ত্রাস কবীরসহ ১৫ জলদস্যু র্যাবের হাতে আটক
বঙ্গোপসাগরে বাঁশখালী-পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন এলাকার ত্রাস সৃষ্টিকারী জলদস্যু কবীর বাহিনীর প্রধান নুরুল কবীর (ত্রাস কবির), সেকেন্ড ইন কমান্ড মামুন ডাকাত ও ১৩ জলদস্যুকে বিপুল পরিমাণ দেশি-বিদেশি অগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করেছে র্যাব-৭। শনিবার (২২ জানুয়ারি) র্যাব-৭ চট্টগ্রামের এক বার্তা সূত্রে তথ্যটি জানা গেছে।
গত ১৪ জানুয়ারি ১৭ জেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের তথ্য র্যাব-৮ থেকে সরবরাহ করা হয়। ওই জেলেদের অপহরণ করে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করিলে অসহায় জেলেরা প্রাণে বাঁচতে ২ লক্ষ টাকা অপহরণ কারীদের বরাবর প্রদান করে।পরবর্তীতে আটক জেলেদের পক্ষ থেকে র্যাব-৭ বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করিলে র্যাব সদর গোয়েন্দা বিভাগ র্যাব-৭ ও র্যাব-৮ সদস্যরা যৌথভাবে আটক জেলেদের উদ্ধারে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করে।
র্যাবের অভিযানের টের পেয়ে উল্লেখিত প্রদানকৃত দুই লক্ষ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে আটক জেলেদের ছেড়ে দেয় অপহরণকারী জলদস্যুরা।অপহরণকারীরা মুলত জলদস্যু কবির বাহিনীর প্রধান ত্রাস কবিরের কথা বলে ওইসব মুক্তিপণের দাবী করে।অপহৃত জেলেদের ছেড়ে দিলেও র্যাবের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি কুখ্যাত জলদস্যু কবীর বাহিনীর প্রধান ত্রাস কবির ও তার সহযোগী জলদস্যুরা।
র্যাব (মিডিয়া) কর্মকর্তা নুরুল আবছার জলদস্যুদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে দৈনিক সকালের সময় বাঁশখালী প্রতিনিধি মুহাম্মদ দিদার হোসাইনকে জানান, কুখ্যাত জলদস্যু কবীর বাহিনীর প্রধান নুরুল কবীরসহ ১৫ জলদস্যুকে বাঁশখালী, পেকুয়া, চকরিয়া ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন এলাকায় শুক্রবার রাতে র্যাব অভিযান চালিয়ে অগ্নেয়াস্ত্রসহ আটক করেছে র্যাব।
প্রসঙ্গত, গত ১৪ জানুয়ারি জলদস্যুরা কবীরের নেতৃত্বে ইউসুফের একটি নৌকা ভাড়া করে যার মধ্যে পেকুয়ার মগনামা ঘাট থেকে ৭ জন জলদস্যু এবং কুতুবদিয়া থেকে আরো ৮ জন জলদস্যু নৌকাটিতে উঠে। তারা পুনরায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল ২১ জানুয়ারি র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এর একটি আভিযানিক চৌকস দল চটগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে নুরুল আফসার, নূরুল কাদের, হাসান, মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
তাদের দেয়া তথ্য মতে বাকি জলদস্যুদের চকরিয়া থানার ডান্ডিবাজার এলাকার কবীরের আস্তানা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ২টি বিদেশী পিস্তল, ৬টি ওয়ানশুটার গান, ৪টি কার্তুজ, ৫টি ক্রিজ, ১টি ছুরি, ১টি রামদা, ২টি হাসুয়া উদ্ধারপূর্বক দেশী-বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্রসহ আসামি মো. নুরুল কবির(২৯), মো. আব্দুল হামিদ প্রকাশ কালা মিয়া(৩০), আবু বক্কর(৩১), মো. ইউসুফ(৪৬), গিয়াস উদ্দিন(৩৭), মো. সফিউল আলম প্রকাশ মানিক(৩৬), মো. আব্দুল খালেক(৪৪), মো. রুবেল উদ্দিন(২৭), মো. সাইফুল ইসলাম জিকু(২৮), মো. সুলতানকে(৩৬) আটক করে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ জানুয়ারি অপহরণকৃত ১৭ জন জেলের মধ্যে ১৬ জনকে উদ্ধার করা হলেও জেলে নোয়াখালী সদরের চরকাউনিয়ার আন্ডারচরের আব্দুস সামাদের পুত্র আনোয়ার হোসেন এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে। গ্রেফতারকৃত জলদস্যুদের কাছ থেকে জানা যায় যে গত ১৬ জানুয়ারি রাতে অপহৃত জেলেদেরকে ব্যাপক নির্যাতনের প্রাক্কালে জেলে আনোয়ার অসুস্থ হয়ে পড়ে। মারধরের এক পর্যায়ে আনোয়ার হোসেন ব্যাপক অসুস্থতা বোধ করলে তাকে সাগরে নিক্ষেপ করা হয়।
আটক জলদস্যুদের প্রায় প্রত্যেকের নামেই অপহরণ ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
র্যাবের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা জানান,জানান, ব্যাপক অভিযানের ফলে সুন্দরবন এলাকা জলদস্যুমুক্ত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বর্তমানে জলদস্যুরা দেশের দক্ষিণাঞ্চলে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী,আনোয়ারা এবং কক্সবাজার জেলার পেকুয়া, কুতুবদিয়া অঞ্চলকে বেছে নিলেও র্যাব-৭, চট্টগ্রামের ব্যাপক অভিযানের ফলে উল্লেখিত অঞ্চলগুলোকে জলদস্যু মুক্ত করা হবে।
জামান / জামান
নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসক পরীক্ষার্থীদের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন- সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের নির্দেশনা
বাঁশখালীতে গভীর রাতে প্রশাসনের অভিযান, বালুভর্তি ১ মিনি (ড্যাম্পার) জব্দ
শ্যামনগরে জামায়াতে ইসলামীর সংবাদ সম্মেলন: “সুমাইয়া বন্যা আমাদের কেউ নন, অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা”
শরণখোলায় বাণিজ্যিকভাবে বিষমুক্ত তেল উৎপাদন শুরু
শ্রীপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ চারজন গ্রেফতার
তিস্তার চরে বাম্পার ফলন, তবুও হতাশ কৃষক : শিলাবৃষ্টি ও দরপতনে কোটি টাকার ক্ষতি
সুন্দরগঞ্জের চন্ডিপুর ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন
ফরিদগঞ্জে সবুজ মাঠে ধুলছে কৃষকের স্বপ্ন
লাকসামে স্কুল ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
কারাগারে বসেই এসএসসি পরিক্ষা দিল নোয়াখালীর রাজন
পূর্বধলায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশে উপজেলা ছাত্রদল; পানি, স্যালাইন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
ধামইরহাটে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত