চট্টগ্রামে অর্থের বিনিময়ে ফের শহরে গ্রাম সিএনজি
চট্টগ্রামের শহরে আবারো অবৈধভাবে অর্থের বিনিময়ে নগর দাপিয়ে বেরাচ্ছে গ্রাম এলাকার সিএনজি অটোরিক্সা। কতিপয় কথিত শ্রমিকনেতা সংগঠনের চাঁদার রশিদ দিলেও স্থানীয় থানা ও ট্রাফিক পুলিশের নাম ব্যবহার করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। তাদের কাছ থেকে টোকেন নেয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে আর টোকেন না নিলে ডিউটিরত ট্রাফিক সার্জেন্ট দিয়ে গাড়ি আটক করাচ্ছে বলে জানা গেছে। তাই ৬০০ টাকা দিয়ে মাসিক টোকেন নিতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকেই। অথচ এলাকাবসীর সুবিধার্থে স্থানীয় সাংসদের সুপারিশে গ্যাস নেয়ার জন্য শহরে প্রবেশে ট্রাফিক নমনীয় থাকার কথা থাকলেও সেই সুযোগকে কলুষিত করার কুমানসে একদল সুযোগ সন্ধানী চাঁদাবজিতে লিপ্ত রয়েছে বলে অভিযোগ তুলছেন সিএনজিচালকরা।
সিএনজিচালকরা জানান, নগরীর রাস্তারমাথা এলাকায় গ্রাম সিএনজি থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ থাকায় গ্রামের সিএনজি শহরে প্রবেশ বন্ধ করে দেয় সিএমপি। কিন্তু গ্রামে কোন সিএনজি ফিলিং স্টেশন না থাকায় বিপাকে পড়ে মালিক , চালক ও স্থানীয়রা। মানবিক বিবেচনায় এই ভোগান্তী থেকে মুক্তি দিতে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় শুধুমাত্র গ্যাস নিয়ে চলে যাওয়া এবং কোনরকম আর্থিক লেনদেন না করার শর্তে নমনীয় হয় সিএমপি। কিন্তু এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে কথিত শ্রমিক নেতার পরিচয়ে মো. নুর আলম, মো. মোরশেদ, মো. জালাল, মো. আবছার, মো. কামাল ও মো. মোরশেদ প্রকাশ লম্বা মোরশেদ গংদের সমন্বয়ে গঠিত একটি সিন্ডিকেট টোকেন বাণিজ্য চালাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাস্তায় গাড়ি আটক করে মাসিক ৬০০ টাকার টোকেন নিতে বাধ্য করছে বলে অভিযোগ করছেন চালকেরা। তাদের কথামত টাকা না দিলে গাড়ি থেকে যাত্রী নামিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এরা কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্টদের সাথে জোট করে নানা অযুহাতে গাড়ি আটক করে নিয়ে যাচ্ছে। এত করে ভাবমুর্তি নষ্ট হচ্ছে পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের।
এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম অটোরিকশা-অটোটেম্পো শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-১৪৮৭) এর সভাপতি লুৎফুর রহমান কামাল বলেন আমরা কাউকে চাঁদা দিতে বাধ্য করিনা যারা আমাদের সদস্য আছে তাদের কাছ থেকে দৈনিক ২০ টাকা হারে মাসে ৬০০ টাকা ওয়েবিল নিয়ে থাকি। টোকেন নিতে বাধ্য করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করলেও একাধিক চালকের দেওয়া জবানবন্দী প্রতিবেদকের কাছে আছে জানালে সেগুলোকে মিথ্যা বলে দাবী করেন তিনি।
চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) চান্দগাঁও মো. ইকবাল বলেন আমার এলাকায় কোন চাঁদাবাজি চলবেনা তবে অনেক সাংবাদিকের এমন গাড়ি চলে জানিয়ে তিনি বলে আমরা সাংবাদিকদের সম্মান করে কিছু বলিনা। আপনি দেখিয়ে দেন যদি কেউ চাঁদাবাজি করে থাকে তাহলে তাদেরকে গুলি করে মেরে ফেলব।
উল্লেখ্য, নগরীর চান্দগাঁও থানাধিন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় অবৈধভাবে প্রবেশ করা সিএনজিচালিত অটোরিকশা-টেম্পো থেকে মাসিক টোকেন এবং দৈনিক চাঁদাবাজির প্রতিবাদে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর মানববন্ধন করেছে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ওই মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা মোহরা ৫নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যকে চাঁদাবাজির মাধ্যমে কলুষিত করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্যও দিয়েছিলেন তখন। সেই সময়ে টোকেন বিক্রি করে প্রতি মাসে ৩৭ লাখ টাকা আদায়ের নেপথ্যে সিএনজি-অটোরিকশার অবৈধ শ্রমিক সংগঠনের নামে প্রায় ১০ হাজার অটোরিকশা সিএনজি থেকে দৈনিক ২ লাখ টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করা হতো বলে জানিয়েছিলেন।
এমএসএম / জামান
সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত