এখানে পোস্টার মারা নিষেধ
এখানে পোস্টার মারা নিষেধ
রাজেদুল ইসলাম
জীবনের নিরবিচ্ছিন্নতায়
আমি ক্যাস্ত্রোর মতো বিপ্লবী হওয়ার দুঃসাহস দেখাতাম।
যা আমার জীবনের চলমান অস্থিরতাকে বাড়িয়ে দিত।
আমি ভুলে যেতাম বেকারত্বের অর্থচিন্তা
দুরারোগ্য থেকে মুক্তি লাভের ইচ্ছা।
এমন সব উচ্চাকাঙ্খায় মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে যেত
ঘর থেকে বেরিয়ে দেখতাম আকাশের লাল অন্ধকারে আমার স্বপ্নরা চেয়ে আছে।
তারারা মিটিমিটি করে জ্বলছে।
আমার হিংসা হতো
ওরা কেন রাতে না ঘুমিয়ে আমার মতো কষ্ট চর্চা করছে
একদিন তারার সাথে আমার সমঝোতা হয় হতাশার পত্রে।
এভাবে আমি আবিষ্কার হতাম পরিচিত চার দেওয়ালের সংকীর্ণতায়,
নোংরা ডাস্টবিনের পরিত্যক্ততায়,
ব্যাকবেঞ্চারের ভীতিকর গণিতের লগারিদমে কিংবা মেলবোর্নের ২২ গজে।
তারপর নিশিব্যাস্ত হয়ে আমার নিজেকে আবিষ্কারের অপ্রকাশিত বিজ্ঞাপন তৈরি হত।
কারা আমাকে ছিড়ে ফেলত তাদের অস্তিত্ব লোপের ভয়ে।
এটাকে জীবনের অপ্রাসঙ্গিক ভেবে অর্ধেক বিশ্বাস নিয়ে মুক্তি দিয়ে দিয়েছি তাদের।
আমার জীবনের উপাখ্যানে পোস্টার হয়েছিল।
কিন্তু চিরচেনা এই শহরের দেওয়ালে পরিচিত একটা লেখা থাকত
"এখানে পোস্টার মারা নিষেধ"
শিক্ষার্থী: ধোপাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
শ্রেণি: দশম
শাফিন / শাফিন
‘নজরুল বর্ষ: কেবল একটি বর্ষপঞ্জি নয় মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের আন্দোলন’
`নজরুল জাতীয় জীবনের এক অনন্য আলোকবর্তিকা—সাবেক রাষ্ট্রদূত ও নজরুল একাডেমির সভাপতি মসউদ মান্নান''
‘দুঃখ ভাঙার রূপকথা’ সুলেখা আক্তার সান্তা
‘শরৎ এলো’
‘ঘুরে দাঁড়ানো’
‘ক্ষুধার্থের সমীকরণ’
‘ভাগ’
‘দায়িত্বের বৃক্ষ’ আলিফা তাবাচ্ছুম শিখা
`কিছু স্মৃতি শব্দ চায় না' মুহাম্মদ আকাশ মিয়া
প্রিয় রাসুল ( সা:)
“পাখির বাড়ি” সুলেখা আক্তার শান্তা
“বাইপাস” হিলারী হিটলার আভী