সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
পুলিশ সোর্সের কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রী কারাগারে
পল্লবী থানা পুলিশের সোর্স তারেকের লোলপ দৃষ্টি সুন্দরী কলেজ ছাত্রী। সোর্সের কুপ্রাস্তাবে রাজী না হওয়া ও নিয়মিত চাঁদা না দেওয়ায় পুলিশ নিয়ে বাড়িতে তল্লাশীর নামে নির্যাতন করা হয়েছে। রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ পৃথিবী আক্তার নামে এক গৃহবধূ এ অভিযোগ করেন। এ সময় তার বড় বোন মাকসুদা ও ভাই ডলারের স্ত্রী আজমেরীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলেন, পুলিশের নির্যাতনের তার মা মারা যান। এ ঘটনায় মামলার দায়েরের প্রস্তুতিত সংবাদ পেয়ে পুলিশ বাড়িতে হামলা চালিয়ে দুই নারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। পুলিশি অভিযানের সময় নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করায় কলেজছাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ বিনা কারণে তাদের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা দিয়েছে। তার ছোট বোনটাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো মহিলা পুলিশও ছিল না। তারা তার স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিয়েছে। পুলিশের ভয়ে এখন পুরো পরিবার বাড়িছাড়া।
পৃথিবী আক্তার বলেন, তার দুই বোন ও ভাইকে গত ২ মার্চ বিনা কারণে পল্লবী থানা পুলিশে ধরে নিয়ে যায়। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তার ভাইকে ধরতে এসে টানাহেঁচড়া করার সময় সেই দৃশ্য দেখে তার মা হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। এরপর তারা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন জেনে আবারো তাদের বাসায় হানা দেয় পুলিশ। এবার তার দুই বোন ও ভাইকে ধরে নিয়ে যায়।
গত ১৬ ফেব্রুয়ারি তাদের কাছে তারেক নামে পুলিশের সোর্স চাঁদা দাবি করে। তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওইদিন রাতে তাদের বাসায় পুলিশ নিয়ে যায় তারেক। পরে তার ভাই ডলারকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বাধা দেন।এসময় পুলিশ তার মাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। পুলিশের ধাক্কায় সেখানেই জ্ঞান হারিয়ে তিনি মামরা যান। এসময় পুলিশ তার ভাইকে আটক করলেও পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তারা পালিয়ে যায়। তারা তাদের মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় মামলার সেই পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বিষয়টি জানতে পারে পুলিশ। গত ২ মার্চ আবারও তাদের বাসায় যায় পুলিশ। সেই টিমে পুলিশের সোর্স তারেক ছাড়াও পল্লবী থানার এসআই আনোয়ার, হুমায়ুন কবির, এসআই তাপস, এসআই হরিন দাস, এসআই কামরুল, কন্সটেবল জাহাঙ্গীরসহ আটজন ছিল। তারা তাদের বাসা থেকে তার ভাই ডলারকে ধরে নিয়ে যেতে চাইলে ওই সময় তার ছোট বোন ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু তারা তার মোবাইল ফোনটি কেড়ে নেয় এবং তাকেসহ আরও দুই বোন রিপা আক্তার, দিপা আক্তার ও ভাই ডলারকে ধরে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, আমাদের নামে থানায় কোন মামলা নেই। আমরা শাড়ির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। পুলিশের সোর্স তারেক চাঁদা চেয়েছিল। আমরা না দেওয়ায় তারা ভাইকে ধরতে আসে। সেইদিন ভাই, বোন ও মা সহ আমরা বোন রিপার বাসায় ছিলাম। সেই বাসা থেকে রিপা আক্তার (২৩), ভাই ডলার ও কলেজ পড়ুয়া ছোট বোন দিপাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। তারা আমার বোনের বাচ্চাকেও সাথে দিতে দেয়নি। এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিস্টদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন ভুক্তভোগিরা।
এমএসএম / জামান
শিশু হাসপাতালে জানালার গ্রিল চুরির সময় যুবক আটক
ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
নারী সেনা সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ
সাংবাদিক আবু জাফর সূর্যকে আটকের ঘটনায় নিপীড়নবিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্টের তীব্র নিন্দা, দ্রুত মুক্তির দাবি
ডেঙ্গু ঠেকাতে তিন মাসের অভিযান, ফুটপাত দখল হলেই উচ্ছেদ: ডিএনসিসি
সুফিবাদ বিষয়ক শিক্ষা জাতীয় শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ‘সুফিবাদ গবেষণা ফাউন্ডেশন’-এর ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত
মশক নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা ও ড্রেনেজ সেবায় গতি বাড়ানোর উদ্যোগ
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়নে গোলটেবিল বৈঠক
দূষিত বাতাস ও দীর্ঘ ডিউটিতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ট্রাফিক পুলিশ
স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন প্রণয়ন উপলক্ষে ড্যাবের গোলটেবিল বৈঠক কাল
যৌথ উদ্যোগেই পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত ঢাকা গড়ে তোলা সম্ভব: ডিএনসিসি প্রশাসক
রাজউকের অভিযানে ১০ ভবনের আংশিক অপসারণ