অণুগল্প
`কিছু স্মৃতি শব্দ চায় না' মুহাম্মদ আকাশ মিয়া
স্কুলে পড়াকালীন আমার একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়।
মেয়েটি ছিল শ্যামলা বর্ণের, অনেকটা চুপচাপ। ক্লাসের একপাশে নীরবে বসে থাকত, খুব একটা কারও সঙ্গে মিশত না। প্রথমে ভেবেছিলাম সে হয়তো লাজুক, বা কথা বলতে পছন্দ করে না।
পরে জানতে পারি, মেয়েটি আসলে বোবা।
তাই তার নীরবতাটা আর অচেনা লাগেনি। কথা বলতে না পারলেও তার চোখে-মুখে একটা আলাদা শান্ত ভাব ছিল। স্কুলের কোলাহলের মাঝেও সে যেন নিজের একটা নিরিবিলি জগতে থাকত।
সময় গড়াতে গড়াতে তাকে প্রতিদিনই একই জায়গায় দেখতাম। বইয়ের পাতায় চোখ, মাঝে মাঝে জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকা। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলে সে খুব ধীরে হাতের ইশারায় উত্তর দিত। সেই ছোট ছোট ইশারাগুলোতেই ছিল স্পষ্টতা—ভাষা না থাকলেও ভাব প্রকাশ থেমে থাকে না।
ক্লাস শেষ হলে সে নীরবে ব্যাগ গুছিয়ে বেরিয়ে যেত, ভিড়ের মধ্যেও একা। তখন বুঝতে শিখলাম, কিছু মানুষ শব্দের চেয়ে অনুভব দিয়ে বেশি কথা বলে। আমরা যেখানে অকারণে অনেক কথা বলি, সে সেখানে চুপচাপ থেকে সব বুঝে নেয়।
স্কুল শেষ হওয়ার অনেক বছর পরও মাঝে মাঝে তার কথা মনে পড়ে।
নামটা মনে নেই, কণ্ঠস্বরও কোনোদিন শোনা হয়নি।
তবু স্মৃতির ভেতর সে রয়ে গেছে—নীরব, স্থির, নিজের মতো।
জীবনে অনেক মানুষ আসে, কথা বলে, হেসে চলে যায়।
আর কেউ কেউ আসে—কিছু না বলেই থেকে যায় অনেকটা সময়।
কিছু স্মৃতি শব্দ চায় না।
চুপচাপ থাকলেই ঠিক থাকে।
শান্তা / শান্তা
‘নজরুল বর্ষ: কেবল একটি বর্ষপঞ্জি নয় মানবিক মূল্যবোধের পুনর্জাগরণের আন্দোলন’
`নজরুল জাতীয় জীবনের এক অনন্য আলোকবর্তিকা—সাবেক রাষ্ট্রদূত ও নজরুল একাডেমির সভাপতি মসউদ মান্নান''
‘দুঃখ ভাঙার রূপকথা’ সুলেখা আক্তার সান্তা
‘শরৎ এলো’
‘ঘুরে দাঁড়ানো’
‘ক্ষুধার্থের সমীকরণ’
‘ভাগ’
‘দায়িত্বের বৃক্ষ’ আলিফা তাবাচ্ছুম শিখা
`কিছু স্মৃতি শব্দ চায় না' মুহাম্মদ আকাশ মিয়া
প্রিয় রাসুল ( সা:)
“পাখির বাড়ি” সুলেখা আক্তার শান্তা
“বাইপাস” হিলারী হিটলার আভী