ঢাকা সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলায় সাক্ষী দিলেন সেই বিচারক ফরিদ


চট্টগ্রাম ব্যুরো photo চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশিত: ৭-২-২০২২ রাত ৮:২২
২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে আটক হওয়া ১০৭ ড্রাম সূর্যমূখী তেলের সাথে তরল কোকেন মিশ্রিত করে আনা আলোচিত মামলায় সাক্ষী দিলেন তৎকালীন ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আলম।  আজ সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর অতিরিক্ত ৪র্থ আদালতে তার স্বাক্ষী দেওয়ার মাধ্যমে  বিচার কার্য শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহারী ওমর ফুয়াদ। একই ঘটনায় দায়ের হওয়া অপর একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মাদকের মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে। 
 
জানা যায়,  শুরু থেকে কোকেন মামলা হওয়ার ঘটনা গুলো ছিল খুব চমকপ্রদ। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা  ইন্টারপোল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্থা সিআইডিকে জানায় যে, বলিভিয়া থেকে একটি কন্টেইনারে তরল কোকেন পাচার হচ্ছে। তৎকালীন সিআইডি প্রধান জাবেদ পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে পুলিশ, কাস্টমস, বন্দর কতৃপক্ষ, নৌবাহিনী সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে আলামত জব্দ করে নৌবাহিনীর ল্যাবে আলামত পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। এরি মধ্যে এ বিষয়ে বন্দর থানায় পুলিশ একটি জিডি করে। কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ৩ জন আসামীকে আটক করে। পরবর্তীতে রিপোর্ট আসে উক্ত তেলের ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব নেই। আসামীর জামিন শুনানীতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম উক্ত রিপোর্ট ও ওই প্যাটার্নে হওয়া মামলা গ্রহন করলেন না।
 
তিনি আদেশ করলেন যেহেতু আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়া, আলামত উদ্ধার, আসামী আটক থাকার পরেও কেন এজাহার হয়নি এবং এই কারনে কেন ওসির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না সে বিষয়ে শোকজ করেন। একি সাথে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন। এভাবেই জন্ম হয় বহুল আলোচিত ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলার।
 
কোকেন মামলা শুরু থেকে আলামত জব্দ করা, তদন্ত কাজসহ প্রতি স্তরের কাজে নানা প্রতিকুলতা পার করে। এই মামলার তদন্তকালে আলামত জব্দ করে বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস ড্রাগ এন্ড ফুড টেস্টিং ল্যাব, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সিআইডি তথা তিন সংস্থার কাছে। একি আলামতের তিন সেট প্রেরন করা হয় এবং তিনটি সংস্থার রিপোর্টে কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এই মামলার তদন্তকালে প্রতি পদে পদে বাধা ডিঙ্গাতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম প্রায় ৩৬ টি চৌকস আদেশ প্রদান করেন। তৎকালীন সময়ে এই মামলাটি মিডিয়া অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে এই আলামতগুলো  ধ্বংস করা হয়। 
 
আদালত, র্যাব, পুলিশ, কাস্টমস বিভাগ সহ সকল সংস্থার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে এই পর্যন্ত গড়িয়ে বর্তমান সময়ে৷ আন্তর্জাতিক চোরা চালানের মধ্যমে আনা কোকেন আটকে দেয়া সম্ভব হয়েছে আদালত সহ সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার কারনে। এই মামলায় ৩ জন আসামীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করেন ফরিদ আলম। আজ তার সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে কোকেন মামলার বিচারের কাজ আরো একধাপ এগিয়ে গেলো।

এমএসএম / শাফিন

কালিয়াকৈরে  জাতীয় যুব দিবস পালিত 

বাকেরগঞ্জে নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগ: মামলার ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ২ আসামি কারাগারে

নানা আয়োজনে পানছড়ি ৩ বিজিবির ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

পটুয়াখালীতে জাতীয় যুব দিবস পালিত: ৫ লাখ টাকার যুব ঋণ বিতরণ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি

তাড়াশে জাতীয় যুব দিবস পালিত

কচাকাটা কলেজে ৪ পদে নিয়োগ বাণিজ্যের অভিযোগ: অধ্যক্ষ ও সভাপতির কুশপুত্তলিকা দাহ, মানববন্ধন

ঠাকুরগাঁওয়ে উদীচীর ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা

সেন্টমার্টিন সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে বোটসহ ১০ হাজার কেজি ইউরিয়া সার জব্দ: আটক ৯

শ্যামনগরে 'নক্ষত্রের অভিবাদন': বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের সংবর্ধনা প্রদান

ঘিওরে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: আলোচনা সভা ও হাত ধোয়ার প্রদর্শনী

এইচএসসিতে সিলেট এমসি কলেজ থেকে মেহরাবুলের গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন

চাঁদপুরে রডবোঝাই ট্রাকসহ ৩ হাজার ৯২০ পিস ইয়াবা জব্দ: গ্রেপ্তার ২

উল্লাপাড়ার দুই শত বছরের ঐতিহাসিক দুর্গানগর মন্দিরে ৫ বছর ধরে পূজা বন্ধ