ঢাকা সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬

রাজশাহী সুগার মিলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ


শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান  photo শাহিনুর রহমান সোনা, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান
প্রকাশিত: ৬-৩-২০২২ দুপুর ৩:১৩
রাজশাহী জেলার একমাত্র ভারী রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অধীনস্থ রাজশাহী সুগার মিলস্ লিমিটেড বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে, যা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় বিগত কয়েক বছর যাবৎ প্রকাশিত হলেও এখনো প্রতিষ্ঠানটিতে দুর্নীতি বন্ধ হয়নি। 
 
প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৮০০ থেকে ৯০০ জন শ্রমিক-কর্মচারী এবং প্রায় ৩৮ জন কর্মকর্তা কর্মরত। কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারী এবং কর্মকর্তাদের থাকার আবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। ভবনগুলো পুরনো হলেও বিভিন্ন সময়ে প্রতিষ্ঠানটিতে পণ্য ও সেবা প্রকল্পের অনুদানের টাকা থেকে মেরামত কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের থাকার সুব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, যেসব শ্রমিক-কর্মচারীর নামে বাসা বরাদ্দ রয়েছে তাদের বেতন থেকে বাড়ি ভাড়া কাটা হলেও প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের বাসা ভাড়া কাটা হয় না। প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন বাসায় কর্মকর্তারা বসবাস করলেও তাদের বাসাগুলো পরিত্যক্ত বাসা হিসেবে প্রায় এক যুগ যাবৎ দেখিয়ে আসছেন।
 
এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, রাজশাহী সুগার মিলস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নির্দেশে প্রতি মাসে অর্থ বিভাগ হতে পরিত্যক্ত বাসায় বসবাসরত কর্মকর্তাদের বাড়ি ভাড়া ভাতাসহ বেতন প্রদান করছেন এবং সকল কর্মকর্তার কাছ থেকে বাড়ি ভাড়া বাবদ ভাতার কিছু অংশ (কর্তনকৃত বাড়ি ভাড়া ভাতার ৫০%) প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহজাহান কবির প্রতি মাসেই আত্মসাৎ করছেন। এ বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অডিটে ধরা পড়লেও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবরের মতো অডিটরদের ঘুষ দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার মাধ্যমে সরকারি অর্থ/সম্পত্তি আত্মসাৎ বা ক্ষতিসাধন করে আসছেন। 
 
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দকৃত বাসাগুলো পরিত্যক্ত হলেও বসবাসরত কর্মকর্তারাই নিজ খরচে ঠিক করে বাসাগুলোতে থাকছেন। আর প্রতি মাসের বেতনে সঙ্গে তাদের বাড়ি ভাড়া বাবদ ভাতা প্রদানের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন ও ভুল হয়েছে বলেও জানান। অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক বিষয়টি এড়িয়ে যান। 
 
শুধুমাত্র বাসা ভাড়া বরাদ্দ বা আত্মসাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় সেখানকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা জড়িয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির উন্নয়নমূলক কাজের নামে নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির প্রকৌশলীরা নানা সংস্কার ও মেরামত কাজে লোপাট করছেন মোটা অংকের টাকা। কমিশনভিত্তিক আরএফকিউর মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দিচ্ছেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রকৌশলীরা। 
 
২০২১-২০২২ অর্থবছরে প্রায় ১৪৪ কোটি টাকার অনুকূলে ১০১ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার ব্যয় করেছে সুগার মিলস কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, উৎপাদন খরচ ১০১ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার টাকা। 
 
অনুসন্ধানে জানা যায়, মাসের পর মাস বেতন আটকে থাকলেও বরাদ্দের টাকা লোপাটে চলে মহোৎসব। ওপেন টেন্ডার নেই। আছে আরএফকিউ নামে কমিশন বাণিজ্য। অভিজ্ঞ বা লাইসেন্সধারী কোনো ঠিকাদার নয়, পছন্দের মানুষ বা নিজে করছেন কাজ। সম্প্রতি পানির পাম্প মোটর বসানোর কাজ পায় বাংলাদেশ স্যানিটারি নামে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির মালিক বাবুল ইন আরএফএলের ডিলার। ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকার পানির পাম্প বসানোর কাজটিতে নতুন কোনো মেশিন না লাগিয়ে বিল করায় সেখানে হট্টগোলও বাধে। পুরাতন মেশিন মেরামত করে বিলের টাকা উত্তোলন করার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মরত কর্মচারীদের একাংশ।
 
কাজের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইঞ্জিনিয়ার সামিউল ইসলাম বলেন, গণ্ডগোল হওয়ায় একটি পক্ষ আপনাদের মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে। সঠিক প্রক্রিয়ায় নতুন মোটর বসানো হয়েছে।

এমএসএম / জামান

বাগেরহাটে আইনজীবী হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

নাগেশ্বরীতে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও এসআইএর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মানববন্ধন

রাণীনগরে ইউএনও রাকিবুল হাসানের বদলি বাতিলের দাবিতে নেটিজেনরা

বেনাপোল বন্দরে গেটপাশ জটিলতা: দুই দিন পর আমদানি শুরু

‎অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পিরোজপুরে র‍্যাব-৮ এর টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নোয়াখালীতে লাকড়ির ঘরে মিলল এলজি-কার্তুজ

খাঁনপুর জে.পি উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি আবু সাঈদ চাঁদকে সংবর্ধনা

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের চারা বিতরণে ক্ষোভ

সাতক্ষীরায় মাদক-চোরাচালানে জিরো টলারেন্স ঘোষণা খুলনা রেঞ্জের ডি আইজি

খাঁনপুর জে.পি উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি আবু সাঈদ চাঁদকে সংবর্ধনা

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সচেতনতামূলক মাদকবিরোধী সমাবেশে-জেলা পুলিশ সুপার

ইউএনও থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খাদিজা বেগম