমপি মালিক
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চাঁদপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বিএনপি প্যানেল বিজয়ী
রমজান উপলক্ষে ইয়ারা গ্রুপের উদ্যোগে ৩ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ
শ্যামনগরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা
টাঙ্গাইল জেলায় কৃষিতে নতুন সম্ভাবনা : ভোরের আলো ফুটতেই হাসছে সূর্যমুখী ফুল
বরগুনায় বিশেষ অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক
ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করায় চাঁদপুরে ৫ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা
নোয়াখালীতে আব্দুল হালিম মানিক ট্রাস্ট্রের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ
রায়পুরে অটোরিকশা চালকের ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু