জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস পালিত
বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের সুচিকিৎসার বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি। গত মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২ টায় জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা শাখার পক্ষ থেকে বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে "ক্যান্সার যারা আছে এন্সার" শীর্ষক আলোচনা সভা ও বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করে। জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির উপদেষ্টা ডাক্তার মুহাম্মাদ শাহাদাৎ হোসাইন'র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও গবেষক ডা: মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ। উদ্বোধক ছিলেন সংগঠনের সদস্য মুহাম্মাদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, সমাজ সেবক মোরশেদ আলম।
এসময় প্রধান অতিথি বলেন, এক সময় ক্যান্সার রোগ হলে মৃত্যু নিশ্চিত ছিল। কিন্তু স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতির ফলে এখন কিছুটা নিরাময়যোগ্য হয়েছে। সারা বাংলাদেশে বিশেষ করে শিশুদের ক্যান্সারাক্রান্ত কেন হয় এবং হলে করণীয় কি এবিষয়ে জনসচেতনতা নেই বললেই চলে। সরকারের উচিত শিশুদের ক্যান্সার আক্রান্তের বিষয়টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারের ব্যবস্থা করা। তাছাড়া নারীদের স্তন ক্যান্সার এখন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। পাশাপাশি প্রত্যেকটি জেলায় ক্যান্সার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের খরচের অর্ধেক বহন করা উচিত রাষ্ট্রের। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন রোগীকে দীর্ঘদিন চিকিৎসার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয়। যার ফলে কাঙ্খিত সেবা না পেয়ে অধিকাংশ রোগী মারা যায়। আর বেশির ভাগ শিশুর ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য। শনাক্ত করা গেলে ও উন্নত চিকিৎসা পেলে ৭০ শতাংশ রোগী সেরে ওঠেন। কিন্তু মাত্র ২০ শতাংশ রোগী উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পান।
ওয়ার্ল্ড চাইল্ড ক্যান্সারের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেমন বলছে, বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর অন্তত তিন লাখ শিশু ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। নিম্ন আয়ের দেশগুলোয় আক্রান্ত শিশুদের ৯০ শতাংশই চিকিৎসার অভাবে মারা যায়।
সংস্থাটির তথ্য মতে, বর্তমানে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুদের মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশে প্রায় ১৩ থেকে ১৫ লাখ ক্যান্সার আক্রান্ত শিশু রয়েছে। ২০০৫ সালেই ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর সচেতন না হলে ২০৩০ সালে এ হার দাঁড়াবে ১৩ শতাংশে।
প্রতিবছরই ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। তাই শিশুদের সঠিক চিকিৎসার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার যেমন পালং শাক, ব্রুকলি, ডিমের কুসুম, মটরশুটি, কলিজা, মুরগীর মাংস, কচুশাক, কলা, মিষ্টিআলু, কমলা, শালগম, দুধ, বাঁধাকপি, বরবটি, কাঠবাদাম মতো ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে।’আর সুনির্দিষ্ট কোনও কারণ না থাকলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জেনিটিক্যাল কারণ, ভাইরাস, খাবারে টক্সিনের উপস্থিতি, ক্যামিকেলস, পরিবেশগত সমস্যায় শিশুদের ক্যান্সার হয়। তবে আশার কথা হচ্ছে প্রাথমিকভাবে এ রোগ শনাক্ত করা গেলে বেশিরভাগ শিশুরই ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা, শারীরিক ফিটনেস উন্নতিতে নিয়মিত ব্যায়াম এর ব্যবস্থা করা। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আলাদাভাবে একটি জাতীয় কাউন্সিল গঠন করা।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসাইন সুমন কমলনগরী, মুহাম্মাদ ইব্রাহীম রিয়াদ, মুজাহিদুল ইসলাম, মুহাম্মাদ আরাফাত হোসাইন, আদিবা জাহান আরিফা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় রোগী কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে ফেনী ও চট্টগ্রামে বিনামূল্যে শতাধিক রোগীকে ঔষধ প্রদান করা হয়।
শাফিন / শাফিন
হাকালুকি হাওরের পরিবেশ সুরক্ষায় ২৭ হাজার হিজল গাছের চারা রোপণ সম্পন্ন
গাজীপুরে কোনাবাড়ী-কাশিমপুর আঞ্চলিক সড়ক যেন মরণ ফাঁদ, দুই যুগ ধরে সংস্কারহীন
খুলনা হেরাজ মার্কেটে ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযান; জরিমানা
ফুলছড়িতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ–২০২৬ কারিগরি কলেজ পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম
মনোহরগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপির মিডিয়া সেলের ম্যানেজারের মতবিনিময় সভা
নির্বাচনের প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরুর পর : মির্জা ফখরুল
বাগেরহাটের ফকিরহাটে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা
শেরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
চাঁদপুরের বিএনপির অধিকাংশ প্রার্থী কোটিপতি, পিছিয়ে জামায়াত
থানা হবে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার কেন্দ্রস্থল: এসপি তারিকুল ইসলাম
বাকেরগঞ্জে স্কুল এন্ড কলেজের থামিয়ে রাখা গাড়ির উপর উঠিয়ে দিল লরী আহত ৪
নড়াইলে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল