দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে পদায়নে গোপনে সুপারিশ
সরকারি খাদ্যগুদাম থেকে চাল পাচার ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ফখরুল আলম। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে র্যাবের দায়েরকৃত দুইটি মামলা চট্টগ্রাম আদালতে বিচারাধীন। এরপরও তার রয়েছে নানান অনিয়মের অভিযোগ। তবে খাদ্য বিভাগের বিতর্কিত এই কর্মকর্তাকে এবার সুবিধামত স্থানে বদলী দিতে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। এইজন্য গত ক’দিন আগে খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে সুপারিশসহ চিঠি পাঠিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল কাদের ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. জহিরুল ইসলাম খান। আর এই চিঠি পাঠানোর খবর প্রকাশ হতেই চট্টগ্রাম জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, চাল পাচার ও ষুষের অভিযোগে অভিযুক্ত এই কর্মকর্তা দুই বার গ্রেপ্তার হন। কারাগারে গিয়ে সাময়িক চাকরিচ্যুত হন তিনি। এরপর জামিনে বেরিয়ে ফের বহাল তবিয়েতে সেই আগের মতো কর্মকা- শুরু করেন তিনি।
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এ কর্মকর্তা খাদ্য পরিদর্শক সমিতির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি হওয়ার সুবাধে খাদ্য বিভাগের উধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে নানা তদবিরে ব্যস্ত থাকেন। এই জন্য তার ভয়ে মুখখুলতে সাহস করেন না কেউ-ই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০০৭ সালে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকাকালীন সেনা বাহিনীর হাতে ঘুষের টাকাসহ ধরা পড়ে কয়েক মাস জেল খাটেন মো. ফখরুল আলম। তখন চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত হন তিনি। এরপর মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে রামগড় খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। পরে সেখান থেকে বদলী হয়ে হালিশহর সিএসডি খাদ্যগুদামের সহকারী ম্যানেজার হন তিনি। এখানে যোগদানের পর আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। নতুন করে শুরু করেন তার পুরোনো অবৈধ কারবার।
২০১৭ সালের র্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার থেকে পালিয়ে গেলেও মামলা থেকে বাঁচতে পারেন নি। আটক হন হালিশহর সিএসডি খাদ্য গুদামের ব্যবস্থাপক প্রনয়ন চাকমাসহ ৫জন। হালিশহর ও আকবরশাহ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি মামলা হয় তাঁর ও সহযোগীদের নামে। এই মামলা এখনো চট্টগ্রাম আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। মামলা দুইটিতে ফখরুল আলম অভিযুক্ত হলে তিনি আবার জেলেখাটেন এবং সাময়িক চাকরিচ্যুত হন। কিন্তু মামলা শেষ না হতে বা অব্যাহতি না পেলেও তিনি আবার পদোন্নতি পেয়ে চট্টগ্রামের কর্নফুলী উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এবার তিনি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আওতাধীন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (কারিগরী) পদটি পেতে মরিয়া।
তিনি উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক হলেও খাদ্য বিভাগের পরিদর্শক সমিতির পদটা আকড়ে ধরে আছেন। সেটিকে ব্যবহার করে তিনি কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুল কাদের জানান, ফখরুল আলমকে পদোন্নতি নয় বদলির জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
শাফিন / শাফিন
সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত