কর্ণফুলীতে যত্রতত্র অবৈধ ডেইরী ফার্ম পরিবেশের মারাত্বক বিপর্যয়
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধভাবে বসত বাড়ির আশপাশে গড়ে উঠেছে কয়েক শতাধিক ডেইরী ফার্ম। অবৈধভাবে ডেইরী ফার্ম গড়ে উঠায় পরিবেশেরে মারাত্বক বিপর্যয় হচ্ছে। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে স্থানীয়রা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ করলেও রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না বলে স্থানীয়রা জানায়। এমন কি পরিবেশ আদালত থেকে বন্ধ করার জন্য দিলেও রায় বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে দায়িত্ব দেয়া হলেও প্রশাসনের অবহেলার কারণে বাস্তবায়ন হচ্ছে না।
জানা গেছে, উপজেলার শাহামীরপুর গ্রামের কালু মুন্সীর বাড়ীস্থ মৃত মাহমুদুর রহমান প্রকাশ সাহাব মিয়ার পুত্র মোহাম্মদ নুরুন্নবী ও তারপুত্র মো. নুরুল আবছারের বসতঘর সংলগ্ন এলাকায় ২০০৭ সালে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদনহীন একটি মুরগী ও ডেইরী ফার্ম স্থাপন করে পরিবেশ দূষণ করে। ডেইরী ফার্মটি হওয়ার পর পুরো এলাকা পরিবেশের মারাত্বক ক্ষতি এবং বায়ু ও পরিবেশ দুষনে বিপর্যয় ঘটে। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন পরিবেশ অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোন সুরহা হয়নি। শেষ পর্যন্ত এলাকাবাসীর পক্ষে ২০০৭ সালে মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের পুত্র হাফেজ ক্বারী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে পরিবেশ আদালতে মামলা করেন। পরিবেশ আপিল বিভাগের বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ এস এম এরশাদুল আলমের আদালত গত ১৮ নভেম্বর ২০২১ সালে পরিবেশ আদালত চট্টগ্রামের পরিবেশ মামলা ২৮/২০১০ধারা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯১৫ এর ধারা ৪(২)খ,ঙ ও ১২ ধারা মোতাবেক এক রায়ে বিবাদী কর্ণফুলী শাহামীরপুর গ্রামের মাহমুদুর রহমান প্রকাশ সাহাব মিয়ার পুত্র মো. নুরুন নবী ও মো. নুরুল আবছারকে পরিবেশ বিধান লঙ্ঘনের দায়ে প্রত্যেককে ১ লক্ষ টাকা করে অর্থ দন্ড অনাদায়ে তিন মাস বিনাশ্রমে কারাদণ্ডের আদেশ দেন। উক্ত আদেশ ৩০ দিনের মধ্যে বাস্তবায়ন করার জন্য পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয় চট্টগ্রাকে নির্দেশ প্রদান করেন। প্রায় তিন মাস পাড় হয়ে গেলেও আদালতের আদেশ রহস্যজনক কারণে বাস্তবায়ন হয়নি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, এলাকায় অবৈধ কিছু ডেইরী ফার্ম নিয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা অমান্য করে কিছু প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে মামলার বাদী হাফেজ আব্দুর রহিম জানান, পরিবেশ আদালত রায় দিলেও স্থানীয় প্রশাসন রহস্যজনক কারণে রায় বাস্তবায়ন করছে না, তারা স্থানীয় প্রশাসন তাদের কথায় চলে বলেও বিবাদী এলাকায় হুংকার দিচ্ছে।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে এখনো পর্যন্ত আমার কাছে কোন চিঠি পাঠানো হয়নি চিঠি হাতে পেলে আমার ব্যবস্থা নিব। এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ফেরদাউস আনোয়ার রায় বাস্তবায়ন না হওয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রায়ের কপি এখনো পর্যন্ত আমাদের হাতে আসেনি তবে বাদী রায়ের একটি কপি আমাদের দিয়েছে আদালতের কপি হাতে আসার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।
এমএসএম / এমএসএম
জেলা বিএনপির সদস্য ফারুক আহমেদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থী শিপনের সৌজন্য সাক্ষাৎ
সাভারে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
মুকসুদপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ
চাঁদপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ক্লাস বর্জন
অপরাধ দমনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে রেল প্রতিমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ
আদমদীঘিতে ৬টি পুকুরে ২৮৬ কেজি মাছ অবমুক্ত করলেন এমপি মহিত তালুকদার
বাকৃবিতে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও এগ্রিবিজনেস শিক্ষা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক প্রকল্প
তিস্তা সমবায় সমিতির অনিয়ম প্রকাশে মামলা: মামলা প্রত্যাহার ও হয়রানি বন্ধের দাবিতে লালমনিরহাটে সাংবাদিকদের মানববন্ধন
দুমকীতে কলেজ মাঠ থেকে মেশিনগানের কার্তুজ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
ঢাবি’র নবীন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু
বিএনপির ওয়ার্ড সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় কর্মীকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল
গোদাগাড়ীতে সীমানা পিলার উপড়ে বসতভিটা দখলের চেষ্টা, থানায় জিডি