ভূঞাপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী সহিংসতা
নৌকা-বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১৫, আতঙ্কে এলাকাবাসী
নৌকা-বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মাঝে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ১২ থেকে ১৫ জন আহত হয়েছেন। গত বুধবার দুপুরে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, ল্যাংড়া বাজার ও সিরাজকান্দি বাজার এলাকা দফায় দাফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুরো ইউনিয়নজুড়ে সাধারণদের ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। হামলা ও ভাংচুরের খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে, বিশৃঙ্খলা এড়াতে দুপুর থেকেই পুলিশ সদস্যরা টহল জোরদার করছেন। বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা যায়, মাটিকাটা বাজারে আওয়ামী লীগের কর্মীদের নির্বাচনী ভোট প্রার্থনার সময় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়। এতে মতিন সরকারের কর্মী ও ৯নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন (৩৮) গুরুত্বর আহত হন। আহত অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় হামলাকারীরা তার মোটরসাইকেলটিকেও ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। এরপর আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মতিন সরকার থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এছাড়াও সিরাজকান্দি বাজারের কাছে সোলাইমান ফিডস্ লি: কারখানা হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন মতিন সরকারে কর্মী আব্দুল বাছেদ। তিনি বলেন- আমার কারখানায় থাকা ৪ টি ট্রাক ও অফিস রুম ভাঙচুর করা হয়। এদিকে, ইউনিয়ন আ’লীগ নেতা ও নৌকা সমর্থক আব্দুল আব্দুল করিম মেম্বার জানান- আমার বালু ঘাটের কাউন্টার ঘর ভাঙচুর ও হামলা চালিয়ে ৩ লাখ টাকা লুটপাট করেছেন আ’লীগের বিদ্রোহী ও আনারস প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদের নেতা-কর্মীরা।
চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল মতিন সরকার বলেন, বুধবার দুপুরে কোনাবাড়ী ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেনসহ আমাদের কর্মীরা মাটিকাটা বাজারে চা-স্টলে বসে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করছিল। এসময় বিদ্রেহী প্রার্থীর ভাই রকিব, ইঞ্জিনিয়ার সাঈদ, নুহু মেম্বারের নেতৃত্বে জুরান মন্ডল, তার দুই ছেলে সুমন ও শুভসহ অন্যান্যরা আমাদের কর্মীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় ছানোয়ার হোসেন গুরুত্বর আহত হয়েছে। এ ঘটনায় আমি থানায় মৌখিক অভিযোগ দিয়েছি।
চেয়ারম্যান প্রার্থী মতিন সরকারের নেতাকর্মীদের উপর হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়টি অস্বীকার করে আ’লীগের বিদ্রোহী (আনারস) প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ বলেন, নৌকার কর্মী সমর্থকরাই আমার কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। এতে করে ৩ থেকে ৪ জন আহত হয়েছে। আমার কর্মীরা তাদের উপর হামলা চালায়নি। তিনি আরও বলেন- নৌকার সমর্থকরা আনারস প্রতীকের পোস্টার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলছেন ও কোথায়ও পোস্টার সাটাতে দিচ্ছেন না।
এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, বুধবার দুপুরে নিকরাইলে আ’লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থী কর্মী সমর্থকদের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এছাড়াও দুই প্রার্থীর সঙ্গে নির্বাচনকালীন সময় যাতে আর কোনো সহিংস ঘটনা না ঘটে সে বিষয়ে তাদের সাথে মত বিনিময় করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, বিশৃঙ্খলা যাতে না করেন এ নিয়ে তাদেরকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এমএসএম / জামান
জয়পুরহাটে শিশু অধিকার দিবস ও শিশু মেলা-২০২৬ উদ্বোধন
সাভারে ওএমএস অনিয়ম অনুসন্ধানে গিয়ে হামলার শিকার ৪ সাংবাদিক, মিথ্যা মামলায় জেলের অভিযোগ
আদমদীঘিতে বিভিন্ন মামলায় নারীসহ তিনজন গ্রেফতার
পটুয়াখালীতে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ২১ টন ভারতীয় জিরাসহ কার্গো বোট জব্দ
সখীপুরে স্বামী ও দেবরের নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন
সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী ও শিশু সপ্তাহ উদযাপিত: প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ উপভোগ
ধুনটে ঔষধ সেবনের পর মাদ্রাসাছাত্রীর মৃত্যু
ধামইরহাটে আদালতের রায় অমান্য করে বসতবাড়িতে হামলা ও হয়রানীর বিরুদ্ধে ভুক্তভুগির সংবাদ সম্মেলন
পটিয়ার চক্রশালা কৃষি উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে চুরি
মোহনগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে ৬ জনের কারাদণ্ড
নওগাঁয় ড্রিল মেশিন দিয়ে মাথা ফুটো করে হত্যা, আসামির যাবজ্জীবন
কালিহাতীতে চীন থেকে আমদানিকৃত ব্যতিক্রমী পণ্যের সমাহার নিয়ে ‘নিও চায়না মার্ট’