ফুলছড়িতে লেপ-তোশক তৈরির কর্মচঞ্চলতা বেড়েছে ধুনারীদের
উত্তরের জেলা গাইবান্ধার ফুলছড়িতে শীতকে সামনে রেখে বাড়ি বাড়ি ছুটছেন লেপ-তোশক তৈরির কারিগররা। শীতের আগাম বার্তা আসার সঙ্গে সঙ্গে তুলা ছাঁটাই ও লেপ-তোশক তৈরির কর্মচঞ্চলতা বেড়েছে ধুনারীদের। শীতের শুরুতেই গ্রামাঞ্চলের কেউ কেউ পুরনো লেপ ভেঙে নতুন করে বানিয়ে নিচ্ছেন আবার কেউ নতুন তুলা দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছে লেপ, তোষক ও বালিশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ফুলছড়ি উপজেলা সদরে কালির বাজারে ছোট-বড় প্রায় ১০টি লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। ১২টি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রতিটি বাজারে কমপক্ষে ৩-৪টি করে দোকান রয়েছে। এদের মধ্যে ফুলছড়ি উপজেলা সদরের কালির বাজারে ১০টি, আনন্দ বাজারে ১টি, উদাখালী বাজারে ৩টি, মশামাড়ি বাজারে ৩টি, ফুলছড়ি বাজারে ১২টি, একাডেমির বাজারে ৪টি, মদনের পাড়া বাজারে ৩, বালাশি ঘাট বাজারে ২টিসহ ফুলছড়ি উপজেলায় প্রায় ৪৭টির মতো লেপ-তোশকের দোকান রয়েছে। প্রতি দোকানে ৩-৪ জন করে কারিগর হলেও শতাধিক কারিগর কাজ করছেন এসব দোকানে। তবে ছোট দোকানগুলোতে মালিকই কারিগরের দায়িত্ব পালন করেন। বছরের অন্যান্য সময় বেচাকেনা কম হলেও শীত মৌসুমে এসবের বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
কালির বাজারে অতি পুরাতন ব্যাবসায়ী মেসাস রহিমা বস্ত্রালয় স্বতাধিকারী মোঃ সুমন সরকার জানান, বর্তমানে শীত মৌসুম শুরু হতেই লেপ তোশক বানানোর জন্য ক্রেতারা ব্যাপক তাড়া দিচ্ছেন। বছরের অন্য সময়ের চেয়ে এখন লেপ-তোশকের অর্ডার একটু বেশি। তাই সময়মত ডেলিভারি দেয়াটা একটু কষ্টসাধ্য।তবে আমার দোকানে বছরব্যাপীই লেপ-তোশক বানানো হয়। এছাড়া চাদর ,কম্বল, বিক্রি করা হয়।
ফুলছড়ি বাজারের ব্যবসায়ী সুমন মিয়া বলেন, শীতের সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথাসময়ে ডেলিভারি দিতে হাঁপিয়ে উঠছেন কারিগররা। এবার তুলার দাম একটু বেশি। কালার তুলা পাইকারি প্রতি কেজি ৩৫ টাকা, মিশালী তুলা ৩৫ টাকা, সিম্পল তুলা ৭০ টাকা, শিমুল তুলা ৫ থেকে ৬ শত টাকা, সাদা তুলা ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, প্রতিদিন একজন কারিগর ৪ থেকে ৫টি লেপ ও ৬ থেকে ৮টি তোশক তৈরি করতে পারেন। মাঝারি ধরনের একটি লেপ বানাতে খরচ হয় দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। আর তোশক বানাতে খরচ হয় দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। তবে তুলার প্রকারভেদে লেপ-তোশকের দাম কমবেশি হয়। এবার শীত আসার আগেই লেপ-তোশকের অর্ডার পড়তে শুরু করেছে যা বিগত বছরের তুলনায় ব্যতিক্রম। আগামী দুই মাসব্যাপী এ ব্যস্ততা থাকবে। শীত মৌসুম ছাড়া অন্য সমযে লেপ-তোশক তেমন চলে না। তখন বিভিন্ন রকম বালিশ ও কাভারের কাজ চলে। তখন কারিগরদের বেতন ও ঘরভাড়া দিতে হিমশিম খেতে হয়।
এমএসএম / জামান
ধামইরহাটে হাট-বাজারের জায়গা দখলের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল প্রশাসন
৩ কেজি ৭০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১০ হাজার ৯০০ টাকা
শাহজাদপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার যাত্রী নিহত
হাতিয়ায় নারিকেল পাড়াকে কেন্দ্র করে ভাগিনার লাঠির আঘাতে মামা নিহতের অভিযোগ
রাণীশংকৈলে প্রধান শিক্ষক নেই ৫৭ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে
রাজারহাটে সমবায় সমিতির নামে প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
ডাক্তার কবির সরদারের পিতা আব্দুল আজিজ সরদার আর নেই
চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ১১ মাসের শিশু অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, গ্রেফতার ২
খেলার মাঠ হারিয়ে গেছে অনলাইন গেমসের দাপটে
একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও পলাতক গোষ্ঠী এক হয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে-প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
শ্রীপুরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ডিলারকে একলক্ষ টাকা জরিমানা
চরাঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প
বাঘায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
Link Copied