ঢাকা বৃহষ্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

চন্দনাইশে ঈদের আমেজ নেই দর্জি ও কাপড়ের দোকানে


আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ  photo আমিনুল ইসলাম রুবেল, চন্দনাইশ
প্রকাশিত: ১৬-৪-২০২২ দুপুর ১:২০

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শপিংমলগুলোর সঙ্গে সমানতালে ক্রেতার ভিড় থাকত চন্দনাইশ উপজেলায় দর্জির দোকানগুলোতে। তবে সে ভিড় গত দুই বছর ধরে করোনার কারণে ভাটা পড়েছে দর্জির দোকানগুলোতে। ক্ষতি সাধিত হয়েছে অনেক দর্জি দোকানির। এমনকি এই পেশার কাজ কমে যাওয়ায় অনেকে ছেড়ে দিয়েছে দর্জির কাজ। জড়িত হয়েছে অন্য কোনো পেশায়।

সব সম্যসা মোকাবেলা করে দর্জি দোকানিদের আশা ছিল এবার পুরোদমে কাজ পাওয়ার। গত দুই বছরের যে ক্ষতি হয়েছিল তা এবছর কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেয়ার আশা ছিল তাদের। কিন্তু এবার ঈদের আগেও দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র। রমজানের ১৩-১৪ দিন অতিবাহিত হলেও দুয়েকটি দোকান ছাড়া প্রায় বেশিরভাগ দোকানি ক্রেতা ছাড়া অলস সময় পার করছেন। ভিড় নেই দর্জির দোকানগুলোতেও।

বর্তমানে চন্দনাইশে করোনা সংক্রমণ কমে এলেও দর্জির দোকানগুলোতে এখনো লাগেনি ঈদের আমেজ। দর্জির দোকানে নেই কোনো কাপড় সেলাইয়ের কাজ। কোনোমতে ঢিলেঢালাভাবে দিন অতিবাহিত করছেন দর্জিরা।

আজ শনিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল থেকে উপজেলার গাছবাড়িয়া খাঁনহাট শপিংমল, দোহাজারী, চন্দনাইশ পৌরসভাস্থ থানা বাজারের শপিংমল, বৈলতলি এলাকার দর্জি দোকানগুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। ছোট ছোট দর্জির দোকানসহ বড় বড় টেইলার্সেও একই চিত্র। কাজের তেমন ভিড় নেই এসব দোকানে।

গাছবাড়িয়া খাঁনহাট এলাকার দর্জির দোকানিরা জানান, দিন যতই যাচ্ছে ঈদুল ফিতর এর দিন সামনে ঘনিয়ে আসছে। তবে ঈদে গ্রাহকের তেমন কোনো চাপ নেই। অন্যান্য বছরে এমন সময়ে কাজের চাপে কথা বলার সুযোগ থাকত না ক্রেতাদের সাথে। তবে এবছরেও গত ২ বছরের মতো। নেই কোনো কাজের চাপ। রোজার আগে গ্রাহকের কিছুটা চাপ থাকলেও রোজা শুরু হওয়ার পর পর তা একেবারেই কমে গেছে।

সৌদিয়া ড্রেস গার্ডেনের প্রোপ্রাইটর স্বপন চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদে একেবারেই চাপ কম। ক্রেতা কম আসছেন। অথচ করোনা মহামারীর আগে আমরা যেখানে রোজার এই সময়ে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিতাম, সেখানে এখনও অর্ডারের জন্য আমরা দোকানে বসে থাকি। মহামারীর আগে সব সময় অনেক চাপ থাকত কাজের।  কিন্তু এখন চাপ একেবারে নেই। এখনো আমরা অর্ডার নিচ্ছি।

তিনি আরো বলেন ,শবেবরাতের পর পর ক্রেতা সমাগম কিছুটা ভালো ছিল। তবে রমজানে এসে তা কমে গেছে। হয়তো রেডিমেড পোশাকের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি অনেকগুলো দর্জির দোকান হওয়ায় ক্রেতা কমে যাচ্ছে বলে ধারণা করছেন তিনি।

অঙ্গশ্রী টেইলার্সের প্রোপ্রাইটর জানান, যতটা ক্রেতা আমরা আশা করেছিলাম, তার অর্ধেকও পাচ্ছি না। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানুষের আর্থিক সংকট একটি কারণ হতে পারে। এছাড়া মানুষের পছন্দে ভিন্নতাও আসতে পারে। তবে করোনায় বড় দুরবস্থা গেলেও তা এখন কমে এসেছে। এরপরও আগের মতো ব্যবসা ফেরেনি।

উপজেলার বেশিরভাগ দোকানি জানান, এবার ঈদে ঘুরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হচ্ছে না। তবে রোজার বাকি সময়ে গ্রাহকের চাপ বাড়বে বলে আশাবাদী তারা।

এমএসএম / জামান

গাজীপুরের কাশিমপুরে জমি নিয়ে বিরোধ: হামলা, ভাঙচুর ও জোরপূর্বক দখল চেষ্টার অভিযোগ

নালিতাবাড়ীতে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা

গোদাগাড়ীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও বৃক্ষ বিতরণ

মাদক প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পঞ্চগড়ে জগদল উচ্চ বিদ্যালয়ে ক্লাস বাদ দিয়ে মানববন্ধন করার অভিযোগ

রায়গঞ্জে সংস্কার হলো করতোয়া নদীর ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

সিংড়ায় বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

টঙ্গীতে হানি ট্র্যাপের ফাঁদে যুবক, জিম্মি করে টাকা আদায়: চক্রের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

কুতুবদিয়ায় ১৫ মাসেও পৌঁছায়নি বরাদ্দকৃত ভেটেরিনারি মোবাইল ক্লিনিক, অবহেলায় খামারিরা

আলফাডাঙ্গায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আগুন নিহত -১, ক্ষতি কোটি টাকা

তেঁতুলিয়ায় ৪৭৭ পরিবার পেল ফ্যামিলি কার্ড

মনপুরায় ৭.৯ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের টেন্ডার আহ্বান

রাজস্থলী বাঙ্গালহালিয়াতে মদ ভেবে বিষপানে এক গার্মেন্টস কর্মীর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু