ঢাকা সোমবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২৬

ধামরাইয়ে 'দখলবাজ' শিক্ষকের মামলায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী


সোহেল রানা, ধামরাই photo সোহেল রানা, ধামরাই
প্রকাশিত: ২-৪-২০২২ দুপুর ৪:১৭
ঢাকার ধামরাইয়ের ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের বৈষ্টবদিয়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন। পেশায় একজন প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। সবশেষে ধামরাইয়ের বান্নল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিভিন্ন অপকর্মের দায়ে ৩বছর ধরে সাসপেন্ড হয়ে আছেন। তবে এলাকায় এখন পরিচিতি দখলবাজ হিসেবে। প্রভাব খাঁটিয়ে দখল করেছিলেন সরকারি সড়কও। সাধারণ মানুষের চলাচলের স্বার্থে আবেদনের প্রেক্ষিতে সড়কটি দখলমুক্ত করেন আদালত। তবে আদালতের সড়ক ভাঙ্গার ঘটনায় তিনি মামলা দায়ের করেছেন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে। তার দায়ের করা মামলায় অতিষ্ঠ এলাকার অনেকেই।
 
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বৈষ্টবদিয়া মৌজার আর এস দাগ নং ১৮৭ জমিতে এলাকাবাসীর চলাচলের স্বার্থে ১৮ ফুট দীর্ঘ একটি সরকারি সড়কের সঙ্গে নিজের কিছু জমিও ছেড়ে দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী মাসুদুর রহমান লেলিন। সেই সড়ক দিয়ে চলাচল করতো এলাকার কয়েকশো মানুষ। তবে গত ১৮ বছর আগে প্রাচীর বানিয়ে সড়কটি দখল করেন ওই শিক্ষক। বিষয়টি জানতে পেরে সেই দখল উচ্ছেদে প্রশাসনের কাছে গত ২১ ডিসেম্বর (২০২১) আবেদন করেন ওই প্রবাসী ব্যক্তি। আবেদন তদন্তে দখলের সত্যতা পেয়ে গত ১১ জানুয়ারি (২০২২) সড়ক দখলমুক্ত করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেই দখলমুক্তের ঘটনাকে 'জোরপূর্বক এলাকাবাসীর ভাংচুর' দাবি করে প্রবাসী ব্যক্তিসহ ১৫ জন এলাকাবাসীকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন সেই শিক্ষক। এতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।
 
আবুল হোসেনের দায়ের করা মামলার নথিপত্রে দেখা যায়, 'জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে ওই প্রাচীর ভাঙ্গার অভিযোগ করেছেন তিনি। এতে বলা হয়, 'ওই ১৫ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রসহ এসে তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মারধর করে।' 
 
তবে সরেজমিনে তার বাড়িতে গিয়ে কোন ভাংচুর বা হামলার চিত্রের দেখা মেলেনি। এমনকি মারধরের ঘটনায় চিকিৎসা নিয়েছেন এমন কোন খোঁজও পাওয়া যায়নি।
 
এ বিষয়ে কথা হয় এলাকাবাসীর সঙ্গে। স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম নবী বলেন, ওই রাস্তা দিয়েই এলাকার বহু মানুষ যাতায়াত করতো। তবে আবুল হোসেন ওই সড়ক দখল করে রেখেছিলেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সড়ক দখলমুক্ত করেছেন। এরপর শুনি সড়ক নাকি আমরা ভেঙ্গেছি! আমাদের নামে মামলা করেছে। আমরা এখন হয়রানির মধ্যে পরে গেছি।
 
মামলায় হয়রানির শিকার মাসুদুর রহমান বলেন, সরকারি রাস্তা বন্ধ করে প্রাচীর নির্মাণ করায় ভূমি অফিসে আমি একটা লিখিত অভিযোগ করি। পরে ম্যাজিস্ট্রেট এসে দেয়াল ভেঙে দেয়। কিন্তু আবুল হোসেন আমাদের নামে একটি মিথ্যা মামলা দেন। আবুল বলে আমরা নাকি অবৈধভাবে জোর করে দেয়াল ভাঙছি, ওর ঘরে ভাঙচুর করছি। মিথ্যা বানোয়াট একটা মামলা দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। 
 
এ বিষয়ে জানতে শিক্ষক আবুল হোসেনের সঙ্গে নানাভাবে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। তবে তিনি গণমাধ্যমের পরিচয় পেয়ে ফোন রেখে দেন। এমনকি মেসেজেরও কোন জবাব দেননি।
 
এ বিষয়ে ধামরাই উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, সরকারি রাস্তা বন্ধ করে প্রাচীর নির্মাণ করার একটি লিখিত অভিযোগ পাই। পরে তদন্ত করে জানতে পারি রাস্তাটি সরকারি। এজন্য মানুষ চলাচলের জন্য রাস্তাটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। তবে মামলার বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

এমএসএম / এমএসএম

কক্সবাজার সমুদ্র এলাকায় কোস্ট গার্ডের অভিযান

মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার; ১ অপহরণকারী আটক

কালকিনিতে টানা ৬ষ্ঠবারের মতো শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান মোল্লারহাট ফাযিল মাদরাসা

লামায় বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

নেত্রকোনায় মাদক সেবনের প্রতিবাদ করায় যুবককে ছুরিকাঘাতে জখম

কুড়িগ্রামে আহত অবস্থায় বিরল প্রজাতির ময়ূর উদ্ধার

রায়গঞ্জে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সচেতনতায় উঠান বৈঠক

রৌমারীতে ইমারত নির্মান শ্রমিকের নব নির্মিত অফিস শুভ উদ্বোধন

বাগেরহাটে এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক সহ ১২ সদস্যর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ

বিপুল পরিমান অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার, শ্রমিক ফেডারেশনের বিবৃতি

ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখার ঘোষণা আবু সুফিয়ানের

সাবেক ছাত্রলীগ নেতার পদোন্নতি নিয়ে কেজিডিসিএলে তোলপাড়

শালিখার দুঃস্ত মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ