ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

মারাত্মক নাব্য সংকটে উঠেছে ছোট-বড় দুই শতাধিক চর


ফুলছড়ি প্রতিনিধি photo ফুলছড়ি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭-১২-২০২১ দুপুর ১২:১

গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনায় নাব্য সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। প্রতিবছর নদী খনন না করায় বালাসী-বাহাদুরাবাদ, তিস্তামুখ-বাহাদুরাবাদ ঘাটসহ বিভিন্ন নৌপথে জমেছে বালুর স্তর।জেগে উঠেছে ছোট-বড় দুই শতাধিক চর ও ডুবোচর। বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে যাচ্ছেন যাত্রী ও পণ্যবাহী ইঞ্জিনচালিত নৌকা। হেঁটে নদী পার হচ্ছে মানুষ।

তবে নদী খনন করে নাব্য সংকট দূর করার পরিকল্পনার কথা জানান গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন। তিনি বলেন, অনেক মানুষ চরে বসবাস করে। ২৫৬টি চরাঞ্চলে প্রায় চার লাখ লোক বসবাস করে। এখানে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন হয়। এসব ফসল বাজারজাত করার ক্ষেত্রে নদীপথে দ্রুত ড্রেজিং প্রয়োজন। বিআইডব্লিউটিএ নদী খননে একটি প্রকল্প নিয়েছে, তা বাস্তবায়ন হলে এই নাব্য সংকট দূর হবে বলে জানান তিনি।

জানা যায়, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার প্রায় ২৫টি নৌঘাট ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। ব্রহ্মপুত্র নদের পূর্ব চ্যানেল জিগাবাড়ি থেকে মইন্যা এবং পশ্চিম চ্যানেল কামারজানি নৌবন্দর থেকে জামিরা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৫০ কিলোমিটার নদীজুড়ে জেগে উঠেছে ছোট-বড় দুই শতাধিক চর ও ডুবোচর। ফলে গত এক সপ্তাহ ধরে ফুলছড়ি উপজেলার অভ্যন্তরীণ নৌপথে ফুলছড়ি-বালাসী, তিস্তামুখঘাট-বাহাদুরাবাদ, গজারিয়া-গলনা,সিংড়িয়া-ঝানঝাইর গুনভরি-কালাসোনা। গজারিয়া-ফুলছড়ি এবং আন্তজেলা নৌপথ ফুলছড়িঘাট-গুঠাইল, সৈয়দপুর-রাজীবপুর, তিস্তামুখঘাট-আমতলী এবং তিস্তামুখঘাট-সারিয়াকান্দি নৌপথে নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে।

তিস্তামুখ নৌঘাটের ইজারাদার শাহজাহান মিয়া বলেন, নদীপথে ঘুরে ঘুরে নৌকা চলাচল করায় সময় লাগছে বেশি। বিভিন্ন পথে নৌকা চলাচল বন্ধ থাকায় লোকসান গুনতে হবে।

নৌকার মাঝি জসিজল মিয়া বলেন, ফুলছড়ির তিস্তামুখ ঘাট থেকে বর্ষা মৌসুমে বাহাদুরাবাদ ঘাটে যাত্রী পৌঁছাতে সময় লাগত দুই ঘণ্টা। নদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় এখন সময় লাগছে বেশি। তারপর চরে নৌকা আটকে গেলে তিন-চার ঘণ্টা সময় পার হয়। এ কারণে আমরা নৌকা চলাচল বন্ধ করে দিয়েছি।

বালাসী ঘাটের নৌকার মালিক আজিবর হোসেন বলেন, প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমের শুরু থেকেই নদীর নাব্য সংকট চরমে ওঠে। ফলে বন্ধ হয়ে যায় নৌ চলাচল। এবারও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। নদীতে পানি না থাকায় অনেক বেশি পথ ঘুরে নৌকাগুলোকে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। এতে খরচ ও সময় দুটি ব্যয়ই হচ্ছে বেশি।

ফুলছড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর গফুর মণ্ডল জানান,বর্তমানে নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পাওয়ায় নদীতে জেগে উঠেছে অসংখ্য চর-ডুবোচর। এখন নদীতে পানি একেবারেই কমে গেছে। বর্ষা মৌসুম না আসা পর্যন্ত এগুলোর পরিবর্তন হবে না। তিনি আরও জানান, যেখানে নদীতে বড় বড় ঢেউ থাকার কথা,সেখানে জেগে উঠেছে চর। খনন না করায় নদীর এ অবস্থা হয়েছে। ফলে অর্ধেকেরও বেশি রুটে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

ফুলছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম সেলিম পারভেজ জানান, নাব্য সংকট কমাতে গেলে দ্রুত ড্রেজিং করা প্রয়োজন। নদের নাব্যতা ফিরিয়ে এলে এ অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে দুর্ভোগ কমে আসবে। নদী সঠিকভাবে ড্রেজিং করে নাব্যতা ঠিক রাখলে নৌকা ব্যবসায়ীরা টিকে থাকতে পারবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এমএসএম / জামান

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত