ঢাকা সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬

বোয়ালমারীতে নৌকার ভরাডুবির জন্য স্থানীয় আওয়ামীলীগকেই দূষলেন পরাজিতরা


বোয়ালমারী প্রতিনিধি  photo বোয়ালমারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২৯-১২-২০২১ দুপুর ৪:১৫

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১০ ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের ভরাডুবির জন্য স্থানীয় আওয়ামিলীগ,যুবলীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের  দূষলেন পরাজিত প্রার্থীরা। তারা বলেছেন,আওয়ামীলীগ সভানেত্রী,জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মনোনয়ন দিলেও উপজেলা ও  ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,কৃষকলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগের কোন নেতাকর্মীরা আমাদের পাশে ছিলেননা। তারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র  প্রার্থীদের পক্ষাবলম্বন করায় নৌকার প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে। বুধবার দুপুরে বোয়ালমারী ওয়াপদা মোড়স্থ কাজী হারুণ শপিং কমপ্লেক্সে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ দাবী তুলে ধরেন পরাজিত ৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী। সম্মেলনে বোয়ালমারী সদর ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী আব্দুল ওহাব তারা মোল্যা বলেন,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ আমাকে মনোনয়ন দেয়ার পরপরই উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি এম,এম মোশাররফ, সাধারণ   সম্পাদক শাহজাহান মৃধা পিকুল ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতিকে  বিদ্রোহী প্রার্থী করে মাঠে নামিয়ে দেন। ফলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐ বিদ্রোহীর পক্ষ নেন।  আমি এ বিষয়ে বার বার উপজেলা নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা কোন পদক্ষেপ  না নিয়ে উল্টো আমাকে বলেন,তোমার টাকা-পয়সা নাই,তুমি নির্বাচন করবা কি দিয়ে। অতএব আমাদের এখন কিছুই করার নাই। উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের অসহযোগিতার কারনেই সদর ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে বলে দাবী করেন তারা মোল্যা। ময়না ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী পলাশ বিশ্বাস সংবাদ সম্মেলনে বলেন,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য আবু জাফর সিদ্দিকী,উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আবুল খায়ের মিয়া ও তাদের অনুসারীরা শুরু থেকেই আমার বিরোধিতায় নামেন।  আমি একাধিকবার অনুরোধ করেও তাদেরকে আমার পাশে পাইনি। হাত পাখায় ভোট দেয়ার ফলে জাফর সিদ্দিকী তার চাচা বর্তমান চেয়ারম্যান নাসির মোঃ সেলিমের কেন্দ্রে নৌকা মাত্র দুইশত ভোট পেয়েছে। দলের এসব নেতারাই নৌকাকে ডুবিয়েছে। চতুল ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী খন্দকার আবুল বাশার বলেন,আমি ইতিপূর্বে স্বতন্ত্র প্রার্থী  হিসাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২০০০/২৫০০ করে ভোট পেয়েছি। অথচ এবার দলের নৌকা প্রতীক পেয়ে জমানত হারালাম।এ লজ্জার দায় কার? তিনি বলেন,উপজেলা সদর ঘেষা ইউনিয়ন চতুলের সকল ওয়ার্ডেই আওয়ামীলীগ,যুবলীগ সহ সব অঙ্গ সংগঠনের কমিটি রয়েছে। অথচ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের কেন্দ্রে নৌকা পেয়েছে মাত্র ৫ ভোট। ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম খানের কেন্দ্রে নৌকা পেয়েছে ১০ ভোট। এবার বুঝুন এরা কি রকম নির্বাচন করেছেন।ইউ,পি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের পক্ষে  উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতারা কোন ভূমিকাই রাখেনি বলে অভিযোগ করেন আবুল বাশার। তিনি আক্ষেপ করে বলেন,বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগের যে দৈন্যদশা তাতে আগামী সংসদ সহ অন্যান্য নির্বাচনে কি পরিনতি হবে তা আল্লাহই ভালো জানেন। সম্মেলনে দাদপুরের নৌকার প্রার্থী সাজ্জাদুর রহমান,রুপাপাতের মোঃ মহব্বত আলী উপস্থিত ছিলেন।

শাফিন / শাফিন

সিদ্ধিরগঞ্জে ভ্যাট ফাঁকির তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হুমকি, ৪ দিনেও ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ

হীরাঝিল আবাসিক এলাকা সমাজ কল্যাণ সমিতি নিয়ম বহির্ভূত কমিটি গঠনের অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে লোহাগড়ায় দুই খাল পুনঃখনন উদ্বোধন, ১.১৩ কোটি টাকার প্রকল্প

আত্রাইয়ে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঘোড়াঘাটে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নবীগঞ্জে দিনদুপুরে পিস্তল ও রামদা দেখিয়ে একই দিনে দুই শিক্ষিকার স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাই

‎কুতুবদিয়ায় প্রেমিকের বাড়ির সামনে বিষপান: চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রেমিকার মৃত্যু

যশোরে ‘মামলাবাজ’ চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মহেশখালীতে মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, যুবকের কারাদণ্ড

কুড়িগ্রামে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত

পাঁচবিবিতে হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

রাঙ্গামাটিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেল ৩৮ জন যাত্রী

গোপালগঞ্জে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত