ঢাকা মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলায় সাক্ষী দিলেন সেই বিচারক ফরিদ


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৭-২-২০২২ রাত ৮:২২
২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে আটক হওয়া ১০৭ ড্রাম সূর্যমূখী তেলের সাথে তরল কোকেন মিশ্রিত করে আনা আলোচিত মামলায় সাক্ষী দিলেন তৎকালীন ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আলম।  আজ সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর অতিরিক্ত ৪র্থ আদালতে তার স্বাক্ষী দেওয়ার মাধ্যমে  বিচার কার্য শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহারী ওমর ফুয়াদ। একই ঘটনায় দায়ের হওয়া অপর একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মাদকের মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। 
 
জানা যায়,  শুরু থেকে কোকেন মামলা হওয়ার ঘটনা গুলো ছিল খুব চমকপ্রদ। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা  ইন্টারপোল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্থা সিআইডিকে জানায় যে, বলিভিয়া থেকে একটি কন্টেইনারে তরল কোকেন পাচার হচ্ছে। তৎকালীন সিআইডি প্রধান জাবেদ পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে পুলিশ, কাস্টমস, বন্দর কতৃপক্ষ, নৌবাহিনী সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে আলামত জব্দ করে নৌবাহিনীর ল্যাবে আলামত পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। এরি মধ্যে এ বিষয়ে বন্দর থানায় পুলিশ একটি জিডি করে। কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ৩ জন আসামীকে আটক করে। পরবর্তীতে রিপোর্ট আসে উক্ত তেলের ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব নেই। আসামীর জামিন শুনানীতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম উক্ত রিপোর্ট ও ওই প্যাটার্নে হওয়া মামলা গ্রহন করলেন না।
 
তিনি আদেশ করলেন যেহেতু আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়া, আলামত উদ্ধার, আসামী আটক থাকার পরেও কেন এজাহার হয়নি এবং এই কারনে কেন ওসির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না সে বিষয়ে শোকজ করেন। একি সাথে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন। এভাবেই জন্ম হয় বহুল আলোচিত ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলার।
 
কোকেন মামলা শুরু থেকে আলামত জব্দ করা, তদন্ত কাজসহ প্রতি স্তরের কাজে নানা প্রতিকুলতা পার করে। এই মামলার তদন্তকালে আলামত জব্দ করে বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস ড্রাগ এন্ড ফুড টেস্টিং ল্যাব, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সিআইডি তথা তিন সংস্থার কাছে। একি আলামতের তিন সেট প্রেরন করা হয় এবং তিনটি সংস্থার রিপোর্টে কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এই মামলার তদন্তকালে প্রতি পদে পদে বাধা ডিঙ্গাতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম প্রায় ৩৬ টি চৌকস আদেশ প্রদান করেন। তৎকালীন সময়ে এই মামলাটি মিডিয়া অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে এই আলামতগুলো  ধ্বংস করা হয়। 
 
আদালত, র্যাব, পুলিশ, কাস্টমস বিভাগ সহ সকল সংস্থার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে এই পর্যন্ত গড়িয়ে বর্তমান সময়ে৷ আন্তর্জাতিক চোরা চালানের মধ্যমে আনা কোকেন আটকে দেয়া সম্ভব হয়েছে আদালত সহ সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার কারনে। এই মামলায় ৩ জন আসামীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করেন ফরিদ আলম। আজ তার সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে কোকেন মামলার বিচারের কাজ আরো একধাপ এগিয়ে গেলো।

এমএসএম / শাফিন

সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা

নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান

মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন

বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত

অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন

মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত

মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত

রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার