চট্টগ্রামে ওয়াক্ফ এস্টেটের প্রতিবেদনে লুকোচুরি
নগরীর বাকলিয়া এলাকার আব্দুল মজিদ গং ওয়াক্ফ এস্টেটের মোতোয়াল্লী নিয়োগের বিষয়ে দাখিল করা এক তদন্ত প্রতিবেদন ব্যাপক গোজামিলের অভিয়োগ ওঠেছে। মৃত ২ ব্যক্তির এক ডজন ওয়ারিশ জীবিত থাকলেও রহস্যজনক কারনে তারা নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন বলে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন ওয়াকফ এস্টেট চট্টগ্রাম জোন-২ এর পরিদর্শক নাছির উল্যাহ। প্রতিবেদনে ভুল হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন আমিতো ওখানে সবাইকে চিনিনা তাই তদন্তকালে আমাকে কিছু লোক ভুল তথ্য দিয়েছিল এটা ঠিক তবে বাদ পড়া ওয়ারিশগণেরা প্রশাসক বরাবরে একটি আবেদনও করেছে এর ফলে এটি নতুন করে আবার তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমি সেই মোতাবেক তদন্ত করছি আশা করি এবার কেউ বাদ যাবেনা।
তদন্ত প্রতিবেদন সুত্রে জানা যায় এলাকায় ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিগণের নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে মসজীদ স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য ১৯০৭ সালে বাকলিয়া নিবাসী আব্দুল মজিদ ও বদিয়ান্নিছা ৪৯৯০ নং কবলামুলে ৪ একর সম্পত্তি ওয়াক্ফ করেন। ওয়াকিফগণের একমাত্র পুত্র আব্দুল গনি মৃত্যুকালে নুর আহমদ, বশির আহমদ, আব্দুল হাকিম, জালাল আহমদ ও তফজল আহমদকে ওয়ারিশ রেখে যান। এখানে নুর আহমদ পুত্র ফরিদ আহমদসহ ৩ জন এবং ফরিদ আহমদ ৩ ছেলে ও ৪ মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করেন অন্যদিকে আব্দুল হাকিম ২ ছেলে ও ৩ মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করলেও রহস্যজনক কারনে এই ২ জন নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় নানা সমালোচনা শুরু হয় এক পর্যায়ে নুর আহমদ ও আব্দুল হাকিমের ওয়ারিশগণেরা জানতে পেরে গত ২ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন বাতিল ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ওয়াক্ফ এস্টেট প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। মরহুম নুর আহমদের নাতি মো. আক্কাসসহ ১৩ জন ওয়ারিশ ওই অেিযাগে স্বাক্ষর করেছেন।
লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে বশির আহমদের পুত্র ও বর্তমানে মোতোয়াল্লী প্রার্থী রিতাপ উদ্দিন বাবুর পিতা মৃত জামাল আহমদ ১৯৭২ সাল থেকে মোতোয়াল্লীর দায়িত্ব পালন করলেও তিনি এস্টেট বা মসজীদের কোন উন্নয়ন করেনি বরং উক্ত এস্টেটের মোর আলী বাপের মসজীদের উন্নয়ন, ইমাম ও মোয়াজ্জিনের বেতন এবং অন্যান্য খরচাদি এলাকায় বসবাসকারী ও মুসুল্লিদের দানের টাকায় চলত।
এব্যপারে মরহুম নুর আহমদের নাতি ও অভিযোগকারী মো. আক্কাস বলেন আমরা এই এস্টেটের বৈধ ওয়ারিশ কিন্তু তদন্তকারী অফিসার আমাদের সাথে কোন রকম যোগাযোগ না করো প্রভাব বা প্ররোচনায় প্রভাবিত হয়ে একতরফা প্রতিবেদন দিয়েছেন যা কখনো কোন সুস্থ্য ব্যক্তির কাম্য হতে পারেনা। তিনি যে দুই ব্যক্তিকে নিঃসন্তান বলেছেন আমরা তাঁর ১৩ জন ওয়ারিশ জীবিত আছি। শুধু তাই নয় প্রতিবেদনে গনির পুত্র জালাল আহমদ ও তফজল আহমদকে বলা হয়েছে তারা লেখা-পড়া যানেনা তা-ও সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। নিশ্চয় তিনি অনৈতিক কাজে জড়িয়েছেন তা না হলে তিনি এতগুলো মিথ্যার আশ্রয় কেন নিয়েছেন বলে পাল্টা প্রশ্ন করেন।
এমএসএম / এমএসএম
সুন্নী ওলামা মাশায়েখ পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা
নানা আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
জয়পুরহাটে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা
টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন অভিযান
মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের দায়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড
নেত্রকোণায় তিন উপজেলা ও তিন পৌর শাখার ছাত্রদলের নতুন আংশিক কমিটি অনুমোদন
বাগেরহাটের মোল্লহাটে তুচ্ছ ঘটনায় ছুরিকাঘাতে কৃষক নিহত
অভয়নগরে প্রথম জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
বিলাইছড়িতে জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন ইউএনও মো. জাকির হোসেন
মোহনগঞ্জে পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন
শালিখায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত
মান্দায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত
রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগে স্বামী গ্রেফতার
Link Copied