সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলায় সাক্ষী দিলেন সেই বিচারক ফরিদ
২০১৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দরে আটক হওয়া ১০৭ ড্রাম সূর্যমূখী তেলের সাথে তরল কোকেন মিশ্রিত করে আনা আলোচিত মামলায় সাক্ষী দিলেন তৎকালীন ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফরিদ আলম। আজ সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর অতিরিক্ত ৪র্থ আদালতে তার স্বাক্ষী দেওয়ার মাধ্যমে বিচার কার্য শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বেঞ্চ সহারী ওমর ফুয়াদ। একই ঘটনায় দায়ের হওয়া অপর একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মাদকের মামলার চার্জ গঠন করা হয়েছে।
জানা যায়, শুরু থেকে কোকেন মামলা হওয়ার ঘটনা গুলো ছিল খুব চমকপ্রদ। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল বাংলাদেশ পুলিশের সংস্থা সিআইডিকে জানায় যে, বলিভিয়া থেকে একটি কন্টেইনারে তরল কোকেন পাচার হচ্ছে। তৎকালীন সিআইডি প্রধান জাবেদ পাটোয়ারীর উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে পুলিশ, কাস্টমস, বন্দর কতৃপক্ষ, নৌবাহিনী সহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে উক্ত কন্টেইনার সনাক্ত করে আলামত জব্দ করে নৌবাহিনীর ল্যাবে আলামত পরীক্ষার জন্য প্রেরন করা হয়। এরি মধ্যে এ বিষয়ে বন্দর থানায় পুলিশ একটি জিডি করে। কাস্টমস ইন্টেলিজেন্স ৩ জন আসামীকে আটক করে। পরবর্তীতে রিপোর্ট আসে উক্ত তেলের ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব নেই। আসামীর জামিন শুনানীতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম উক্ত রিপোর্ট ও ওই প্যাটার্নে হওয়া মামলা গ্রহন করলেন না।
তিনি আদেশ করলেন যেহেতু আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়া, আলামত উদ্ধার, আসামী আটক থাকার পরেও কেন এজাহার হয়নি এবং এই কারনে কেন ওসির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে না সে বিষয়ে শোকজ করেন। একি সাথে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিয়মিত মামলা দায়ের করার নির্দেশ দেন। এভাবেই জন্ম হয় বহুল আলোচিত ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সাড়ে নয় হাজার কোটি টাকার কোকেন মামলার।
কোকেন মামলা শুরু থেকে আলামত জব্দ করা, তদন্ত কাজসহ প্রতি স্তরের কাজে নানা প্রতিকুলতা পার করে। এই মামলার তদন্তকালে আলামত জব্দ করে বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সেস ড্রাগ এন্ড ফুড টেস্টিং ল্যাব, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও সিআইডি তথা তিন সংস্থার কাছে। একি আলামতের তিন সেট প্রেরন করা হয় এবং তিনটি সংস্থার রিপোর্টে কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। এই মামলার তদন্তকালে প্রতি পদে পদে বাধা ডিঙ্গাতে তৎকালীন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদ আলম প্রায় ৩৬ টি চৌকস আদেশ প্রদান করেন। তৎকালীন সময়ে এই মামলাটি মিডিয়া অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে এই আলামতগুলো ধ্বংস করা হয়।
আদালত, র্যাব, পুলিশ, কাস্টমস বিভাগ সহ সকল সংস্থার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে এই পর্যন্ত গড়িয়ে বর্তমান সময়ে৷ আন্তর্জাতিক চোরা চালানের মধ্যমে আনা কোকেন আটকে দেয়া সম্ভব হয়েছে আদালত সহ সকল সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টার কারনে। এই মামলায় ৩ জন আসামীর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী রেকর্ড করেন ফরিদ আলম। আজ তার সাক্ষ্য প্রদানের মাধ্যমে কোকেন মামলার বিচারের কাজ আরো একধাপ এগিয়ে গেলো।
এমএসএম / শাফিন
কক্সবাজার সমুদ্র এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান
মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার; ১ অপহরণকারী আটক
কালকিনিতে টানা ৬ষ্ঠবারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান মোল্লারহাট ফাযিল মাদরাসা
লামায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
নেত্রকোনায় মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাতে জখম
কুড়িগ্রামে আহত অবস্থায় বিরল প্রজাতির ময়ূর উদ্ধার
রায়গঞ্জে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সচেতনতায় উঠান বৈঠক
রৌমারীতে ইমারত নির্মান শ্রমিকের নব নির্মিত অফিস শুভ উদ্বোধন
বাগেরহাটে এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক সহ ১২ সদস্যর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ
বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার, শ্রমিক ফেডারেশনের বিবৃতি
ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখার ঘোষণা আবু সুফিয়ানের
সাবেক ছাত্রলীগ নেতার পদোন্নতি নিয়ে কেজিডিসিএলে তোলপাড়
শালিখার দুঃস্ত মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ
Link Copied